ভারতের ইলেকট্রিক গাড়ির বাজারে (EV Market India) এবার বড়সড় ধাক্কা দিতে চলেছে মারুতি সুজুকির নতুন ইলেকট্রিক এসইউভি Maruti eVX। লঞ্চের আগেই এই গাড়ি নিয়ে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যবিত্ত পরিবার। কারণ দাম, ফিচার্স এবং রেঞ্জ— তিনটি ক্ষেত্রেই ইভিএক্স হতে চলেছে ভারতের সবচেয়ে স্মার্ট ডিল (Smart Electric SUV India)।
মারুতি যেভাবে বাজেট এবং EV affordability নিয়ে কাজ করছে, তা দেখে বিশেষজ্ঞদের মতে মনে করা হচ্ছে—
“এটাই হতে পারে ভারতের প্রথম Mass Adoption EV।”
ব্যাটারি ও রেঞ্জ: এক চার্জে শহর এবং হাইওয়ে— দুই-ই!
মারুতি অফিসিয়ালি স্পেসিফিকেশন ঘোষণা না করলেও অটোমোটিভ সূত্র বলছে, ইভিএক্সে থাকতে পারে 45–50 kWh battery pack যা একবার চার্জে 350–400 km real driving range দিতে পারে।
শহরের জন্য:
স্কুলের ড্রপ, অফিস, বাজার— সাধারণ ব্যবহারে ১ সপ্তাহে একবার চার্জই যথেষ্ট।
দূরপাল্লা ও উইকএন্ড ভ্রমণ:
যদি Fast Charging Support (0–80% in 45-50 minutes) থাকে, তবে লং ড্রাইভেও কোনো সমস্যা নয়।
বাংলার ভূগোল, ট্রাফিক এবং দৈনন্দিন সিটি ইউজেজে এই রেঞ্জ নিঃসন্দেহে বড় সুবিধা দেবে।
মূল্য: Maruti আবার প্রমাণ করল— “দামেই ব্র্যান্ড”
সবচেয়ে বেশি চমক এখানে। ইন্ডাস্ট্রি সূত্র অনুযায়ী Maruti eVX price শুরু হতে পারে—
₹15–17 lakh (Ex-showroom)
এই দামে এখনো পর্যন্ত কোনো বড় EV SUV বাজারে নেই। অর্থাৎ যারা Hyundai Creta, Nexon EV বা MG-এর মতো ব্র্যান্ড ধরতে পারছেন না— তাদের জন্য eVX হতে পারে game-changer EV।
পরিবারবান্ধব ডিজাইন ও ফিচার্স
মারুতি স্পষ্ট করে দিয়েছে— এই গাড়ি “Tech Car” নয়, বরং Family First EV।
বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে থাকতে পারে:
Spacious Cabin
SUV Ground Clearance
Advanced Infotainment (Android Auto & Apple CarPlay support)
ADAS or Similar Safety Assist Features
বড় বুট স্পেস
বড় পরিবার, বাচ্চা, বাজার & ট্রাভেল— সবকিছু মিলিয়ে এটি হতে চলেছে “Everyday Use EV” (Daily EV for Family)।
কম খরচে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার
EV এর সবচেয়ে বড় সুবিধা— রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানি খরচ (Maintenance + Running Cost) কম।
ইভিএক্স ব্যবহারকারীরা পাবেন—
No petrol/diesel expense
কম সার্ভিসিং
কম mechanical breakage
যারা শহরের ভিতরে প্রতিদিন ড্রাইভ করেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে cost-efficient mobility solution।

বাস্তব চ্যালেঞ্জ কী?
যদিও প্রচুর প্রত্যাশা, তবুও কিছু প্রশ্ন এখনও বড়—
ছোট শহরে চার্জিং স্টেশন কবে বাড়বে?
Long-term battery health কেমন হবে?
Resale value EV বাজারে কতটা শক্তিশালী?
এই উত্তরগুলো পাওয়া যাবে লঞ্চের পর ব্যবহারকারীদের রিভিউতে।
ভারতীয়দের জন্য “পারফেক্ট ইভি”?
