ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Sonarpur /
  • Calcutta Highcourt on Wetlands : ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই, প্যারামিলিটারি ফোর্সের জন্য অর্ডার দেব’ জলাভূমি ভরাট ও বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভর্ৎসনা বিচারপতি অমৃতা সিনহার

Calcutta Highcourt on Wetlands : ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই, প্যারামিলিটারি ফোর্সের জন্য অর্ডার দেব’ জলাভূমি ভরাট ও বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভর্ৎসনা বিচারপতি অমৃতা সিনহার

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই।’ এভাবেই পূর্ব কলকাতা জলাভূমি ভরাট এবং তার সংলগ্ন সোনারপুর এলাকায় বিপুল সংখ্যক বেআইনি নির্মাণ আটকাতে রাজ্য সরকার ব্যর্থ হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে....

Calcutta Highcourt on Wetlands : ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই, প্যারামিলিটারি ফোর্সের জন্য অর্ডার দেব’ জলাভূমি ভরাট ও বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভর্ৎসনা বিচারপতি অমৃতা সিনহার

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Sonarpur /
  • Calcutta Highcourt on Wetlands : ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই, প্যারামিলিটারি ফোর্সের জন্য অর্ডার দেব’ জলাভূমি ভরাট ও বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভর্ৎসনা বিচারপতি অমৃতা সিনহার

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই।’ এভাবেই পূর্ব....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন।

‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার বিষয়ে রাজ্যের উপর বিশেষ ভরসা নেই।’ এভাবেই পূর্ব কলকাতা জলাভূমি ভরাট এবং তার সংলগ্ন সোনারপুর এলাকায় বিপুল সংখ্যক বেআইনি নির্মাণ আটকাতে রাজ্য সরকার ব্যর্থ হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পূর্ব কলকাতা জলাভূমি বা রামেশ্বর সাইটের সংরক্ষণের জন্য রাজ্য সরকারকে বারে বারে সতর্ক করলেও এখনো পর্যন্ত পূর্ব কলকাতা জলাভূমি এবং তার সংলগ্ন সোনারপুর এলাকায় রমরমিয়ে চলছে জলা জমি ভরাট এবং বেআইনি নির্মাণ। কয়েক মাস আগেই শুধুমাত্র শোনার পর এলাকা থেকে প্রায় সাড়ে 500 টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার কাছে।‌ এই বিষয়ে রাজ্য সরকারকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেও আজ পর্যন্ত রাজ্য সরকার অথবা কলকাতা পৌরসভা বা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসন কোন সদর্থক ব্যবস্থা গ্রহণ করে উঠতে পারেনি।

এবার বেআইনি নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, ‘এইসব নির্মাণ নিয়ে আদালতের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে, কিন্তু গ্রাউন্ড লেভেলে কোনও কাজ হচ্ছে, এমন কোনও তথ্য নেই। কোর্ট রিপোর্টের ভারে ভরে গিয়েছে। আর রিপোর্ট নেব না। এবার ফিজিক্যাল কাজ হয়েছে দেখতে চাই।’ এমন বিস্ফোরক পর্যবেক্ষণ জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে এই মামলার পার্টি করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। রাজ্য না পারলে আধা সামরিক বাহিনীকে নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন বিচারপতি। মামলাকারীর আইনজীবী জানান, কেএমসি-র কাছে পরিকাঠামো চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের কোনও প্রতিনিধি পাওয়া যায়নি। চৌবাগা সহ আশপাশের এলাকায় বেআইনি বিদ্যুৎ কাটার কাজ করা যায়নি বিক্ষোভের জন্য। জলা জায়গাকে আগের অবস্থায় ফেরানোর চেষ্টা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিচারপতির প্রশ্ন, যে ৫০৫টি বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কথা বলা হয়েছিল সেগুলির কী হল? এর উত্তরে ‘ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি’র তরফে বলা হয়, বহুবার জেলাশাসককে বলেও কোনও সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না। বিচারপতি বলেন, ‘এইভাবে রাজ্যের থেকে সাহায্য না পাওয়া গেলে, প্যারামিলিটারি ফোর্সের জন্য অর্ডার দেব। এছাড়া আর কিছু করার নেই। কেন্দ্রীয় সরকারকে মামলায় যুক্ত করুন। আপনারা যদি বিক্ষোভ সামলাতে না পরেন তাহলে অন্য এজেন্সিকে ডাকতে হবে।’

শুধু তাই নয় সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে সোনারপুর উত্তর বিধানসভার অন্তর্গত নাজিরাবাদে কয়েকদিন আগে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে ২৭ জনের মারা যাওয়ার পেছনেও রয়েছে বেআইনি নির্মাণ এবং জলা জমি ভরাটের ঘটনা। অন্যদিকে সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার অন্তর্গত সোনারপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এবং লাঙ্গলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত এলাকায় প্রকাশ্যেই চলছে একের পর এক জলা জমি ভরাট করে বেআইনি নির্মাণের কাণ্ডকারখানা। চলতি সপ্তাহেই সোনারপুরের ঘাসিয়াড়াতে বিশাল একটি জলা ভূমি বা পুকুর ভরাট করার জন্য এলাকার কয়েকজন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার সেই পুকুরটিকে টিন দিয়ে ঘিরে ফেলেছে বলেও অভিযোগ জমা পড়েছে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে। আগামী ১৬ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

আজকের খবর