Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/kolkatas12857/public_html/index.php:21) in /home/kolkatas12857/public_html/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
#webel – Kolkata Saradin News : বাংলা, কলকাতা, Bengali News, Latest Bengali News, Bangla News, বাংলা খবর, Breaking News https://kolkatasaradin.com Kolkata Saradin : বাংলা, কলকাতা, Bengali News, Latest Bengali News, Bangla News, বাংলা খবর, Breaking News Mon, 17 Mar 2025 01:56:36 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1 https://kolkatasaradin.com/wp-content/uploads/2026/06/cropped-FB_IMG_1782608202564-32x32.jpg #webel – Kolkata Saradin News : বাংলা, কলকাতা, Bengali News, Latest Bengali News, Bangla News, বাংলা খবর, Breaking News https://kolkatasaradin.com 32 32 Sukanta majumder Attacks : “ওয়েবেলে চাকরি দেওয়া হচ্ছে আইপ্যাক কর্মীদের” বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্ত মজুমদারের, নতুন রাজ্য সভাপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক https://kolkatasaradin.com/2025/03/17/bengal-bjp-president-sukanta-majumder-alleges-mamata-banerjee-recruits-ipac-workers-in-webel/ https://kolkatasaradin.com/2025/03/17/bengal-bjp-president-sukanta-majumder-alleges-mamata-banerjee-recruits-ipac-workers-in-webel/#respond Mon, 17 Mar 2025 01:56:36 +0000 https://kolkatasaradin.com/?p=13555 শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

নতুন রাজ্য সভাপতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বঙ্গ বিজেপি। তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই শেষ কথা বলবে। জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার। রবিবার বিধাননগরে দলীয় কার্যালয়ে উচ্চ পর্যায়ে সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এই বৈঠকে যোগ দেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মঙ্গল পান্ডে, অমিত মালব্য, সতীশ ধনদ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অমিতাভ চক্রবর্তী, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিজেপির সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকে যোগ দিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, নেতৃত্বে বদল হতে পারে, কিন্তু সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কাজ ধারাবাহিক ভাবে চলবে।

সাংগঠনিক বৈঠকের শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন সুকান্ত মজুমদার। সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “রাজ্য সভাপতি নিয়োগ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। এখনও কোনও কেন্দ্রীয় নির্দেশ আসেনি। উপর থেকে নির্দেশ এলে রাজ্য সভাপতি নির্বাচন শুরু হবে।” তিনি আরও জানান, “কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে ২৫টি জেলার সভাপতি নির্বাচন শেষ হয়েছে। তার মানে তারা রাজ্য সভাপতি নির্বাচন করতে পারে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের থেকে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। নেতার পরিবর্তন হয় মুখের পরিবর্তন হয়। পদে নতুন নেতা আসে কিন্তু কাজের পরিবর্তন হয় না। নতুন রাজ্য সভাপতি নির্বাচন করতে আমরা প্রস্তুত। ২৫ জন জেলা সভাপতির নাম ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়েছে। ২২ জন জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা হলেই ভোটাভুটির মাধ্যমে রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা হতে পারে।”

 

অন্যদিকে, ভোটের আগে আইপ্যাক নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। শনিবার যখন আইপ্যাকের উপর জোর দিয়েছেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় আবার এই আইপ্যাককে কটাক্ষ বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর আশঙ্কা ভোট লুঠে ব্যবহার করা হতে পারে আইপ্যাক কর্মীদের।

রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “গণতন্ত্রের স্বাভাবিক নিয়ম আছে। এই ধরনের এজেন্সি ঘরে বসে কাজ করুক ঠিক আছে। কিন্তু একুশের ভোটে আমরা দেখেছিলাম মাঠে নেমে কাজ করছে। এরা সেই সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পাঁচশো টাকা করে ঢুকিয়েছিল। আমি ধরেও ছিলাম আমাদের ওইখানে কয়েকজনকে।” তিনি এও প্রসঙ্গে আরও বলেন, “এই ধরনের এজেন্সির ব্যবহার কি আদৌ ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে স্বাস্থ্যকর? ঠান্ডা ঘরে বসে কাজ করলে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আমার মতে নিচে নেমে যদি জনগণের মতকে পরিবর্তনের চেষ্টা করে আমার মনে হয় সেক্ষেত্রে ভারতে তর্ক-বিতর্ক হওয়া প্রয়োজন আছে।”