মারুতি ইভিএক্স শুধু একটি গাড়ি নয়— এটি ভারতের EV revolution-এর সম্ভাব্য টার্নিং পয়েন্ট।
যদি দাবি সত্যি হয়—
350–400 km range
Fast charging
₹15–17 lakh price
তাহলে Maruti eVX হতে পারে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইলেকট্রিক SUV।
এটাই কি হতে চলেছে ভারতের “First Real Common Man EV”? — এখন অপেক্ষা শুধুই অফিশিয়াল লঞ্চ এবং প্রথম-হাতে বাস্তব অভিজ্ঞতার।
ইলেকট্রিক গাড়ি যাঁরা ভালবাসেন তাঁরা বহুদিন ধরেই চাইছিলেন টাটা নতুন কোনও ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে নিয়ে আসুক। ইতিমধ্যেই এমজি উইন্ডসর ইভি টাটার নেক্সন ইভি ও পাঞ্চ ইভিকে টক্কর দিচ্ছে। তার উপর মাহিন্দ্রার ২টি বর্ন ইভি আরও চাপ বাড়িয়েছিল টাটার উপর। টাটার দুই এসইউভি হ্যারিয়ার এবং সাফারির ইভি ভার্সনের দাবি অনেকদিন ধরেই করছিলেন ইভি প্রেমীরা।
আর অবশেষে তাঁদের সেই ইচ্ছাপূরণ করল টাটা মোটরস।
মঙ্গলবার, ৩ জুন হ্যারিয়ার ইভি লঞ্চ করল টাটা মোটরস। সংস্থার নেক্সট জেনারেশন acti.ev+ pure EV আর্কিটেকচারের উপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে এই গাড়িটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন একবার চার্জ দিলে এই গাড়িটি বাস্তবে ৪৮০ থেকে ৫০৫ কিলোমিটারের মতো চলবে।
একটি স্টেটমেন্টে সংস্থাটি জানিয়েছে ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিবেগ তুলতে এই গাড়িটির সময় লাগে মাত্র ৬.৩ সেকেন্ড। যা নাকি এই সেগমেন্টের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর এর পিছনে রয়েছে এই গাড়িতে ব্যবহৃত ডুয়াল মোটর সিস্টেম যা আসলে একসঙ্গে গাড়ির ৪টি চাকাতেই পাওয়ার সাপ্লাই করে।
এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক কী কী রয়েছে এই টাটা হ্যারিয়ারে
নরমাল, গ্রাস/স্নো, মাড/গ্র্যাভেল, স্যান্ড, রক, ক্রল ও কাস্টমের মতো গাড়িটিতে ৬টি ভিন্ন ভিন্ন টেরেন মোড রয়েছে যা গাড়ি চালানোর সময় কাজে লাগবে।
সামনের চাকায় থাকা ১১৬ কিলোওয়াটের মোটর ১৫৮ হর্সপাওয়ার পাওয়ার সাপ্লাই করে। আর পিছনের চাকায় থাকা ১৭৫ কিলোওয়াটের মোটর ২৩৮ হর্সপাওয়ার পাওয়ার সাপ্লাই করে।

গাড়িটি দুটি মোটর মিলিয়ে মোট ৫০৪ নিউটনমিটার টর্ক জেনারেট করে।
৬৫ কিলোওয়াট আওয়ার ও ৭৫ কিলোওয়াট আওয়ারের দুটী ব্যাটারি প্যাকের সঙ্গে এই গাড়িটি পাওয়া যায়।
সাধারণ ব্যাটারির থেকে ১.৫ গুণ দ্রুত চার্জ হয়ে যায় এই গাড়িটি। মাত্র ১৫ মিনিটের চার্জে ২৫০ কিলোমিটারের রেঞ্জ পাওয়া যায় হ্যারিয়ার ইভিতে।

৪টি রংয়ের অপশনে এই গাড়িটি লঞ্চ করেছে টাটা। গাড়ির মধ্যে রয়েছে স্যামসংয়ের কিউ এলইডি ডিসপ্লে। রয়েছে ডলবি অ্যাটমস স্পিকার। গাড়ির দাম শুরু হচ্ছে ২১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা থেকে। এবার এই গাড়ি সেগমেন্টের বাকি গাড়িগুলোকে কতটা টক্কর দেয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ইভি লাভাররা।
