u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
Abhishek Banerjee: ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি অভিষেকের, দমকলের নোটিশ খারিজSonarpur : ৮টি চেম্বার, ৮০০ টাকা ফি! সোনারপুরে ‘ভুয়ো চিকিৎসক’ গ্রেফতার, প্রেসক্রিপশনে একাধিক বড় ডিগ্রির উল্লেখSuvendu Nandigram : “চন্দ্রনাথ খুনের নেপথ্যে রয়েছে ভাইপো গ্যাং, শার্প শুটারদের ২ কোটি টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল” বিস্ফোরক শুভেন্দুSamik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যেরSuvendu Bengal Industry : বাংলায় বিপুল বিনিয়োগ, আম্বানি আদানি থেকে শুরু করে Style Baazar-এর বিনিয়োগ শুভেন্দুর বাংলায়
  • Home /
  • কলকাতা /
  • STF Arms Arrest : কলকাতার বন্দুকের দোকান থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র বিক্রিতে চম্পাহাটি থেকে গ্ৰেফতার দোকানের কর্মী

STF Arms Arrest : কলকাতার বন্দুকের দোকান থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র বিক্রিতে চম্পাহাটি থেকে গ্ৰেফতার দোকানের কর্মী

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ক্যানিংয়ের জীবনতলা থেকে ৭ এমএম পিস্তলের ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল। সেই গ্রেফতারির সংখ্যা বাড়ল। আরও একজনকে পাকড়াও করেছে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। সোমবার দোকানের আরও এক কর্মীকে গ্রেফতার করলেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে,....

STF Arms Arrest : কলকাতার বন্দুকের দোকান থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র বিক্রিতে চম্পাহাটি থেকে গ্ৰেফতার দোকানের কর্মী

  • Home /
  • কলকাতা /
  • STF Arms Arrest : কলকাতার বন্দুকের দোকান থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র বিক্রিতে চম্পাহাটি থেকে গ্ৰেফতার দোকানের কর্মী

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ক্যানিংয়ের জীবনতলা থেকে ৭ এমএম পিস্তলের ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় ৫....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

ক্যানিংয়ের জীবনতলা থেকে ৭ এমএম পিস্তলের ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল। সেই গ্রেফতারির সংখ্যা বাড়ল। আরও একজনকে পাকড়াও করেছে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। সোমবার দোকানের আরও এক কর্মীকে গ্রেফতার করলেন তদন্তকারীরা।

জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম শান্তনু সরকার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির বাসিন্দা সে। সব মিলিয়ে কার্তুজকাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬। কার্তুজের পাশাপাশি বিবাদী বাগের ওই দোকান থেকে অস্ত্রও বিক্রি করার অভিযোগ ধৃতের বিরুদ্ধে। দোকান থেকে অস্ত্র শান্তনু সরকার বেআইনিভাবে বিক্রি করত বলে অভিযোগ। এর আগে নদিয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা জয়ন্ত দত্ত নামে দোকানের এক কর্মী গ্রেফতার হন।

এদিকে কার্তুজকাণ্ডে কলকাতা কানেকশনের পাশাপাশি মিলল তৃণমূল যোগও। ধৃত আব্দুল সেলিম গাজি তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্য বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। যদিও একুশের নির্বাচনের পর সে বিজেপিতে যোগ দেয় বলে দাবি তৃণমূলের। আব্দুল সেলিমের তৃণমূল যোগ অস্বীকার দলের অঞ্চল সভাপতির। অন্যদিকে, ধৃত আশিক ইকবাল গাজির স্ত্রী তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য।

 

বসিরহাট থেকে শনিবার ধৃত ফারুক মালিকও তৃণমূলের কর্মী বলে জানা গিয়েছে। ধৃতকে নিয়ে বিস্ফোরক তাঁর বাবা। ফারুকের বাবার দাবি, ছেলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হয়েছে। তৃণমূলে গ্রুপবাজির জেরে এই ঘটনা বলে দাবি তাঁর। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অবশ্য দাবি, বাকি পাঁচটা স্থানীয় যুবকের মতোই সেও তৃণমূল করত।

 

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলায় ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারকাণ্ডে স্ক্যানারের তলায় বিবাদী বাগের অস্ত্রের দোকান। শনিবার জীবনতলা থানার ঈশ্বরীপুর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ওই বিপুল পরিমাণ কার্তুজ। ১৯০ রাউন্ড কার্তুজের পাশাপাশি সেভেন এমএম পিস্তল, একটি ডবল ব্যারেল বন্দুকও উদ্ধার করেছে এসটিএফ। শনিবার বিকেলে বিবাদী বাগের দোকানে তদন্তে যায় বেঙ্গল এসটিএফ। ইতিমধ্যেই দোকান সিল করে দিয়েছে তারা।

 

এদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার আবারও মিলল আগ্নেয়াস্ত্র। কুলতলির দেউলবাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ২ রাউন্ড গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরেও উদ্ধার হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ২ রাউন্ড গুলি। দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

ওই বন্দুকের দোকানের রেজিস্টারে প্রচুর গরমিল রয়েছে। কার্তুজের স্টকের সঙ্গে রেজিস্টারের তথ্য না মেলায় তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বন্দুকের দোকান থেকেই দুষ্কৃতীদের হাতে পৌঁছে যেত কার্তুজ। প্রসঙ্গত, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে শিয়ালদহ সংলগ্ন এলাকায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানার হদিশ মিলেছিল। তারপর সুরেন্দ্রনাথ কলেজের সামনে বৈঠকখানা লেন থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়। বড়বাজার থানা এলাকা থেকেও সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

ঘটনাচক্রে, দুটি ঘটনার সঙ্গেই উত্তরপ্রদেশের যোগ পেয়েছে পুলিশ। পুলিশি তদন্তে উঠে আসে, প্রায় সকলেই উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এবং ডাকাতির উদ্দেশে কলকাতায় এসেছিল। ক্যানিংয়ের ঘটনার সঙ্গেও যোগী রাজ্যের কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আজকের খবর