সুকান্ত এ দিন বলেন, “বিরোধী দলনেতা আগেই বলেছেন ওয়েবেলে প্রচুর আইপ্যাকের কর্মচারীকে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তাঁদের ব্যবহার করা হতে পারে ভোট লুঠের ক্ষেত্রে।”

এ দিকে, আইপ্যাকের উপরই ভরসা অভিষেকের। গতকালের বৈঠকে আইপ্যাকের নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন। বলেছেন, “আইপ্যাকের নাম করে ব্লক সভাপতি করে দেব বলে টাকা চাইছে। একটি নম্বর দিলাম ফোন করে যাচাই করে নেবেন।”

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন,”এটা সম্পূর্ণ ভুল। আইপ্যাক একটা নিজস্ব এজেন্সি। ওরা নিজেরা নিজেদের মতো কর্মী নিয়োগ করেন। আর সবচেয়ে বড় কথা বিজেপি এই ধরনের কথা যত কম বলবে ততই মঙ্গল।”

]]>
https://kolkatasaradin.com/2025/03/17/bengal-bjp-president-sukanta-majumder-alleges-mamata-banerjee-recruits-ipac-workers-in-webel/feed/ 0
Kolkata Semiconductor Plant : ডেস্টিনেশন বেঙ্গল, কলকাতায় ভারত মার্কিন যৌথ উদ্যোগে সেমিকন্ডাক্টর প্লান্ট ঘিরে আশাবাদী দেশের সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি https://kolkatasaradin.com/2024/09/30/webel-organised-emerging-technology-conference-to-discuss-proposed-semiconductor-plant-in-kolkata/ https://kolkatasaradin.com/2024/09/30/webel-organised-emerging-technology-conference-to-discuss-proposed-semiconductor-plant-in-kolkata/#respond Mon, 30 Sep 2024 03:31:08 +0000 https://kolkatasaradin.com/?p=3189 সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

ডেস্টিনেশন কলকাতা। ভারত মার্কিন যৌথ উদ্যোগে বাংলায় চালু হতে চলেছে আন্তর্জাতিক মানের সেমিকাণ্ডাক্টর প্লান্ট।
সেই সঙ্গে আগামী ২০২৬ সালের মধ্যেই কলকাতার উপকণ্ঠে রাজারহাট নিউটাউনের নির্মীয়মান বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি হাবে চালু হতে চলেছে অন্তত ৪ আন্তর্জাতিক মানের ডাটা সেন্টার। যেখানে ভারতের পাশাপাশি বিনিয়োগ করতে আসছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ।

দ্রুত বদলে যেতে থাকা কলকাতার এই তথ্যপ্রযুক্তি মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নেওয়ার রোড ম্যাপ তৈরি হল। ওয়েবেল আয়োজিত এমার্জিং টেকনোলজি কনফারেন্স ২০২৪ -এ ( Emerging Technology conference 2024 organised by WEBEL ) ।

যেখানে রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি সচিব রাজীব কুমারের পাশাপাশি কলকাতা তথা বাংলার তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিজের জায়গা করে নেওয়ার তাৎপর্য তুলে ধরলেন। ভারতবর্ষের সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিজের প্রথম সারির ব্যক্তিত্ব তথা ভিএলএসআই সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট ডক্টর সত্য গুপ্ত।


( Eminent stalwarts from Academia, Govt Departments & the Industry discussed topics on AI & ML, IoT, Quantum Computing, etc., that are shaping the world.