নতুন বছরে কি আপনি নিজের জন্য একটা নতুন বৈদ্যুতিক স্কুটার কেনার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে আজ আপনার জন্য আমরা নিয়ে এসেছি একটা দারুণ ইলেকট্রিক স্কুটার অপশন। এই নতুন ইলেক্ট্রিক স্কুটারের নাম Bajaj Chetak EV। আজ বাজাজ কোম্পানিটি তাদের এই নতুন ইলেকট্রিক স্কুটার লঞ্চ করেছে ভারতের বাজারে।
এখানে আপনারা পেয়ে যাবেন একাধিক সেরা সেরা নজর কারা ফিচার। বাজাজ কোম্পানিটি তাদের আইকনিক চেতক মডেলের সমস্ত বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে তাদের এই ইলেকট্রিক স্কুটারে। কোম্পানি নতুন করে তার আপডেটেড ইলেকট্রিক স্কুটার রেঞ্জ চালু করেছে। দেশের ইলেকট্রিক স্কুটার সেগমেন্টে বর্তমানে বাজাজ চেতক একটা খুবই জনপ্রিয় ইলেকট্রিক স্কুটার। এই স্কুটারটি বাজারের সবথেকে জনপ্রিয় ইলেকট্রিক স্কুটার।
এখানে আপনারা পেয়ে যাবেন একটি ব্র্যান্ড নিউ চেসিস এবং একটি বড় বুট স্পেস। বাজাজের এই নতুন ইলেকট্রিক স্কুটারের দাম রাখা হয়েছে ১,২৭,২৪৩ টাকা। অন্যদিকে, এর পুরোনো মডেলের দাম বর্তমানে রয়েছে ১,২০,০০০ টাকা। নতুন প্রজন্মের এই Chetak EV স্কুটারে আপনারা পেয়ে যাবেন ৩৫ লিটারের বুট স্পেস এবং রয়েছে ৩০টিরও বেশি নতুন ফিচার। এখানে আপনারা এমন অনেক বৈশিষ্ট্য পাবেন যা আগের মডেলে পাওয়া যেতো না। এই নতুন চেতক স্কুটারের সঙ্গে আপনারা সহজে ফোন কানেক্ট করতে পারবেন। এছাড়াও, এই স্কুটারে রয়েছে মিউজিক কন্ট্রোল সিস্টেম।

নতুন বাজাজ চেতকে দেওয়া হয়েছে আরও পাওয়ারফুল ব্যাটারি প্যাক। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, এই স্কুটারটি ৩ ঘণ্টায় ৮০ শতাংশ চার্জ হবে। Bajaj Chetak একবার সম্পূর্ণ চার্জে ১৫৩ কিলোমিটার রেঞ্জ অফার করে। Bajaj Chetak-এর নতুন EV ৩৫০১-এর এক্স-শোরুম মূল্য ১,২৭,২৪৩ টাকা এবং Bajaj Chetak-এর ৩৫০২ ভেরিয়েন্টের দাম ১,২০,০০০ টাকা।
]]>ভারতীয় বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এখন মানুষ পেট্রোল এবং ডিজেল গাড়ির চেয়ে মানুষ ইলেকট্রিক গাড়ি বেশি পছন্দ করছেন। বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার আগে, যে দুটি বিষয় প্রথমেই মাথায় আসে তা হল বৈদ্যুতিক গাড়ির মাইলেজ, এবং পাশাপাশি এর দাম।
ভারতীয় বাজারে এমন অনেক ইলেকট্রিক গাড়ি রয়েছে যেগুলির দাম ও মাইলেজ দুটোই দুর্দান্ত। আসুন আজকের এই প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক ভারতীয় বাজারে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের ইলেকট্রিক গাড়িগুলি কোন গুলি?
