সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।
সমাজের জন্য মানবিক উদ্যোগ। মানবিক সেবাই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এই বিশ্বাসকে ভিত্তি করে ১৭ই আগস্ট ২০২৫, রবিবার সকাল ১০টায় হরিরাজ চটারপাড়, সীতাকুণ্ড, বারুইপুরে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ কর্মসূচি— বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা প্রদান ও বস্ত্র বিতরণ।
সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমেই সমাজে আলো ছড়ানো সম্ভব। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সম্প্রতি এডুকেশনাল এন্ড লাইভলিহুড সোসাইটি-র উদ্যোগে এবং শঙ্কর নেএত্রালয়-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ মানবিক কর্মসূচি— বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা প্রদান ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান।
এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মঃ আবু তাহির সরদার। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সমাজের অবহেলিত, দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। তাঁর উদ্যোগেই এডুকেশনাল এন্ড লাইভলিহুড সোসাইটি এই মহৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং শঙ্কর নেএত্রালয় চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসে।

কর্মসূচির মূল দিক
অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে এলাকার শতাধিক মানুষ চোখের পরীক্ষা করান।
যাদের প্রয়োজন, তাদের হাতে সঙ্গে সঙ্গে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়।
আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের জন্য বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
এই উদ্যোগে এলাকার বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং চক্ষু সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই অনুষ্ঠানে এলাকার শতাধিক মানুষ উপস্থিত থেকে উপকৃত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে চোখের পরীক্ষা করা হয় এবং যাদের প্রয়োজন চিহ্নিত করা হয়, তাদের হাতে সঙ্গে সঙ্গে বিনামূল্যে চশমা তুলে দেওয়া হয়। চোখের সুরক্ষা, দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং ভবিষ্যতের জটিলতা প্রতিরোধের জন্য এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাছাড়া, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের জন্য বস্ত্র বিতরণও ছিল এই কর্মসূচির অংশ। সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি মানবিক সহায়তাও সমান জরুরি।
এডুকেশনাল এন্ড লাইভলিহুড সোসাইটি নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কর্মসূচি আয়োজন করে থাকে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ ও শহরতলির মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

আবু তাহির সরদারের ভূমিকা
মঃ আবু তাহির সরদার স্পষ্টভাবে জানান যে, “অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের প্রকৃত দায়িত্ব। চোখের স্বাস্থ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সমাজের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার।”
তাঁর এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করে তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং সাধারণ মানুষের বন্ধু।
চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা ও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে এমন আরও উদ্যোগ সমাজকে সুস্থ, সচেতন ও উন্নত পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।