ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta High Court on Beldanga : বেলডাঙার অশান্তি রুখতে রাজ্যকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, শুভেন্দুর মামলায় কড়া পর্যবেক্ষণ

Calcutta High Court on Beldanga : বেলডাঙার অশান্তি রুখতে রাজ্যকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, শুভেন্দুর মামলায় কড়া পর্যবেক্ষণ

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙ্গায় যে নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়েছিল তার বিরুদ্ধে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। অবিলম্বে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা জরুরি বলে আর্জি জানান হয়েছিল আদালতে। আজ,....

Calcutta High Court on Beldanga : বেলডাঙার অশান্তি রুখতে রাজ্যকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, শুভেন্দুর মামলায় কড়া পর্যবেক্ষণ

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Calcutta High Court on Beldanga : বেলডাঙার অশান্তি রুখতে রাজ্যকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, শুভেন্দুর মামলায় কড়া পর্যবেক্ষণ

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙ্গায় যে নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়েছিল....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙ্গায় যে নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়েছিল তার বিরুদ্ধে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। অবিলম্বে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা জরুরি বলে আর্জি জানান হয়েছিল আদালতে। আজ, সোমবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। বেলডাঙার অশান্তিতে কেন্দ্র চাইলে এনআইএ দিয়ে তদন্ত করাতে পারে বলে জানিয়েছে বিচারপতিদের বেঞ্চ। পাশাপাশি প্রয়োজনে কেন্দ্রের কাছ থেকে রাজ্য আরও বাহিনী চাইতে পারে বলেও পরামর্শ দিয়েছে আদালত।

গত শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। জাতীয় সড়ক ও রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হন কয়েকশো সাধারণ মানুষ। চলে ভাঙচুর, রেল অবরোধ। এমনকি আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। সেই একই ছবি দেখা যায় পরেরদিন শনিবারও। এরপর পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরোতে শুরু করলে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিস। এরপরেই সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।

এদিন আদালতে মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী সওয়াল করে বলেন, বেলডাঙা এলাকাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সেখানে গত শুক্রবার ও শনিবার পূর্বপরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানো হয়েছে। রাস্তার বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যাহত হয়েছে যাত্রী পরিষেবা। এমনকি জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার করা হয়নি বলে আদালতে জানিয়েছেন মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী। উল্লেখ্য, গত বছর ওয়াকফ আইন পাশ হওয়ার পরেও কার্যত রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছিল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও ধুলিয়ান। দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছিলেন হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাস। পরে সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

যদিও রাজ্যের তরফে দাবি, অশান্তির খবর পাওয়া মাত্রই পদক্ষেপ করেছিল পুলিস। ইতিমধ্যেই অশান্তির ঘটনায় এফআইআর করা হয়েছে। ৩০ জনের বেশি গ্রেফতার হয়েছে। পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। রাজ্যের আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিষয়টিকে জটিল করে রং দেওয়া হচ্ছে।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি পালের পর্যবেক্ষণ, ওই এলাকায় এর আগেও একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। পুলিসের উপরেও হামলা হয়েছে। জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করা হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িয়ে আছে ঘটনার সঙ্গে। তার পরেই আদালত জানায়, গত বছর আদালতের এপ্রিল মাসের নির্দেশ এখনও কার্যকর রয়েছে। এর আগেও একই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলাকেও তার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

 

এরপরেই আদালতের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র চাইলে এই ঘটনায় এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করাতে পারে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করার নির্দেশ দেয় আদালত। পুনরায় যেন হিংসা না ছড়ায় তার দায়িত্ব রাজ্যকেই নিতে হবে। এই বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে রাজ্যকে জানাতে হবে কত বাহিনী মোতায়েন করা রয়েছে। কী ভাবে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ফের চার সপ্তাহ পরে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

আজকের খবর