টাটা টিয়াগো ইভি (Tata Tiago EV)
টাটা টিয়াগো ইভির আপডেটেড মডেলটিতে নতুন ইন্টেরিয়র ডিজাইন নজর কাড়বেই। টাটার গাড়িটিতে ১৯.২ kWh ব্যাটারি প্যাক রয়েছে, যার সাহায্যে এই গাড়িটি একবার চার্জে ২২৩ কিমি রেঞ্জ অফার করে বলেই দাবি কোম্পানির। এই ইভিতে ২৪ kWh -এর একটি বৃহত্তর ব্যাটারি প্যাকের বিকল্পও রয়েছে। এই ব্যাটারি প্যাক সহ, এই গাড়িটি সিঙ্গেল চার্জে ২৯৩ কিলোমিটার রেঞ্জ দেয়। Tata Tiago EV-এর এক্স-শোরুম দাম ৭.৯৯ লক্ষ টাকা।
এমজি উইন্ডসর (MG Windso)
নতুন এমজি উইন্ডসর- মডেলে রয়েছে একাধিক অনেক দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য। এমজি মোটরসের এই গাড়িটি ৩৮ kWh ব্যাটারি প্যাক রয়েছে। যেটি সিঙ্গেল চার্জে ৩৩২ কিলোমিটার রেঞ্জ দেওয়ার দাবি করে। এমজি মোটরসের এই গাড়িটিতে একটি রিমুভেবেল ব্যাটারি প্যাক রয়েছে। ব্যাটারি প্যাক ছাড়া এই গাড়ির দাম শুরু হচ্ছে ৯.৯৯ লক্ষ টাকা থেকে।
ব্যাটারি প্যাক সহ এমজি উইন্ডসরের দাম ১৪ লক্ষ টাকা থেকে শুরু।
টাটা পাঞ্চ ইভি (Tata Punch EV)
টাটা পাঞ্চ ইভি একটি ছোট এসইউভি। এই বৈদ্যুতিক গাড়িটি জেনারেশন ২ আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই গাড়িটিতে দুটি ব্যাটারি প্যাকের বিকল্প রয়েছে। গাড়িটির ২৫ kWh ব্যাটারি প্যাকটি সিঙ্গেল চার্জে দেয় ৩১৫ কিমি রেঞ্জ পায়। একই সাথে, এই গাড়িটির ৩৫ kWh কিলোওয়াট বড় ব্যাটারিটি একবার চার্জে দেয় ৪২১ কিমি রেঞ্জ দেয়। টাটা পাঞ্চ ইভির এক্স-শোরুম দাম ১১ লক্ষ টাকা।
কিছুদিনের মধ্যেই বাজার আসবে হুন্ডাই ক্রেটার নতুন বৈদ্যুতিন গাড়ি। ইতিমধ্যেই এই গাড়িটির জন্য বুকিং (Hyundai Creta Electric) শুরু হয়ে গিয়েছে। কিছু টোকেন হিসেবে টাকা দিলেই এই গাড়ি বুকিং করে নেওয়া যাচ্ছে। কত টাকায় হবে বুকিং ? গাড়িটির এক্স শোরুম দামই বা কত থাকছে ?
তবে এই গাড়িটির সমস্ত ভ্যারিয়ান্টের (Hyundai Cars) জন্য বুকিং এখনও শুরু হয়নি, কেবলমাত্র বেস ট্রিমের মডেলটিরই বুকিং করা যাবে। আগামী ১৭ জানুয়ারি ভারত মোবিলিটি এক্সপোতে এই গাড়িটি লঞ্চ করা হবে বলে জানিয়েছে গাড়ি নির্মাতা সংস্থা।
হুন্ডাই ক্রেটা এবং হুন্ডাই ক্রেটা ইভির মধ্যে কী ফারাক ?
হুন্ডাই ক্রেটা ইভি মূলত এমন একটি গাড়ি যা আইসিই ভ্যারিয়ান্টের উপর বানানো হয়েছে। হুন্ডাই ক্রেটার সাধারণ মডেলের মতই ডিজাইন করা হয়েছে এই গাড়িটি। শাট অফ বাম্পার গ্রিল, অ্যাক্টিভ এয়ার ফ্ল্যাপ, নতুন স্কিড প্লেট এই গাড়িতে ইনস্টল করা হয়েছে। এছাড়া আপনি ক্রেটা এবং ক্রেটা ইভির ডিজাইনে খুব একটা কিছু ফারাক দেখতে পাবেন না। আর এই গাড়িটি পিক্সেল থিমে আনার কারণে অত্যন্ত প্রিমিয়াম লুক এসেছে।
হুন্ডাই ক্রেটা ইভি রেঞ্জ
হুন্ডাইয়ের এই নতুন বৈদ্যুতিন গাড়িতে থাকছে দুটি ব্যাটারি প্যাক। একটি ৫১.৩ কিলোওয়াট আওয়ারের ব্যাটারি প্যাক ইনস্টল করা হয়েছে এই গাড়িতে। আর এই ব্যাটারি প্যাকের সাহায্যে এই গাড়িটি এক চার্জে যেতে পারবে ৪৭৩ কিমি রাস্তা। এই গাড়িতে আরও একটি ৪২ কিলোওয়াট আওয়ারের ব্যাটারি প্যাক রয়েছে যার সাহায্যে ফুল চার্জে গাড়িটি যেতে পারবে ৩৯০ কিমি রাস্তা।
ক্রেটা ইভির চার্জিং সময়
এই গাড়ির বেশি শক্তির ব্যাটারি প্যাকটি ১০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জে পৌঁছাতে সময় লাগে ৫৮ মিনিট, তাও একটি ৬০ কিলোওয়াটের ডিসি চার্জারের সাহায্যে। আর যদি আপনি একটি এসি ওয়াল বক্স ইউনিটে এই গাড়ি চার্জ দেন তাহলে ৪ ঘণ্টা লাগবে ১০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে পৌঁছাতে।

