রাজ্যের কৃষক পরিবারগুলোর কাছে এবার সুখবর এল কিষাণ কল্যাণ প্রকল্পের প্রথম কিস্তি ছাড়ের আকারে। সরকারের খাতায়, প্রথম ধাপে লক্ষ লক্ষ উপকারভোগীর অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে গিয়েছে ভাতা। কোনও মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই টাকা যাচ্ছে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে, যা প্রকল্পের বড় সুবিধা বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
গ্রামের পর গ্রামে এখন চলছে প্রকল্পের সুফল যাচাইয়ের কাজ। ব্লক পর্যায়ে বিশেষ ক্যাম্প বসিয়ে যাচাই হচ্ছে ভাতার তালিকা, আর যাঁরা এখনও তালিকায় আসেননি তাঁদের জন্য রাখা হয়েছে আবেদনের পথ। অনেক জেলায় কৃষকরা জানিয়েছেন, সময়ে টাকা পৌঁছালে বীজ, সার আর যন্ত্রের খরচ অনেকটাই সামলানো যায়।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দেখানো হবে
অবশ্য এখানেই সব মোলায়েম নয়। কোনও কোনও জেলায় অভিযোগ উঠেছে, তালিকা প্রস্তুতিতে ছোট ছোট ভুলের কারণে কিছু প্রকৃত কৃষক বাদ পড়ে গিয়েছেন। প্রশাসন বলছে, তালিকা নিয়মিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভুল সংশোধনের জানালা খোলা থাকবে। স্বচ্ছতা বাড়াতে প্রকল্পের খাতা যেখানে সম্ভব ডিজিটাল করার কথাও ভাবা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, গ্রামীণ ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এই ধরনের সরাসরি ভাতা কার্যকর, তবে দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য নির্ভর করবে অবিরাম ধারাবাহিকতার উপর। সেই সঙ্গে সেচ, সংরক্ষণ ও বাজারদরের ওপরও নজর রাখতে হবে বলে মত তাঁদের।