ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • HC Student Election : ”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য, কিন্তু কলেজগুলিই উদ্যোগী হয়নি” কলকাতা হাইকোর্টে জানালো রাজ্য, ৩৬৫ কলেজ এবং ১০ বিশ্ববিদ্যালয়কে সংশ্লিষ্ট মামলায় পক্ষ করার নির্দেশ

HC Student Election : ”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য, কিন্তু কলেজগুলিই উদ্যোগী হয়নি” কলকাতা হাইকোর্টে জানালো রাজ্য, ৩৬৫ কলেজ এবং ১০ বিশ্ববিদ্যালয়কে সংশ্লিষ্ট মামলায় পক্ষ করার নির্দেশ

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। ”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য। এমনকি, ভোট করানোর জন্য সার্কুলার জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কলেজগুলিই উদ্যোগী হয়নি।” বাংলার কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ বহু বছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা....

HC Student Election : ”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য, কিন্তু কলেজগুলিই উদ্যোগী হয়নি” কলকাতা হাইকোর্টে জানালো রাজ্য, ৩৬৫ কলেজ এবং ১০ বিশ্ববিদ্যালয়কে সংশ্লিষ্ট মামলায় পক্ষ করার নির্দেশ

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • HC Student Election : ”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য, কিন্তু কলেজগুলিই উদ্যোগী হয়নি” কলকাতা হাইকোর্টে জানালো রাজ্য, ৩৬৫ কলেজ এবং ১০ বিশ্ববিদ্যালয়কে সংশ্লিষ্ট মামলায় পক্ষ করার নির্দেশ

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। ”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য। এমনকি, ভোট করানোর জন্য সার্কুলার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন।

”ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য। এমনকি, ভোট করানোর জন্য সার্কুলার জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কলেজগুলিই উদ্যোগী হয়নি।” বাংলার কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ বহু বছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই বলে কলকাতা হাইকোর্টে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার।
মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এমনই দাবি করলেন রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যার প্রেক্ষিতে প্রায় ৩৬৫টি কলেজ এবং ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে সংশ্লিষ্ট মামলায় পক্ষ (পার্টি) করার নির্দেশ দিল বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ।
দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচন বন্ধ। এই নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের পক্ষে জানানো হয়, “রাজ্য কোথাও বাধা দেয়নি, বরং ছাত্রভোট করাতে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। কিন্তু কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ভোট করাতে উদ্যোগ দেখায়নি।” রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে স্পষ্ট করেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির অনীহায় নির্বাচন হয়নি। অন্যদিকে মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, রাজ্য আসলে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন বন্ধ রেখেছে। তাঁর বক্তব্য, “ছাত্র সংসদের নির্বাচন করানোর দায় রাজ্যেরই। যদি নির্বাচন না হয়, তবে তার দায়ও সরকারের নিতে হবে।” তাঁর আরও দাবি, কোন কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করছে না, তা স্পষ্টভাবে আদালতে রেকর্ড করতে হবে।
প্রসঙ্গত, সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি। ফলে কার্যকর ছাত্র সংসদও নেই। এর প্রভাব পড়ছে ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও নেতৃত্ব গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে।
সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেন, প্রায় ৩৬৫টি কলেজ এবং ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মামলায় পক্ষ করতে হবে। আগামী নভেম্বর মাসে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এছাড়া আদালতের আরও নির্দেশ, যে সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ ছাত্র সংসদ নেই বা বহু বছর ধরে নির্বাচন হয়নি, সেখানে ছাত্র সংসদের কক্ষ তালাবদ্ধ রাখতে হবে। শুধুমাত্র রেজিস্ট্রার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও ছাত্র ওই কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না। শুনানিতে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং-এর অভিযোগ সম্পর্কেও আদালতের পর্যবেক্ষণ উঠে আসে। আদালত জানায়, এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই একাধিক নির্দেশ জারি করেছে। সেগুলি মেনে কমিটি গঠন করতে হবে। যদি কোথাও র‌্যাগিং-এর অভিযোগ ওঠে, তবে নির্দিষ্টভাবে নাম ও তথ্য দিতে হবে।

আজকের খবর