ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বড় উদ্যোগ! ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচির সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর, পরিবেশ রক্ষায় নতুন বার্তা বাংলায়

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বড় উদ্যোগ! ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচির সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর, পরিবেশ রক্ষায় নতুন বার্তা বাংলায়

মোদীর আহ্বানকে সামনে রেখে বাংলায় ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ অভিযান, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দূষণ এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীদের জুড়ে যে সবুজ আয়ন প্রকল্পে জোড় দেওয়ার কথা বারে বারে বলে এসেছেন....

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বড় উদ্যোগ! ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচির সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর, পরিবেশ রক্ষায় নতুন বার্তা বাংলায়

  • Home /
  • কলকাতা /
  • বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বড় উদ্যোগ! ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচির সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর, পরিবেশ রক্ষায় নতুন বার্তা বাংলায়

মোদীর আহ্বানকে সামনে রেখে বাংলায় ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ অভিযান, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

মোদীর আহ্বানকে সামনে রেখে বাংলায় ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ অভিযান, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দূষণ এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীদের জুড়ে যে সবুজ আয়ন প্রকল্পে জোড় দেওয়ার কথা বারে বারে বলে এসেছেন সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবারে বাংলা জুড়ে সবুজায়ন প্রকল্প শুরু করার জন্য বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুরু করলেন ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচি। বিশ্ব পরিবেশ দিবসের উপলক্ষে আজ কলকাতার নল বনে নিজের হাতে গাছ লাগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান তিনিও গাছ লাগিয়েছেন নিজের মায়ের নামে উৎসর্গ করে। রাজ্য জুড়ে এক কোটি ১০ লক্ষ গাছ লাগানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু শুক্রবারই রাজ্য জুড়ে ছ’লক্ষ গাছের চারা লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়, স্কুল-কলেজে, পার্কগুলিতে এই ধরনের কর্মসূচি চলছে। যে ছ’লক্ষ গাছ শুক্রবার লাগানো হচ্ছে, তা মূলত ফলের গাছ। পরিবেশরক্ষায় বৃক্ষরোপণের উপযোগিতাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন, শুধু গাছ লাগানো নয়, চারা থেকে সেগুলিকে মহীরুহে পরিণত করার দায়িত্বও নেবে সরকার। জনগণকে, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের এই কাজে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ছোটদের পাঠ্যক্রমে বৃক্ষরোপণের উপযোগিতার কথা আরও বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করাতে চায় সরকার। যাতে স্কুল স্তর থেকেই এ বিষয়ে সচেতনতার প্রসার হয়। তার জন্য পাঠ্যক্রমের মূল্যায়ন করা হবে। শুভেন্দু জানান, কলকাতা এবং শহরতলি পরিচ্ছন্ন রাখতেও বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তাঁর কথায়, ‘বারাসত থেকে সোনারপুর-বারুইপুর পর্যন্ত বৃহত্তর কলকাতাকে যদি আকাশপথে দেখা যায়, শুধু কংক্রিটের জঙ্গল। কর্মসংস্থান, রুটিরুজির জন্য শহরের ব্যাপ্তি বাড়বে, স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত সময়ে এ নিয়ে কোনও পরিকল্পনা করা হয়নি। প্রকৃতির সঙ্গে অনেক অন্যায় হয়েছে। আমাদের এখন তার খেসারত দিতে হচ্ছে। আগামী দিনে আমরা এ বিষয়ে আরও যত্নবান হব।’

Suvendu Tajpur Port : “তাজপুর নয়, দাদনপাত্রবাড়েই হবে গভীর সমুদ্রবন্দর!” কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ঘোষণা শুভেন্দুর

পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দিলেন, কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু করে কপিল মুণির আশ্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। এই সব ‘আস্থার’ জায়গার (মন্দির) বাইরের পরিবেশের দিকে নজর দিতে হবে। এই সব জায়গার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। সেই মতো নেওয়া হবে ব্যবস্থা। এদিন তিনি বলেন, ‘১ কোটি ১০ লক্ষ গাছ লাগাব। রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। শুধু গাছ লাগালে চলবে না। রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। গাছের চারা যাতে মহীরূহতে পরিণত হয়, সেটা করা হবে।’

 

দিন কয়েক আগেই চালু করা স্বচ্ছতা অ্যাপের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও নোংরা পড়ে থাকলে অ্যাপের মাধ্যমে জানালেই সেই জায়গা পরিষ্কার করে দেওয়া হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে। আপাতত ১০টি শহরে এটা চালু হয়েছে। রাজ্যের সব পুরসভায় তা পৌঁছে দেওয়া সরকারের লক্ষ্য। এ ছাড়া, কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর, তারাপীঠ, কোচবিহারের মদনমোহন মন্দির, জলপাইগুড়ির জল্পেশ-সহ বিভিন্ন মন্দিরের বাইরের পরিবেশকে সুন্দর করে সাজানোর দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে।’

সেই সঙ্গে জানান, এখন থেকে হাউজিং, ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, সরকারি পরিকাঠামো, জাতীয় সড়ক ও রাজ্য সড়কের পরিকল্পনায় ১ তৃতীয়াংশ গাছ লাগাতে হবে। এভাবেই কাজ করবে নতুন সরকার।

 

আজকের খবর