ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Suvendu against TMC : ‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার জন্য লোক খুঁজে না পায়’ বিষ্ফোরক শুভেন্দু

Suvendu against TMC : ‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার জন্য লোক খুঁজে না পায়’ বিষ্ফোরক শুভেন্দু

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার জন্য লোক খুঁজে না পায়‌।’ শুক্রবার বাঁকুড়ার সোনামুখীর জনসভা থেকে এভাবেই বিজেপির নেতা কর্মী ও সমর্থকদের কাছে আহ্বান জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এসআইআর....

Suvendu against TMC : ‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার জন্য লোক খুঁজে না পায়’ বিষ্ফোরক শুভেন্দু

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Suvendu against TMC : ‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার জন্য লোক খুঁজে না পায়’ বিষ্ফোরক শুভেন্দু

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

‘তৃণমূলকে এমন ভাবে হারান যেন ৪ তারিখের পরে তৃণমূল পার্টি অফিস খোলার জন্য লোক খুঁজে না পায়‌।’ শুক্রবার বাঁকুড়ার সোনামুখীর জনসভা থেকে এভাবেই বিজেপির নেতা কর্মী ও সমর্থকদের কাছে আহ্বান জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এসআইআর নিয়েও তৃণমূলকে বিঁধেছেন শুভেন্দু। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে রাজ্যে প্রায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে বহু মৃত, ভুয়ো ভোটারের। এতে আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল আর ‘ছাপ্পা মারা’র সুযোগ পাবে না বলেও মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘এসআইআর-এ মৃত ভোটার নেই। ভুয়ো ভোটার নেই। তাই তৃণমূলের ছাপ্পা মারার ভোটও নেই।’

অন্যদিকে শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, তৃণমূল কর্মীদের ভুয়ো প্রেস কার্ড বানিয়ে দিচ্ছে আইপ্যাক। এই সব কার্ড ব্যবহার করে তৃণমূল কর্মীরা প্রশাসনিক দফতর এবং ভোট কেন্দ্রের কাছাকাছি ঘোরাঘুরি শুরু করেছে।

 

এহেন ভয়ঙ্কর অভিযোগ করে এক্স-এ শুভেন্দু লেখেন, ‘আমি ভারতের নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেস একটি গুরুতর ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের তথাকথিত ‘পলিটিক্যাল কনসালটেন্সি’ বা ‘মানি লন্ডারিং’ সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর একমাত্র উদ্দেশ্য পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করা। এরা নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতাকে ক্ষুণ্ণ করতে চায়। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আইপ্যাক পরিকল্পিতভাবে টিএমসি কর্মীদের নকল প্রেস আইডেন্টিটি কার্ড দিচ্ছে। এরা পেশাদার সাংবাদিক নয়। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের সদস্য সেজে সংবেদনশীল এলাকা, যেমন ভোটকেন্দ্র এবং প্রশাসনিক দফতরে অবাধে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে।’

 

এই ভুয়ো সাংবাদিকদের কৌশলগতভাবে মাঠে নামানো হয়েছে। যাতে তারা মিডিয়ার পরিচয় ব্যবহার করে স্থানীয় স্তরে বেআইনি কাজ করতে পারে। প্রেস পরিচয় ব্যবহার করে তারা ভোটকেন্দ্রে ঢুকে ভোটারদের ভয় দেখানো, প্রভাবিত করা বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পেতে পারে। এই বেআইনি কাজগুলো যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজর এড়িয়ে যেতে পারে, সেই জন্যই এমন আয়োজন।’

শুভেন্দুর দাবি, এটা তৃণমূলের একটি পুরনো কৌশল। এভাবেই তারা নিজেদের কর্মীদের প্রেস কার্ডের সুবিধা দেয়। প্রেস কার্ডের ক্ষমতা অপব্যবহার করা হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে গত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে যে সমস্ত নতুন প্রেস আইডেন্টিটি কার্ড এবং অ্যাক্রেডিটেশন লেটার ইস্যু হয়েছে, সেগুলির কঠোর যাচাই-বাছাই করা হোক। এছাড়া তিনি চান যাতে নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে নির্দেশ দেয়। নতুন পরিচয়পত্র পাওয়া এই সব সাংবাদিকদের উপর যেন নজরদারি চালান হয়। সেই সঙ্গে শুধুমাত্র স্বীকৃত এবং প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদেরই ভোটকেন্দ্রের কাছে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া এবং তাদের পরিচয়পত্রও দ্বিতীয়বার যাচাই করার আবেদন করেন তিনি।

আজকের খবর