সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বা এলএপিডি স্টাইলে প্রত্যেকটি নাগরিকের কাছে জরুরি পুলিশি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলা জুড়ে চালু হচ্ছে ১১২ ডায়াল পরিষেবা। আসন্ন দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যজুড়ে এই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ভয়া ফান্ড ব্যবহার করে নির্বাচন পূর্ববর্তী বিজেপির সংকল্প পত্রের ঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকে রাজ্যে চালু হলো নারী সুরক্ষার জন্য বিশেষ দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড। মোটর বাইকে চড়ে এই দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াডের মহিলা পুলিশ কর্মীরা ঘুরে বেড়াবেন মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। শুধু তাই নয় রাজ্যের প্রত্যেকটি থানায় আজ থেকেই উদ্বোধন হয়ে গেল ২৪ ঘন্টার মহিলা সহায়তা কেন্দ্র এবং সাইবার হেল্প ডেস্ক।
সাইবার হেল্প ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে সাইবার ক্রাইম যে ভয়ানক আকার ধারণ করেছে তা থেকে বাংলার মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি থানায় সাইবার হেল্প ডেস্ক চালুর পাশাপাশি ১৯৩০ হেল্পলাইন নম্বর চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নবান্ন সভার ঘরে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মহামারীর আকার নিয়েছে সাইবার প্রতারণা। প্রতারণার শিকার হচ্ছেন প্রান্তিক মানুষরাও। প্রবীণরাও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, জনতার দরবারে জমা পড়েছে অভিযোগ। উপভোক্তারা সরকারি প্রকল্পের টাকাও খুইয়েছেন।

প্রত্যেক থানায় নারী সহায়তা কেন্দ্র
মহিলাদের যেকোন সমস্যায় প্রত্যেকটি থানায় আজ থেকেই চালু হয়ে গেল মহিলা সহায়তা কেন্দ্র। নারী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কোনো রকম সমঝোতা করবে না বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নারী নিরাপত্তার কথার মাথায় রেখে মহিলা হেল্প ডেস্ক। অতি দ্রুততার সঙ্গে চালু হল মহিলা হেল্প ডেস্ক। নারী সুরক্ষা আমাদের সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার। নারী নিরাপত্তায় কোনও খামতি বরদাস্ত নয়। জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলছে সরকার। রাজ্য পুলিশকে দিল্লি পুলিশ ও আধাসেনার মতো করতে চাই। কোনও অভিযোগ এলে এফআইআর করুন, কিছু লুকোবেন না। কেন্দ্র কোনও তথ্য চাইলে দিতে হবে। ব্যাধিকে আড়াল করলে কমে না, আরও বাড়ে। নিরাপত্তা ও কাজের মুক্ত পরিবেশ পাবে পুলিশ। তারাতলার বিপর্যয়ে পুলিশ, দমকল ও পুরসভা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ যেন কোন অভিযোগ পেলে তার ব্যবস্থা নিতে দেরি না করে বা লুকোতে চেষ্টা না করে সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমরা জানি পরিকাঠামো এবং পুলিশ কর্মীর অভাব আছে। সেটা স্বীকার করে আমি বলছি আপনারা দ্রুত অনলাইনে যাতে অভিযোগ নেওয়া যায় সেই চেষ্টা করবেন। নির্ভয়ার ঘটনা থেকে তিলোত্তমার ঘটনা পর্যন্ত আমরা যে তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি তা মাথায় রেখে আমরা আমাদের রাজ্যের নারী-কন্যাদের সুরক্ষা প্রদান করব। তার জন্য সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে চলবে।

