ব্রেকিং
Latest Posts
হাওড়ায় আমূলের ৭০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, শিলান্যাসে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীরAbhishek Bulldozer : হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেকের, অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টেরAmit Shah : শিলিগুড়ির চিকেনস নেক সহ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষিত করে নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুরAbhishek Banerjee : ‘আমায় গালাগালি করে যারা দল ছেড়েছেন ফিরে আসুন এক ঘন্টার মধ্যে ইস্তফা দেব’ তৃণমূলের দলত্যাগী নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে খোলা চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরSonam Wangchuk : ‘যে সরকার বিরুদ্ধ স্বরকে গণতন্ত্রের অংশ হিসাবে না দেখে হুমকি হিসাবে দেখে, সেই সরকারকে অন্তত বিশ্বাস করা যায় না’ বিস্ফোরক মমতা
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Abhishek Bulldozer : হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেকের, অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

Abhishek Bulldozer : হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেকের, অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ, কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। কলকাতা হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী নির্দেশ না....

Abhishek Bulldozer : হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেকের, অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Abhishek Bulldozer : হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেকের, অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ, কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ, কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

কলকাতা হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন করে পদক্ষেপ করা যাবে না। এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর।

 

শনিবার আমতলার অফিসে বুলডোজ়ার-কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ছুটির দিনই জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। প্রথমে ১২টায় শুনানি শুরুর কথা থাকলেও রাজ্যের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় নির্ধারিত সময়ে শুনানি করা যায়নি। পরে দেড়টা নাগাদ ফের শুনানি শুরু হয় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে। এরপরই অভিষেকের অফিস ভাঙায় আপাতত স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

 

আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিস বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়েছে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যে পালাবদলের আগেই সুশান্ত মণ্ডল নামে জনৈক এক ব্যক্তি জেলা পরিষদে অভিযোগ করেন। নকশা ছাড়া এই পাঁচতলা ভবন তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৩০ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রশাসনের তরফে নোটিস পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা তথা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই সম্পত্তিও লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে রয়েছে। নোটিস পাঠানো হয় সুশান্ত মণ্ডল এবং মতিউর রহমান মল্লিককেও। ১৫ জুলাই দুপুর ২টোর সময় হাজির হতে বলা হয়েছিল অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত সব পক্ষকেই। কিন্তু, নোটিসের নির্দেশ মেনে হাজিরা দেননি অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

এরপর অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একটি নোটিস দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনের তরফে। সেখানে বলা হয়, কার্যালয় ভেঙে ফেলা হবে। সেই মতো শনিবার সকাল থেকেই বুলডোজার দিয়ে অভিষেকের পাঁচতলা অফিস ভাঙার কাজ শুরু হয়। শাবল দিয়ে ডিজিটাল লকার ভেঙে ফেলা হয়। আবার রবিবার সকালে ফের অভিষেকের অফিসের সামনে পৌঁছে যায় বুলডোজার। একে একে বের করা আনা হয় খাট, বালিশ ও ত্রাণসামগ্রী।

Ritabrata Banerjee : কালীঘাট তৃণমূলে ভাঙ্গন অব্যাহত, কালীঘাট তৃণমূল ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেন বিশ্বজিৎ দাস ও তাপস চট্টোপাধ্যায়

শনিবার অফিস ভাঙার পরই রবিবার জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন করেন অভিষেকের আইনজীবী। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের তরফে মামলা করা হয়। রবিবার ছুটির দিনে এজলাস বসিয়ে তার জরুরি শুনানি হল। আদালত জানাল, তারা পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত ওই বাড়ি যে অবস্থায় রয়েছে, সে অবস্থাতেই রাখতে হবে। রবিবারও ভাঙাভাঙির কাজ শুরু হয়েছিল। হাই কোর্টের নির্দেশের পর তা বন্ধ হয়। সাংসদ অভিষেকের ওই দফতরটি অবৈধ ভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল, এই অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আমলেই। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার তা ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন। ওই দফতরের জমি কেনা হয়েছিল লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে, যার অন্যতম ডিরেক্টর অভিষেক। ভবনের কিছুটা অংশ ভাঙার পরে সেই সংস্থার আইনজীবীর তরফে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতিকে ইমেল করে জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয়। রবিবার শুনানি হয় বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে।

শুনানিতে লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের তরফে আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করেন। তিনি অভিযোগ করেন, অভিষেকের দফতরের একাংশ ভাঙার আগে বাড়ির মালিককে জেলা পরিষদের শুনানির জন্য কোনও নোটিসই দেওয়া হয়নি প্রশাসনের তরফে। যে লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে পাঁচতলা ভবনের জমি কেনা হয়েছিল, সেই সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টরকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অন্য দিকে, সরকারের তরফের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র তাঁর সওয়ালে বলেন, ওই বাড়ি নির্মাণ বেআইনি। বিচারপতি বসুচৌধুরী প্রশ্ন তোলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের নোটিস কি জানতেন বাড়ি বা জমির মালিক? সরকারের তরফে বলা হয়, মালিকপক্ষ সবটাই জানতেন। সব তরফের বক্তব্য শোনার পর আপাতত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। আদালত জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত সেখানে নতুন করে কিছু করা যাবে না। অর্থাৎ, বাড়িটি এখন যে অবস্থায় রয়েছে, সে রকমই থাকবে।

 

আজকের খবর