The conference was graced by Shri Babul Supriyo, Hon’ble MIC, Department of IT & Electronics, Govt of WB; Shri Rajeev Kumar, IPS, DGP & ACS – Department of IT & Electronics, Govt of WB; Dr Sanjay Bahl, DG – CERT-In; Shri Sutirtha Bhattacharya, IAS (Retd.), Chairman, Webel; Shri Sanjay Kumar Das, Additional Secretary, Govt of WB & MD – Webel & many others Senior dignitaries from the Industry. )

ওয়েবেল আয়োজিত এই এমার্জিং টেকনোলজি কনফারেন্সে বাংলা তথা কলকাতার বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি হাবে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য এবং বিদেশের বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তির সংস্থার বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তুলে ধরেন ওয়েবেল চেয়ারম্যান সুতীর্থ ভট্টাচার্য, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, ওয়েবেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার দাস, ডিজি সিইআরটি-ইন ডক্টর সঞ্জয় কুমার বহেল।

রাজি কুমার নিজের পুলিশি অভিজ্ঞতা থেকে বলেন টেকনোলজি যেভাবে নিজেকে পরিবর্তন করছে তাকে যদি অপরাধ জগতের সঙ্গে তুলনা করা যায়, দেখবেন ৯০ এর দশকে প্রত্যেক গ্যাংস্টার নিজেদের জীবন শুরু করতো টিকিট ব্ল্যাক করা থেকে। পুলিশ নিজেদের জায়গা থেকে প্রচুর চেষ্টা করত এই ধরনের অপরাধ বন্ধ করার জন্য। কিন্তু সেই জায়গায় টেকনোলজি দিয়ে তৈরি হলো বুক মাই শো এর মত বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ। সঙ্গে সঙ্গেই সেই ধরনের অপরাধের জায়গাটা নষ্ট হয়ে গেল। বাংলায় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে পরিবর্তণ এসেছে তাকে এক কথায় প্যারাডাইম শিফট বলা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন সিলিকন ভ্যালি সেখানকার সরকার তৈরি করতে এগিয়ে এলেও মূলত সেখানকার তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোগীদের উৎসাহেই গড়ে উঠেছিল সিলিকন ভ্যালি। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ চেষ্টা করলেও কিন্তু তা করতে পারেনি। কিন্তু আমাদের এখানে সরকার সমস্ত রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে।
তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান এবং উন্নতির সবথেকে বড় উপায় হল যত বেশি সম্ভব বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।

বেঙ্গালুরু হায়দ্রাবাদ মুম্বাই শহর দেশের বিভিন্ন জায়গার তথ্য প্রযুক্তি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে এই সেমিনারে মূল যে বিষয়টি উঠে আসে তা হল যে ভাবে ইনফোসিস, পবিত্র এবং রিলায়েন্স এর মত সংস্থাগুলির রাজারহাটের বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি হাবে বড় মাপের বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে, আগামী তিন চার বছরের মধ্যে গোটা দেশের তথ্যপ্রযুক্তি মানচিত্রে একেবারে শীর্ষে থাকবে কলকাতা। তবে শুধুমাত্র সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি বা ডাটা সেন্টার দিয়ে নয়, এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং এমএল বা মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও ভারতবর্ষের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাতে। যার অনেকটাই শুরু হয়েছিল রাজীব কুমার রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে।

গত প্রায় তিন বছর ধরে নিরবে ওয়েবেল দেশের বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ এবং নিয়মিত আলোচনার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিলিকন ভ্যালি হাবের তথ্যযুক্তি সংস্থাগুলির কাছেও বাংলায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেছে বিভিন্নভাবে। ভারত মার্কিন যৌথ উদ্যোগে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি কলকাতায় আসা মূলত তারই ফলশ্রুতি।


প্রসঙ্গত কোয়াড সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আলোচনায় কলকাতায় ভারত মার্কিন যৌথ উদ্যোগে সেমি কন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত আকার নিলেও, মমতা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই কৃতিত্বের জন্য গত কয়েক বছর ধরে বাংলার তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তর এবং ওয়েবেলের আধিকারিকদের বিশাল ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন।

]]>
https://kolkatasaradin.com/2024/09/30/webel-organised-emerging-technology-conference-to-discuss-proposed-semiconductor-plant-in-kolkata/feed/ 0
Webel E Waste Camp : বাড়ির বাতিল হওয়া ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রপাতি কিনে নেবে ওয়েবেল https://kolkatasaradin.com/2024/09/09/webel-e-waste-camp-in-west-bengal/ https://kolkatasaradin.com/2024/09/09/webel-e-waste-camp-in-west-bengal/#respond Mon, 09 Sep 2024 02:00:54 +0000 https://kolkatasaradin.com/?p=1331 শৌভিক তালুকদার। কলকাতা সারাদিন।