হুন্ডাইয়ের ক্রেটা ইভিতে ৭.৯ সেকেন্ডের মধ্যেই গতি ওঠে ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। ক্রেটার এন লাইন ডিসিটি মডেলের থেকে কিছুটা বেশি গতি রয়েছে এই গাড়িতে। ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টার গতিতে পৌঁছাতে ক্রেটার এন লাইন ডিসিটি সময় নেয় ৮.৯ সেকেন্ড।
]]>হন্ডা কার্স ইন্ডিয়া তাদের প্রথম অল-ইলেকট্রিক এসইউভি ২০২৬ সালে লঞ্চ করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। এই নতুন ইলেকট্রিক গাড়িটি এলিভেটের বডি শেল ব্যবহার করবে, তবে নতুন নাম এবং ডিজাইন পাবে। ভারতীয় বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে হন্ডার প্রবেশ কোম্পানির কৌশলগত পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন বলেই মনে করছেন অনেকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, হন্ডা কার্স ইন্ডিয়ার সভাপতি এবং সিইও তাকুয়া সুমুরা ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিনটি বৈদ্যুতিক মডেল লঞ্চ করার কথা নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে একটি হবে এলিভেট প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে তৈরি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ি। অন্য দুটি হবে হাইব্রিড অথবা ইলেকট্রিক মডেল। বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতার লক্ষ্য অর্জনের জন্য, কোম্পানি তাদের পণ্যের মধ্যে বৈদ্যুতিক মডেলের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
এলিভেট-ভিত্তিক ইলেকট্রিক গাড়িটি হন্ডার এসিই (এশিয়ান কম্প্যাক্ট ইলেকট্রিক) প্রকল্পের অংশ। কোম্পানি প্রাথমিকভাবে এই গাড়িটি ভারতীয় বাজারের জন্য তৈরি করবে। তবে, বিভিন্ন দেশে, জাপান সহ, ৫০-৭০% রপ্তানি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই, হোন্ডার এসিই প্রকল্প ভারতকে একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।
হন্ডার নতুন ইলেকট্রিক এসইউভি ২০২৬ সালের মধ্যে ভারতীয় বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে আসবে। বর্তমানে এই ক্ষেত্রে টাটা মোটরস, এমজি, মাহিন্দ্র ইত্যাদি ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে হুন্ডাই এবং মারুতি সুজুকিও মাঝারি আকারের বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় যোগ দেবে।
এই ক্ষেত্রের অন্যতম প্রতিযোগী হল মাহিন্দ্রার BE 6E। এটিতে দুটি ব্যাটারি বিকল্প রয়েছে: ৫৯ kWh এবং ৭৯ kWh, যার রেঞ্জ ৬৮২ কিলোমিটার পর্যন্ত। BE 6E-তে ১৭৫ kW ফাস্ট চার্জিং, ডুয়েল স্ক্রিন ডিসপ্লে, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি-ভিত্তিক হেডস-আপ ডিসপ্লে, এবং লেভেল ২ ADAS বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

২০২৬ সালে লঞ্চ হওয়া ইলেকট্রিক এসইউভি হোন্ডার বৈদ্যুতিক যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে, প্রতিযোগিতামূলক ভারতীয় বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে টিকে থাকার জন্য হোন্ডাকে কার্যকারিতা, বৈশিষ্ট্য এবং মূল্যের দিক থেকে অনেক কাজ করতে হবে।
]]>ভারতের মাটিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে পেট্রোলের দাম! ডিজেলের দামও কোথায় ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে তো কোথাও ছুঁইছুঁই। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হওয়াটা এখন রীতিমত চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় ক্রমশ বাড়ছে ইলেকট্রিক টু-হুইলার কিংবা গাড়ির চাহিদা। বিপুল এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে একাধিক বড় গাড়ি-বাইক প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারতের বাজারে লঞ্চ করছে!