চালু হচ্ছে ১১২ হেল্পলাইন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ছাড়াও পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই জরুরী বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে পুলিশি পরিষেবা দেওয়ার জন্য চালু রয়েছে ১১২ ডায়াল পরিষেবা। এবার পশ্চিমবঙ্গেও এই পরিষেবা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আসন্ন দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যজুড়ে এই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, মহারাষ্ট্র, গুজরাট বা উত্তরপ্রদেশে কোনো ঘটনার খবর পাওয়ার ৬ মিনিটের মধ্যে পুলিশ পৌঁছে যায়। আর পশ্চিমবঙ্গে এই ক্ষেত্রে সময় লেগে যায় তিন ঘণ্টা! এই ছবি বদলাতে হবে। রাজ্য পুলিশের সুনাম ফেরাতে হবে।
]]>
প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে শহরে মাথাচাড়া দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। তার ফাঁদে পড়ে নারীরা বেশি প্রতারিত হন। যা কলকাতা পুলিশের মাথাব্যাথার কারণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে শহরের মহিলাদের জন্য সাইবার সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুলিশ। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানান, সাইবার অপরাধকে রুখতে ও মহিলাদের নিরাপত্তায় নয়া পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে শহরের মহিলাদের সুরক্ষার জন্য কলকাতা পুলিশ আলাদা করে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন করা হয়েছিল সিপি মনোজ বর্মাকে। তিনি সকলকে নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নারীদের নিরাপত্তায় নারীরাই এগিয়ে এসেছে। কলকাতা পুলিশে একটা বড় অংশ মহিলা অর্থাৎ পথে নেমে সুরক্ষার দায়িত্ব নিতে পারেন তাঁরাই।
তবে ইদানিং তো ভারচুয়াল জগতে অপরাধ বাড়ছে হু হু করে। অহরহ তার শিকার হচ্ছেন মহিলারা। তা নিয়ে কী ভূমিকা কলকাতা পুলিশের? এই প্রশ্নের উত্তরেই সিপি বলেন, ”আমরা একটা নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছি। সাইবার শাখার কাজ আরও বাড়ছে। জয়েন্ট সিপি (সাইবার) এবং জয়েন্ট সিপি (লিগাল) এই দুটি নতুন পদ তৈরি হচ্ছে। আগামী ক্যাবিনেট বৈঠকে অনুমোদন হয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তাতে কাজ আরও ভালোভাবে হবে।” এর পাশাপাশি সিপি আরও জানান, আইনি উপদেশের জন্য তৈরি হচ্ছে জয়েন্ট সিপি (লিগাল) পদটি। তাতে অপরাধের শিকার হওয়া থেকে বাঁচতে মহিলারা উপযুক্ত পরামর্শ পাবেন।
সাইবার উইং যেটা আছে সেটাকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা হচ্ছে। কারণ, যেভাবে অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে উইং-কে ভাগ করা ছাড়া উপায় নেই। সাইবার সেলকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়েছে। ডিসি সাইবার ছিলেন তার ওপর জয়েন্ট সিপি সাইবার পদ তৈরি করা হয়েছে। আমরা আশা করছি এইভাবে আমরা সাইবার অপরাধ অনেক কমাতে পারবো।এরই পাশাপাশি সাইবার অপরাধের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বাড়ছে সাইবার ক্রাইমের পাল্লায় পড়ে কোটি কোটি টাকা হারানোর সংখ্যা।
যদিও পুলিশ এবং গোয়েন্দাদের তৎপরতায় অনেক ক্ষেত্রেই সেই টাকা প্রতারকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আদালতের নির্দেশ মেনে তা প্রাপকের কাছে ফেরতও দিচ্ছে পুলিশ। কিন্তু তারপরেও অভিযোগ উঠেছে, অনেক ক্ষেত্রেই সেই টাকা ফেরত পেতে প্রচুর ঝামেলার সামনে পড়তে হচ্ছে প্রতারিতদের। আটকে যাওয়া টাকা দ্রুত ও বিনা বাধায় প্রতারিতদের ফেরত দিতে হবে। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। সম্প্রতি, এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়।