প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে নিত্যনতুন উন্নতি হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে যাচ্ছে মানুষ। সেই সঙ্গে তৈরি হচ্ছে ই-ওয়েস্ট। বাড়ির পুরনো কম্পিউটার, টিভি কিংবা মোবাইল সেট ফেলবেন কোথায়? এবার সেই সমস্ত বাতিল জিনিসপত্রই কিনে নেবে ওয়েবেল। কলকাতা পুরসভার সঙ্গে একযোগে তারা এই বাতিল জিনিসপত্র কিনবে বলে সূত্রের খবর।

এজন্য বিভিন্ন পাড়ায় তারা ক্য়াম্প খুলবে। সেখানেই এই বাতিল হয়ে যাওয়া ইলেকট্রনিক্সের জিনিসপত্র কেনা হবে।

অর্থাৎ একেবারে বিনা পয়সায় তারা এই সব জিনিসপত্র নিয়ে নেবে এমনটা নয়। প্রতিটি জিনিসের জন্য আলাদা দাম নির্ধারন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট দামের ভিত্তিতে সেই বাতিল হয়ে যাওয়া ইলেকট্রনিক্সের জিনিসপত্র কিনে নেবে ওয়েবেল।

ইতিমধ্য়েই কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজে ওয়েবেলের কাছে জিনিসপত্র বিক্রি করেছেন। তিনি মূলত বাতিল হয়ে যাওয়া কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বিক্রি করেছেন ওয়েবেলের কাছে। তবে কেবলমাত্র মেয়র নন। আপনিও বিক্রি করতে পারেন ওয়েবেলের কাছে।

তথ্য প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় জানিয়েছেন, সব বাড়িতেই খুঁজলে প্রচুর বাতিল বাল্ব পাওয়া যাবে। যা আজ আর কাজে লাগছে না। তা কোনওদিন কাজে লাগবে না। জমিয়ে না রেখে এগুলো বিক্রি করে দিন।

পাড়ায় পাড়ায় মাঝেমধ্য়েই শুনতে পাওয়া যায় ফেরিওয়ালারা বাতিল হয়ে যাওয়া ইলেকট্রনিক্সের জিনিসপত্র কেনার জন্য আসেন। কিন্তু বাস্তবে সেই সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে তারা কী করেন তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। তবে এবার আর এসব নিয়ে চি্ন্তার কোনও কারণ নেই।

কারণ যেটা বলা হচ্ছে বাতিল হয়ে যাওয়া টিভি, রেডিও, মাইক্রোওয়েভ, ইনভার্টারে এমন ধরনের ধাতব জিনিস থাকে যে সেগুলি পরিবেশের মধ্য়ে গেলে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সেকারণে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা প্রক্রিয়াকরণ করাটা অত্যন্ত দরকার। সেটাই করবে ওয়েবেলের বিশেষ ইউনিট।

এজন্য় সোনারপুর আইটি পার্কে তৈরি হচ্ছে প্লান্ট। সেখানেই এই প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। সেই অনুসারে এই বাতিল হওয়া জিনিসপত্র কেনা হবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। আর এই বাতিল হওয়া ই-ওয়েস্ট সংগ্রহ থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রচুর লোকজনের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে বাংলায় এই কাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে।

এদিকে কিছু ইলেকট্রনিক্সের জিনিসে ক্যাডমিয়ামের মতো ধাতু থাকে। এগুলি ফুসফুসের ক্যানসার, কিডনি বা লিভারের অসুখ তৈরি করতে পারে। সেকারণে যেখানে সেখানে ই-ওয়েস্ট ফেলে দিয়ে পরিবেশের আর নতুন করে ক্ষতি করাটা উচিত নয়।

]]>
https://kolkatasaradin.com/2024/09/09/webel-e-waste-camp-in-west-bengal/feed/ 0