ব্রেকিং
Latest Posts
দার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুরDilip Ghosh Bulldozer : ‘৪ তারিখের পর এখানে থাকতে পারবে? খুব খারাপ সময় আসছে, বুলডোজার চলবে’ তৃণমূল কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Election Commission independent CEO office : নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস হবে স্বাধীন

Election Commission independent CEO office : নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস হবে স্বাধীন

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Chief Electoral Officer – CEO) দফতরকে রাজ্য সরকারের অধীনতা থেকে মুক্ত করে স্বতন্ত্র দফতর হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিল কমিশন। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে....

Election Commission independent CEO office : নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস হবে স্বাধীন

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Election Commission independent CEO office : নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস হবে স্বাধীন

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Chief Electoral....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Chief Electoral Officer – CEO) দফতরকে রাজ্য সরকারের অধীনতা থেকে মুক্ত করে স্বতন্ত্র দফতর হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিল কমিশন। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে।

বর্তমানে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের অধীনে পরিচালিত হয়। এর ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, বিশেষ করে নির্বাচনী কর্মী নিয়োগ এবং আর্থিক সংস্থান, রাজ্য সরকারের ওপর নির্ভর করতে হয় CEO দফতরকে। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই নির্ভরতা দূর হলে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হবে।

নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর যেন খুব শীঘ্রই স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো-তে রূপান্তরিত হয়। এতে নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও সিদ্ধান্ত দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে নেওয়া যাবে। একইসঙ্গে, SIR (Systematic Voters’ Education and Electoral Participation Initiative)-এর মতো প্রকল্পগুলিও আর রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই চালানো সম্ভব হবে।

কমিশন সূত্রে খবর, ভবিষ্যতের নির্বাচনে স্বচ্ছতা এবং গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীন দফতর থাকলে রাজ্য সরকারের কোনও প্রশাসনিক চাপে না পড়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তার নিজস্ব কর্মী, তহবিল এবং অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে কাজ করতে পারবেন।

নবান্নে পৌঁছানো এই নির্দেশ ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যখন SIR নিয়ে রাজ্যে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে, তখন এই পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবেই ধরা হচ্ছে।

নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও সুশাসনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ আগামী দিনে ভোট প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আজকের খবর