শীত মানেই কলকাতায় বইমেলার গন্ধ। আসন্ন কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা সামনে রেখে মিলন মেলার মাঠে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতির কাজ। প্রকাশক ও বিক্রেতা সংস্থার খাতায়, এবারের মেলায় স্টল সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে, সঙ্গে থাকবে আরও বড় করে সাজানো শিশু ও তরুণ পাঠকের কর্নার।
এবারের মেলার থিম ঘোষণায় উত্সাহ দেখা যাচ্ছে প্রকাশক মহলে। প্রতিবছরের মতো এবারও থিম দেশ হিসেবে একটি বিদেশি জাতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে — সেই দেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিকে নিয়ে মেলায় থাকবে বিশেষ কর্মসূচির সারি। বাংলা প্রকাশনার শীর্ষস্থানীয়রা জানিয়েছেন, নতুন লেখকদের বই এবারও মেলার আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকবে।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দেখানো হবে
বইপ্রেমীদের জন্য মেলার সামগ্রী একেকটি আনন্দের খবর। সাহিত্য-সভা, কবি-লেখকদের সঙ্গে আড্ডা, প্রকাশনা উৎসব আর সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান — প্রতিটি দিনের সূচি সাজানো হচ্ছে যত্নে। পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়েও মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের মধ্যে চলছে সমন্বয়ের বৈঠক, যাতে ভিড় সামলানো যায় সহজে।
শহরের সাহিত্য-অন্দরে অবশ্য একটা স্বস্তির বার্তা আছে এই মেলায়: ডিজিটাল যুগেও ছাপা বইয়ের পাঠক কমছে না, বরং প্রতি বছর মেলার পা বাড়ছে নতুন তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকেই। বইমেলা তাই কেবল বাণিজ্যিক আসর নয় — কলকাতার সাংস্কৃতিক প্রাণের বার্ষিক মিলনমেলা।