ব্রেকিং
Latest Posts
Bike Banned : ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে থেকেই বাংলায় নিষিদ্ধ বাইক, রাস্তায় নামবে না Rapido, Uber-সহ কোন অ্যাপ বাইকMamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতাYogi on Vivekananda : “স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ স্বামী বিবেকানন্দ আর নেতাজিকে গুলিয়ে দিলেন যোগী আদিত্যনাথMamata attacks Modi : ‘১০ টাকা কখনও ওঁর পকেটে থাকে? কত নাটক! ঝালমুড়িও নিজেরা তৈরি করে রেখেছে’ মোদিকে তীব্র ব্যঙ্গ মমতারShamik NRI Bengali : ‘মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন যে আমরা বাইরে থেকে ভোটার আনছি, কিন্তু সেই ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গেরই’ মমতাকে কটাক্ষ শমীকের
  • Home /
  • আন্তর্জাতিক /
  • Putin calls Modi Dear Friend : ‘মহামহিম প্রধানমন্ত্রী’ বলে সম্বোধন, পুতিনের হিন্দি অভিবাদনে আবেগে ভাসছে ভারত–রাশিয়া সম্পর্ক

Putin calls Modi Dear Friend : ‘মহামহিম প্রধানমন্ত্রী’ বলে সম্বোধন, পুতিনের হিন্দি অভিবাদনে আবেগে ভাসছে ভারত–রাশিয়া সম্পর্ক

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বার্ষিক সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। বৈঠকে পুতিন যখন মোদীকে “মহামহিম প্রধানমন্ত্রী” ও “প্রিয় দোস্ত” বলে হিন্দিতে সম্বোধন করলেন, তখনই কূটনৈতিক দুনিয়ায় আলোড়ন পড়ে যায়।....

Putin calls Modi Dear Friend : ‘মহামহিম প্রধানমন্ত্রী’ বলে সম্বোধন, পুতিনের হিন্দি অভিবাদনে আবেগে ভাসছে ভারত–রাশিয়া সম্পর্ক

  • Home /
  • আন্তর্জাতিক /
  • Putin calls Modi Dear Friend : ‘মহামহিম প্রধানমন্ত্রী’ বলে সম্বোধন, পুতিনের হিন্দি অভিবাদনে আবেগে ভাসছে ভারত–রাশিয়া সম্পর্ক

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বার্ষিক সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বার্ষিক সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। বৈঠকে পুতিন যখন মোদীকে “মহামহিম প্রধানমন্ত্রী” ও “প্রিয় দোস্ত” বলে হিন্দিতে সম্বোধন করলেন, তখনই কূটনৈতিক দুনিয়ায় আলোড়ন পড়ে যায়। এই অপ্রত্যাশিত হিন্দি ব্যবহার শুধু রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং ভারত–রাশিয়া বন্ধুত্বের গভীরতার প্রতীক হিসেবেই ধরা হচ্ছে।

রাশিয়ার বার্তা: ১৫ বছরের বিশেষ সম্পর্ক

বৈঠকে পুতিন স্মরণ করিয়ে দেন, ২১ ডিসেম্বর সেই দিন, যেদিন ভারত ও রাশিয়া স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্ক নির্দিষ্ট নীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে তৈরি। বহুমুখী সহযোগিতায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এই বক্তব্য ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের স্থায়িত্ব ও গভীরতার দিকে নতুন করে নজর টেনেছে।

 

মোদীর প্রতিক্রিয়া: মৈত্রীর নতুন মাত্রা

পুতিনের প্রশংসা ও আবেগঘন ভাষণের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতে অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁর মতে, এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে এবং ভবিষ্যতে যৌথ সহযোগিতা বাড়াবে।

 

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য দ্বন্দ্ব ও প্রেক্ষাপট

এই বৈঠকের সময় আন্তর্জাতিক রাজনীতির আরেকটি বড় ইস্যু সামনে এসেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসিয়েছে। অভিযোগ ছিল— ভারত আমেরিকান পণ্যে উচ্চ শুল্ক চাপায় এবং রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কিনে। ট্রাম্পের মতে, সেই অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে রাশিয়া। ফলে ওয়াশিংটন ভারতের উপর চাপ বাড়িয়েছিল।

কিন্তু ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়— জাতীয় স্বার্থেই তারা রাশিয়া থেকে তেল কিনতে থাকবে। এই সিদ্ধান্ত আমেরিকার অস্বস্তি বাড়ালেও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

চীনের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চীনের সম্পর্কেও নরম সুর শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে SCO সম্মেলনের আড়ালে মোদী, পুতিন ও শি জিনপিঙের ত্রিপাক্ষিক ঘনিষ্ঠতা নতুন অক্ষ গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এটি আমেরিকার জন্য বড় সতর্কবার্তা।

 

আমেরিকার কূটনৈতিক বার্তা

মোদী-পুতিন বৈঠকের অল্প সময় আগে নয়াদিল্লির মার্কিন দূতাবাস ভারতের প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা পাঠায়। বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো বলেন, ভারত–আমেরিকা সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ও সম্ভাবনাময়। যদিও সময়ের প্রেক্ষিতে এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, একদিকে যখন ভারত রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, তখন আমেরিকা নয়াদিল্লিকে পাশে টানতে চায়।

 

ভবিষ্যতের সম্ভাবনা

বিশ্লেষকদের মতে, মোদী-পুতিন বৈঠক শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের নতুন বার্তা। ভারত যেখানে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষার জন্য রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল, সেখানে রাশিয়া চায় ভারতের বাজার ও রাজনৈতিক সমর্থন। এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনে ভূরাজনীতির ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

পুতিনের মুখে হিন্দি শব্দবন্ধ “মহামহিম প্রধানমন্ত্রী” ও “প্রিয় দোস্ত” নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং দুই দেশের গভীর মৈত্রীর প্রতীক। আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক দ্বন্দ্ব, রাশিয়া থেকে তেল কেনা এবং চীনের সঙ্গে নতুন অক্ষ— সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন সমীকরণ গড়ে উঠছে। আর এই পরিস্থিতিতে মোদী-পুতিন বৈঠক ভবিষ্যৎ বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজকের খবর