জানা গিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে।সাইবার অপরাধ রুখতে লালবাজারের সাইবার থানাকে নিয়ে ছ’টি শাখা গঠন করা হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার নির্দেশ অনুযায়ী, সাইবার থানার সঙ্গে রয়েছে অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম শাখা, সাইবার নিরাপত্তা এবং সাইবার সেফটি শাখা, সাইবার প্রতারণা রিকভারি শাখা, সাইবার ফরেন্সিক ল্যাব এবং সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন ও সাপোর্ট শাখা।
এই শাখাগুলি শুক্রবার থেকেই কাজ শুরু করেছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ছ’টি শাখা কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা-প্রধানের অধীনে কাজ করবে। সাইবার থানায় সাত জন ইনস্পেক্টর থাকবেন। তাদের সঙ্গে থাকবেন ১০ জন অফিসার এবং ২৫ জন কনস্টেবল। অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম শাখায় আছেন ৬ ইনস্পেক্টর এবং ২৫ জন অফিসার। তারা প্রয়োজনে স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ তৈরি করবেন। ওই গ্রুপ দ্রুত সাইবার অপরাধ চিহ্নিত করে তা ঠেকানোর কাজ করবেন। বাকি শাখাগুলির দায়িত্বে থাকছেন এক জন বা দু’জন করে ইনস্পেক্টর। সবমিলিয়ে সাইবার অপরাধ ঠেকাতে কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা পুলিশ।

এসবের মাঝেই সিপিকে যাদবপুর কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। তা অবশ্য এড়িয়ে গিয়ে সিপির সংক্ষিপ্ত জবাব, ”মাননীয় হাই কোর্ট আমাদের কাছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অশান্তি নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছেন। আমরা সেই রিপোর্ট তৈরি করেছি, তা পেশ করব আদালতে। এর বেশি এখন কিছু বলা যাবে না।”
]]>
আজকাল প্রায় কারো পকেটে নগদ টাকা থাকে না বললেই চলে। টাকাপয়সার লেনদেন পুরোটাই হয় অনলাইনে। চায়ের দোকান থেকে জামাকাপড় শপিং- সবকিছুই অনলাইনে কিউআর কোড স্ক্যান করেই হয়ে যায়।
তবে এর সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণাও দিন দিন বাড়ছে। কিউআর কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন, এমন বহু উদাহরণ রয়েছে।
অনলাইনে প্রতারণা থেকে কীভাবে বাঁচবেন, রইল তার কয়েকটি টিপস
সোর্স ভ্যারিফিকেশন– আপনি যে কিউআর কোড স্ক্যান করছেন, তা নির্ভরযোগ্য সোর্সের কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। কোড স্ক্যান করার আগে তার ইউআরএল বা সোর্স যাচাই করে নিন।
ইউআরএল– কোনও লিঙ্কের মাধ্যমে যদি টাকা পাঠান, তবে লিঙ্কে ক্লিক করার আগে তার ইউআরএল অবশ্যই দেখে নিন। সন্দেহজনক নাম বা অচেনা ডোমেইন দেখলে, তাতে ক্লিক করবেন না।
ব্রান্ডিং ও ডিজাইন– প্রতারকরা অনেক সময়ই হুবহু নকল করে নেয়। তবে কিউআর কোডে কোম্পানির লোগো, রঙ বা ব্রান্ডিংয়ের ফারাক থাকে। কিউ আর স্ক্যান করার আগে অবশ্যই এই বিষয়ে নজর দিন। যদি কিউআর কোডে মার্ক সঠিক না থাকে, তবে স্ক্যান করবেন না।
সিকিউর কিউআর কোড– সুরক্ষিত কিউআর কোড জেনারেটর দিয়ে যে কোড তৈরি, সেই ধরনের কোডই ব্যবহার করেন। সুরক্ষিত কিউআর কোডে এনক্রিপশন ও ট্যাম্পার-প্রুফ ডিজাইন থাকে।
কোথায় কিউআর রয়েছে– সাধারণত অফিসিয়াল ডকুমেন্ট, প্রোডাক্ট প্য়াকেজিং বা নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটে কিউআর কোড থাকলে, তাতে প্রতারণার ঝুঁকি কম থাকে।
হানি ট্রাপ থেকে সতর্ক থাকুন– কোনও ইমেইল, মেসেজ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কিউআর কোডের রিকোয়েস্ট এলে, তা হানি ট্রাপ হতে পারে। এই ধরনের লিঙ্ক থেকে সতর্ক থাকুন।
ডিভাইস সিকিউরিটি– শুধু কিউআর কোড নিয়ে সতর্ক থাকলেই হবে না, নিজের মোবাইলের সফটওয়্যার ও সিকিউরিটি অ্য়াপ্লিকেশন আপডেট রাখা দরকার।
