ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Jibankrishna Saha ED arrest : আমরা বনেদি বংশের, আমাদের টার্নওভার দু’কোটি টাকা – আদালতে দাবি নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে গ্রেপ্তার TMC MLA জীবনকৃষ্ণ সাহার

Jibankrishna Saha ED arrest : আমরা বনেদি বংশের, আমাদের টার্নওভার দু’কোটি টাকা – আদালতে দাবি নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে গ্রেপ্তার TMC MLA জীবনকৃষ্ণ সাহার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   আমি প্রথম থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। রেশন বিলি, চালকলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে। আমরা বনেদি বংশের। নিয়োগ দুর্নীতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা স্পষ্ট....

Jibankrishna Saha ED arrest : আমরা বনেদি বংশের, আমাদের টার্নওভার দু’কোটি টাকা – আদালতে দাবি নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে গ্রেপ্তার TMC MLA জীবনকৃষ্ণ সাহার

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Jibankrishna Saha ED arrest : আমরা বনেদি বংশের, আমাদের টার্নওভার দু’কোটি টাকা – আদালতে দাবি নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে গ্রেপ্তার TMC MLA জীবনকৃষ্ণ সাহার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   আমি প্রথম থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। রেশন বিলি, চালকলের সঙ্গে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

আমি প্রথম থেকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। রেশন বিলি, চালকলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে। আমরা বনেদি বংশের। নিয়োগ দুর্নীতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন তার বাড়ি থেকে এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা মোটেই দুর্নীতি থেকে নয় বরং তার ব্যবসা থেকে আয় করা লাভের টাকা। ‌ নিজেকে বনেদি বংশের সন্তান বলে দাবি করার পাশাপাশি জীবনকৃষ্ণের দাবি, শুধুমাত্র ব্যবসা থেকেই তার আয় কোটি কোটি টাকা।

এর আগে বেশ কয়েক মাস কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলবন্দী ছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। জামিনে মুক্তি পেলেও ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। এবারেও গ্রেফতারের সময় প্রথমবারের মতোই মোবাইল জঙ্গলে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। তবে এর মাঝেই তৃণমূল বিধায়কের বাবা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বারে বারে দারি করেছেন প্রথম থেকেই তার ছেলে বিপথে চলে গিয়েছেন এবং যাবতীয় টাকা দুর্নীতি করে জমিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে জীবনকৃষ্ণ সাহার বাবা বিশ্বনাথ সাহা দাবি করেছিলেন, বিশ্বনাথের জামিন পাওয়াই উচিত হয়নি। তাঁর দাবি, জীবনের বিপুল সম্পত্তির সবটাই অসৎ পথে উপার্জন করা হয়েছে। সাধারণ পরিবারের ছেলে জীবন। আর পাঁচ জন সাধারণ ঘরের ছেলের মতো তাঁর বেড়ে ওঠা। তার পর ধীরে ধীরে রাজনীতি জগতে পা দেয়। প্রথমে রাজনীতির মঞ্চকে সাধারণ মানুষের সেবা হিসাবেই দেখত ও। তবে ক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে বদলে যায় সব ছবি।

ইডি তদন্তে তার অনেক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং লেনদেনের তার হদিশ পেয়েছে বলে দাবি করেছে। ইডি আদালতে জানিয়েছে যে বিভিন্ন সময়ে ৪০ লক্ষের বেশি টাকা অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন জীবনকৃষ্ণ। কারও কারও কাছ থেকে একাধিক দফায় টাকা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের অধিকাংশই চাকরি পাননি। তবে শুধু জীবনকৃষ্ণ নন, তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টেও লেনদেন হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সেই রাঘব বোয়ালরা কারা জানতেই ইডি জীবনকৃষ্ণকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করে জানতে চাইছে।

আজ কলকাতায় বিচার ভবনে তাকে নতুন করে হেফাজতে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা হাজির করানো হলে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন জীবনকৃষ্ণ।

আদালত ইডির আর্জি মেনে তাঁকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। ৬ দিনের ইডি হেফাজত শেষে তাঁকে এদিন যখন আদালতে হাজির করানো হয়েছিল তখন এজলাসেই কেঁদে ফেলেন তৃণমূল বিধায়ক। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে ভেঙে পড়েন তিনি। জীবনকৃষ্ণের স্ত্রী এবং ছেলেও এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক। শনিবার আদালত চত্বরে তিনি বলেন, আমরা ব্যবসায়ী পরিবারের লোকজন। আমাদের টার্নওভার দু’কোটি টাকা। বাবা কেন বলেছে জানি না। সেটা বাবার ব্যাপার।

আজকের খবর