দেশের তো আছেই, ভারতের বিশাল ইভি সেক্টরকে ধরতে বিদেশের বহু সংস্থাও ভারতের বাজারে আসছে।
একাধিক স্টার্ট আপ সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে ভারতে বাজারে গাড়ি কিংবা বাইক লঞ্চ করছে। যেগুলির দাম তুলনামুলক অনেকটাই কম (Cheapest Electric Cars) থাকছে। ফলে সাধারণ মানুষ একেবারে বাজেট ফ্রেন্ডলি ইলেকট্রিক বাইক কিংবা গাড়ি কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। আপনিও সাশ্রয়ী ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার কথা ভাবছেন? তাহলে এই প্রতিবেদন আপনার জন্য।
MG Comet
রেঞ্জ: 230 কিলোমিটার
দাম: 4.99 লাখ টাকা (বিনা ব্যাটারি)
ভারতের বাজারে নিজেদের জায়গা শক্ত করেছে MG Motor। আর এই সংস্থার জনপ্রিয় একটি মডেল MG Comet EV। একেবারে বাজেট ফ্রেন্ডলি ইলেকট্রিক ভেইক্যাল (Cheapest Electric Cars)। সম্প্রতি MG মোটর ইন্ডিয়া ব্যাটারি সাবস্ক্রিপশন প্রোগ্রাম শুরু করেছে। যার মাধ্যমে MG Comet EV মাত্র 4.99 লাখ টাকায় কেনার সুযোগ আছে। শুধু তাই নয়, প্রতি কিলোমিটারে ব্যাটারি রিটেলে নেওয়ার সুযোগ আছে। অর্থাৎ যত কিলোমিটার গাড়ি চালাবেন, ঠিক ততটাই চার্জ দিতে হবে।
গ্রাহকদের আকর্ষণ করতে আকর্ষিণীয় এই প্ল্যান আনা হয়েছে। যাদের বাজেট কম তারা অনেকটাই সস্তায় এই গাড়ি (Cheapest Electric Cars) কেনার সুযোগ পাবেন। সবথেকে বড় ব্যাপার যারা প্রতিদিন গাড়িতে ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে চলাফেরা করেন তাদের জন্য MG Comet একেবারেই সেরা।

Cheapest Electric Cars: এক নজরে ফিচার –
Comet EV এর 17.3kWh এর লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। যা সিঙ্গল চার্জে 230km পর্যন্ত রেঞ্জ অফার করে। এই গাড়ি ফুল চার্জ হতে সময় নেয়= প্রায় ৭ ঘন্টা। যা খুবই চ্যালেঞ্জের। অন্যদিকে Comet EV এ 10.25 ইঞ্চির টাচস্ক্রিন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সমস্ত আধুনিক এবং অ্যাডভান্সড ফিচার এতে যোগ করা আছে। স্পেস নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। পাঁচজন আরাম করে বসতে পারে (Cheapest Electric Cars)।
]]>বেশ কিছু সংস্থা তাদের বাইকে ছাড় দিতে শুরু করেছে। এমনকী কিছু গাড়ি নির্মাতা সংস্থাও চার-চাকার গাড়িতে ছাড় দিচ্ছে।
একটি বৈদ্যুতিন বাইক (Electric Bike) নির্মাতা সংস্থা তাদের বাইকে বড় টাকার ছাড় ঘোষণা করেছে। সংস্থার নাম ওবেন রর ইলেকট্রিক (Oben Rorr Electric Bike)। এদের বৈদ্যুতিন বাইকের দাম এবার অনেক কমবে।
কী ফিচার্স রয়েছে এই বাইকে, দামই বা কত ?