]]>ওয়েবসাইট হ্যাক করে পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল একদল সাইবার অপরাধীরা। এই ট্যাব কেলেঙ্কারি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিড়ম্বনা বেড়েছিল। যদিও পর পর গ্রেফতার হতেই বহু টাকা উদ্ধার হয়েছে। তবে সবটা উদ্ধার করা গিয়েছে কিনা সেটা পুলিশ জানায়নি। তবে এই সাইবার প্রতারণার ঘটনার পর থেকে দেশের নানা প্রান্তে শুরু হয় ডিজিটাল অ্যারেস্টের মতো প্রতারণার ঘটনা। এক্ষেত্রে একটি ফোন ধরলে বা কোনও লিঙ্কে ক্লিক করলেই ব্যাঙ্কের টাকা গায়েব হতে পারে। তাই এমন প্রতারণার ঘটনা রুখতে উদ্যোগী হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। লঞ্চ করা হল দুটি বই। যা সাইবার সচেতনতা বাড়াবে।
রাজ্যজুড়ে ক্রমবর্ধমান সাইবার ক্রাইমের প্রতিকারে এবার পাবলিক অ্যাওয়ারনেসের উপর জোর দিল রাজ্য সরকার। ডিজিটাল প্রতারণা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি দফতর। সাইবার প্রতারকদের ফাঁদ থেকে মানুষকে সচেতন করতে বই লঞ্চ করলেন তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, ‘এই বইয়ে কার্টুনের মাধ্যমে বাচ্চা থেকে বয়স্ক সকলকে সচেতন করা হবে। আপাতত বই লঞ্চ করা হলেও পরে ডিজিটাল অ্যাপও চালু করা হবে। মানুষ যখন ক্রমে ব্যাঙ্ক ট্রানজাকশন থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে অনলাইন মাধ্যমে দিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন তখন রোজ সাইবার ক্রাইম বেড়ে চলেছে।
নানা জায়গায় সাইবার অপারেশনে এক্সপার্ট মানুষজন এই ধরনের সাইবার ক্রাইম গ্রুপ খুলে সেখানে নানা সাইটে একাধিক অ্যাপের মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম ঘটিয়ে চলেছে।’
এই সাইবার ক্রাইম থেকে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভিভিআইপিরাও বাদ যাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন বাবুল সুপ্রিয়। আজ, মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাবুলের বক্তব্য, ‘কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের প্রায় ৩ হাজারের বেশি কর্মীকে তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের পক্ষ থেকে সাইবার সুরক্ষা নিয়ে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। এই ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে এবং সচেতনতার দ্বারা সাধারণ মানুষকে সাইবার প্রতারণার হাত থেকে অনেক বেশি বাঁচানো সম্ভব হবে। এখন প্রতারকরা খুব সরল ভাষা ব্যবহার করে প্রতারণার জাল ছড়ায়। আমজনতা তা বুঝতে না পেরে তাদের কথা মতো এগিয়ে যায় এবং প্রতারণার শিকার হয়।’
সাইবার ক্রাইম থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে এবার সরকারি উদ্যোগে অ্যাওয়ারনেস বা জনসচেতনতা গড়ে তোলার কাজ শুরু করল রাজ্য সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ। সাইবার ক্রাইম থেকে কেমন করে নিজেকে মুক্ত রাখা যায় সেটা কার্টুন পুস্তিকার মাধ্যমেই এবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করল তারা।

আজ রাজ্য বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র কথায়, ‘বেশ কিছু ব্রাউজারের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। মানুষ যদি সচেতন হন তাহলে সাইবার ক্রাইমের পাল্লায় পড়ে আর কউকে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের টাকা খোয়াতে হবে না। কাউকে টাকা পেমেন্ট করতে গিয়ে সেই টাকা হারাতে হবে না। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও পার্সোনাল ডকুমেন্টস হ্যাক হবে না।’
]]>