ব্রেকিং
Latest Posts
  • Home /
  • ভারত /
  • Mahashivratri 2025 : শিব ও শক্তির মিলনের উত্‍সব ‘শিবরাত্রি’, জেনে নিন কেন এই দিনটি পালন করা হয়

Mahashivratri 2025 : শিব ও শক্তির মিলনের উত্‍সব ‘শিবরাত্রি’, জেনে নিন কেন এই দিনটি পালন করা হয়

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন। শিবরাত্রি কথাটি এসেছে শিব ও রাত্রির সমন্বয়ে। অর্থাত্‍ যে রাত শিবের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। এক বছরে প্রতি মাসে একটি করে মোট ১২টি শিবরাত্রি পালন করা হয়। তার মধ্যে মহাশিবরাত্রি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গোটা দেশে মহা ধূমধামের সঙ্গে পালন....

Mahashivratri 2025 : শিব ও শক্তির মিলনের উত্‍সব ‘শিবরাত্রি’, জেনে নিন কেন এই দিনটি পালন করা হয়

  • Home /
  • ভারত /
  • Mahashivratri 2025 : শিব ও শক্তির মিলনের উত্‍সব ‘শিবরাত্রি’, জেনে নিন কেন এই দিনটি পালন করা হয়

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন। শিবরাত্রি কথাটি এসেছে শিব ও রাত্রির সমন্বয়ে। অর্থাত্‍ যে রাত শিবের উদ্দেশ্যে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন।

শিবরাত্রি কথাটি এসেছে শিব ও রাত্রির সমন্বয়ে। অর্থাত্‍ যে রাত শিবের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। এক বছরে প্রতি মাসে একটি করে মোট ১২টি শিবরাত্রি পালন করা হয়। তার মধ্যে মহাশিবরাত্রি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

গোটা দেশে মহা ধূমধামের সঙ্গে পালন করা হয় মহাশিবরাত্রি। শিবরাত্রি আসলে হল শিব ও পার্বতীর মিলন উত্‍সব। ধ্বংসের দেবতা শিবের সঙ্গে এই রাতে মিলন ঘটে প্রেম, সৌন্দর্য ও উত্‍পাদন ক্ষমতার দেবী পার্বতীর। দেবী পার্বতীর অন্য নাম শক্তি। শিব ও শক্তির মিলনের উত্‍সব শিবরাত্রি। পুরাণ অনুসারে মহাদেব ও পার্বতীর বিয়ের রাতে অনেক দেব, দেবী, পশু ও রাক্ষস মিলে শিবকে পার্বতীর ঘরে নিয়ে যান।

শিব ও পার্বতী হলেন মিলন, প্রেম ও শক্তির আধার। মহাশিবরাত্রির উত্‍সব তাঁদের এই মিলন ও আত্মিক বন্ধনকে উদযাপন করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এদিন সকাল থেকেই শিব মন্দিরগুলিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। ওম নমঃ শিবায় এবং হর হর মহাদেব মন্ত্রোচ্চারণের সঙ্গে ভোর থেকেই মন্দিরগুলির বাইরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন পূণ্যার্থীরা। শিব মন্দিরগুলিতে গোটা রাত ধরে এদিন চলে বিশেষ পূজার্চনা।

মহাশিবরাত্রিতে কঠোর ভাবে উপবাস পালনের রীতি রয়েছে। এদিন শিবলিঙ্গের রুদ্র অভিষেক পুজো করা হয়। জল, দুধ, মধু, আখের রস ও দই দিয়ে শিবলিঙ্গের পুজো করা হয়। এছাড়া ধূত্র ফুল এবং ফল মহাদেবের অভিষেকের জন্য অবশ্যই দিতে হয়। বিবাহিতা মহিলারা মহাশিবরাত্রিতে স্বামীর মঙ্গল কামনা করে উপবাস রেখে পুজো করেন। অবিবাহিতা মহিলারা শিবের মতো স্বামীর পাওয়ার প্রার্থনা করে এদিন উপবাস রেখে পুজো অর্চনা করেন।

শিবরাত্রির ব্রতকথা অনুযায়ী, এদিন এক শিকারি বনের মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে শিকার না পেয়ে একটি বেলগাছের ডালে আশ্রয় নেয়। গাছের পাতা ছিঁড়ে নীচে ফেলতে থাকে সে। নীচে সেখানে একটি শিবলিঙ্গ ছিল। বেলপাতা পড়ায় খুশি হয়ে মহাদেব তকে আশীর্বাদ করেন। কালকূট কথা অনুযায়ী, এদিনই দেবতা ও রাক্ষসদের সমুদ্র মন্থনের ফলে ভয়ানক কালকূট বিষ উঠে আসে। সেই বিষের জ্বালায় ছটফট করতে থাকে গোটা বিশ্ব। সৃষ্টি রক্ষা করতে মহাদেব সেই বিষ নিজের কণ্ঠে ধারণ করেন। বিষে তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায়, তাই তাঁর আর এক নাম নীলকণ্ঠ।

আজকের খবর