ওবেন রর ইলেকট্রিকের আসল এক্স শো-রুম দাম রয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।
যে সমস্ত গাড়ি-বাইকপ্রেমীরা বৈদ্যুতিন বাইক কিনবেন ভাবছেন এবং পেট্রোলের ঊর্ধ্বমুখী দামের কথা চিন্তা করে বৈদ্যুতিন বাইকের দিকে ঝুঁকছেন, তাদের জন্য ওবেন ইলেকট্রিক সংস্থা এই দারুণ ছাড় নিয়ে এসেছে।
ওবেন রর ইলেকট্রিক বাইকে দারুণ পারফরম্যান্স। এতে ঘণ্টায় ১০০ কিমি সর্বোচ্চ গতি পাওয়া যায়। মাত্র ৩ সেকেন্ডের মধ্যেই এই বাইকে ০ থেকে ৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় গতি ওঠে। এতে রয়েছে এলএফপি ব্যাটারি টেকনোলজি অর্থাৎ লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারি। এই ধরনের ব্যাটারির আয়ু সাধারণ লিথিয়াম ব্যাটারির থেকে দ্বিগুণ বেশি হয়। ৫০ শতাংশ বেশি তাপ-সহনক্ষমতা থাকে। পরিবেশবান্ধব বাইকও বলা চলে এই ওবেন রর ইলেকট্রিককে।

এই ধরনের ব্যাটারির জন্য নিকেল ও কোবাল্ট খনি থেকে নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয় না। রিসাইক্লিং এবং রি-পারপাসিং এফেক্টের কথা মাথায় রেখেই নিজেদের সমস্ত বাইক স্কুটার ডিজাইন করেছে এই সংস্থা। ওবেন ইলেকট্রিক দাবি করছে যে এই বৈদ্যুতিন বাইকে একবার সম্পূর্ণ চার্জ দিলে একটানা ১৮৭ কিমি যাওয়া যাবে। ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে এই বৈদ্যুতিন বাইকের বিপণন করতে চায় সংস্থা যা কিনা সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
]]>ইলেকট্রিক বাইক কিংবা স্কুটারের চাহিদা থাকলেও তুলনামূলক দাম অনেকটাই বেশি! ফলে অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের কেনা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় একেবারে সাশ্রয়ী বাইক লঞ্চ করল ভারতের বাজারে। Revolt মোটরস একেবারে সস্তার দুটি ইলেকট্রিক বাইক লঞ্চ করেছে।
একটি হল RV1 এবং অন্যটি হল RV1+।
এই দুই বাইক দুট ব্যাটারি অপশনে রয়েছে। যার মধ্যে একটি 2.2 kWh ব্যাটারি এবং আরেকটি 3.24 kWh এর ব্যাটারি। এই দুই ব্যাটারি ক্রমশ 100 কিলোমিটার এবং 160 কিলোমিটার রেঞ্জ অফার করে। Revolt মোটরস নতুন প্রজন্মের চাহিদা এবং পছন্দের কথা ভেবে ই বাইক (Revolt RV1 Cheapest Electric Bike) তৈরি করে।
ছবি সৌজন্য- www.revoltmotors.com
এই বাইকগুলি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য দারুণ অপশন। এমনকি দামেও অনেকটাই সস্তা। এক নজরে দেখে নিন Revolt RV1 Electric Bike এর ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন সংক্রান্ত তথ্য –
Revolt RV1 Cheapest Electric Bike: দাম
Revolt RV1 Electric Bike এর এক্স শোরুম দাম মাত্র ৮৪ হাজার ৯৯০ টাকা। অন্যদিকে RV1+ এর এক্স শোরুম দাম 99,990 টাকা (Revolt RV1 Cheapest Electric Bike)। চারটি আকর্ষণীয় কালার অপশনে এই ই বাইক কেনার সুযোগ আছে। এর আগে সংস্থা RV400 এর মতো বাইক বাজারে লঞ্চ করে। RV1 সংস্থার RV400 এর আপগ্রেড মডেল। এতে ফার্স্ট চার্জিংয়ের সুবিধা মিলবে। মাত্র ৯০ মিনিটে ফুল চার্জ হতে পারে। এই ইলেকট্রিক বাইকে আছে রিভার্স মোড। খুব সহজে পার্ক করা সম্ভব। আছে ডিজিটাল ডিসপ্লে। পাশাপাশি একাধিক ফিচার যোগ করা আছে। এছাড়াও ব্লুটুথ কানেকটিভিটি, ইনবিল্ড লেগ গার্ড এবং সেন্টার স্ট্যান্ডের মতো ফিচার দেওয়া পাওয়া যাবে Revolt RV1 Electric Bike এ।
Revolt RV1 Cheapest Electric Bike: ফিচার
