দক্ষিণ দমদমে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের পথে বড় পদক্ষেপ! তরুণজ্যোতি তিওয়ারির আবেদনে সাড়া শুভেন্দু অধিকারীর
সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।
রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির আবেদনে সাড়া দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। রাজারহাট গোপালপুর সহ দক্ষিণ দমদম পৌরসভার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রয়োজন মেটাতে এবারে সংলগ্ন এলাকাতেই তৈরি হতে চলেছে অত্যাধুনিক পরিষেবাযুক্ত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হওয়ার পরেই তরুণজ্যোতি তিওয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছিলেন দক্ষিণ দমদম পৌরসভার অন্তর্গত যশোর রোড সংলগ্ন একটি ছয় তলা বাড়ি চিহ্নিত করেছেন তিনি সরকারি হাসপাতাল তৈরির জন্য। সেই বাড়িটি সরকারি পরিকাঠামো অনুযায়ী সঠিক যোগ্যতা মানে পৌঁছালে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল করার অনুমতি চান তিনি। তার এই আবেদনে সারা দিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ কমিটি গঠন করে নির্দিষ্ট বাড়িটি পরিদর্শন করা হবে প্রস্তাবিত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরির জন্য।
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরেই এলাকার মানুষের উদ্দেশ্যে বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জানিয়েছেন, “রাজারহাট গোপালপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা আমি তুলে ধরেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। প্রস্তাবিত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালটি তৈরি হয়ে গেলে রাজারহাট গোপালপুরে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দক্ষিণ দমদম পুরসভার বাসিন্দারাও এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ পাবেন।”
প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন সিপিএম আমলে দক্ষিণ দমদম পৌরসভায় সেই ভাবে কোন উন্নয়ন না হলেও মমতার সরকারের আমলেও দক্ষিণ দমদম পুরসভার অন্তর্গত দক্ষিণদাড়ি হাসপাতালকে অত্যাধুনিকমানের করে তোলার ঘোষণা করা হয়েছিল সরকারের তরফে।
কিন্তু বিপুল অংকের টাকা বরাদ্দ হওয়ার সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত সেখানে 24 ঘন্টা ডাক্তার পাওয়াই ভাগ্যের ব্যাপার বলে এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ।

তাই এখনো পর্যন্ত দক্ষিণ দমদম পৌরসভার মানুষকে ছুটে যেতে হয় বিধাননগর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল অথবা আরজিকর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসার উপরে ভরসা করে। যশোর রোডে প্রস্তাবিত সুপার স্পেশালিটি সরকারি হাসপাতাল তৈরি হলে এলাকার মানুষ বিপুল উপকৃত হবেন।