অন্যদিকে Revolt RV1 Electric Bike এ 6-ইঞ্চির ডিজিটাল LCD ডিসপ্লে দেওয়া (Revolt RV1 Cheapest Electric Bike) হয়েছে। শুধু তাই নয়, নতুন LED হেডলাইট এবং LED টেল লাইটের অপশন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাইকে বিল্ট ইন চার্জার স্টোরেজ দেওয়া হয়েছে। Revolt RV1 -এ বেশ কয়েকটি স্পিড মোড দিয়েছে সংতস্থা। অন্যদিকে রাইডারের সুরক্ষার বিষয়টিও নজর রাখা হয়েছে। যেমন মোটা টায়ার দেওয়া হয়েছে। ব্রেকিং সিস্টেমের জনয ডুয়েল্ক ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে।
Revolt RV1 Cheapest Electric Bike: মাইলেজ-
Revolt RV1 এবং RV1+ এর দুটি ব্যাটারি অপশন দেওয়া হয়েছে। একটি 2.2 kWh ব্যাটারি এবং 3.24 kWh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ব্যাটারিই যথাক্রমে 100 কিলোমিটার এবং 160 কিলোমিটারের রেঞ্জ অফার (Revolt RV1 Cheapest Electric Bike) করে।
]]>Honda Electric Scooter: ভারতে বহুদিন ধরেই প্রতীক্ষিত ছিল হোন্ডার এই স্কুটার। তবে এই বৈদ্যুতিন স্কুটার এখনই বাজারে লঞ্চ হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে। হোন্ডার সিইও (Honda CEO) তুৎসুমু ওটানি সম্প্রতি জানিয়েছেন যে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চ মাসে হোন্ডার বৈদ্যুতিন স্কুটার (Honda Electric Scooter) বাজারে লঞ্চ হবে।
হোন্ডার বৈদ্যুতিন স্কুটার
কয়েক মাস আগেই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছিল যে হোন্ডা একটা বিশেষ প্রোডাকশন লাইন তৈরি করেছিল যা কিনা মূলত বৈদ্যুতিন টু-হুইলারের জন্য প্রযোজ্য ছিল। এমনকী এই সংস্থার কর্ণাটকের কারখানার জন্যই মূলত এই প্রোডাকশন লাইন আপ তৈরি হয়েছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে হোন্ডার বৈদ্যুতিন স্কুটার নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং আগামী ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এই গাড়িটি ভারতের বাজারে লঞ্চ হবে। সমাজমাধ্যমে তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই স্কুটারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অ্যাক্টিভা ইলেকট্রিক’। এই বৈদ্যুতিন স্কুটারের লঞ্চকে কেন্দ্র করে ধারণা করা হচ্ছে যে হোন্ডার এই নতুন বৈদ্যুতিন স্কুটার বাজারে আসার কারণে হোন্ডা অ্যাক্টিভার মার্কেট শেয়ারে বিপুল প্রভাব পড়তে পারে।
পাওয়ারট্রেন ও ব্যাটারি বিকল্প
হোন্ডা বৈদ্যুতিন স্কুটারের পাওয়ারট্রেন নিয়ে এখনও কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। সম্প্রতি যে সমস্ত বৈদ্যুতিন স্কুটার ভারতের বাজারে রয়েছে তাদের মধ্যে ভিডা ভি ওয়ান ডুয়োতে রিমুভেবল ব্যাটারির বিকল্প থাকছে, আর অন্য সমস্ত ভারতীয় স্কুটারে ফিক্সড ব্যাটারি প্যাক থাকছে। হোন্ডা তাঁর এই বৈদ্যুতিন স্কুটার বাজারে নিয়ে আসার আগে কিছু কিছু মহানগরে ব্যাটারি-বদলানোর স্টেশন তৈরি করেছে এবং সেই সিস্টেম চালু করেছে। এখন সকলেই দেখার অপেক্ষায় যে হোন্ডার বৈদ্যুতিন স্কুটারে ঠিক কী ধরনের ব্যাটারি প্যাক রাখা হবে।
গত বছরে হোন্ডা জানিয়েছে ভারতে তারা দুটি বৈদ্যুতিন স্কুটারের নির্মাণ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। একটি ফিক্সড ব্যাটারি প্যাকের এবং অন্যটি সোয়্যাপেবল ব্যাটারি প্যাকের। কিন্তু হোন্ডা জানায়নি যে কোন ভ্যারিয়ান্টটি বাজারে প্রথম লঞ্চ করবে।
হোন্ডা অ্যাক্টিভা
শুধু হোন্ডা মোটরসেরই নয়, বরং সারা ভারতের স্কুটারপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হোন্ডা অ্যাক্টিভার মডেল। সংস্থার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুসারে এখনও পর্যন্ত হোন্ডা অ্যাক্টিভার ৩০ মিলিয়ন মডেল বিক্রি হয়েছে দেশজুড়ে।
]]>