ব্রেকিং
Latest Posts
Sonarpur Wetland Filling : সোনারপুরে রাতারাতি টিন দিয়ে ঘিরে ফেলে পুকুর ভরাট করে আবাসন তৈরীর প্রস্তুতি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রোমোটারের, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপিরManik Sarkar praises Mamata : সুপ্রিম কোর্টে মমতার সওয়াল ‘কার্যকরী’! মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসায় ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারDilip Ghosh Gosaba : গোসাবায় দিলীপ ঘোষের সভায় হঠাৎ বিপত্তি! সেলফি আবদারে ভেঙে পড়ল মঞ্চ, অল্পের জন্য রক্ষা বিজেপি নেতারRajarhat illegal construction : নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডের পরও শিক্ষা নেই! রাজারহাটের সরু গলিতে বেআইনি প্রকাণ্ড আবাসন, আতঙ্কে বাসিন্দারাCoconut Oil Remedy: প্রতিদিন রাতে এই তেল ব্যবহার করলে বগলের কালো দাগ ও দুর্গন্ধ ধীরে ধীরে কমতে পারে
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Mamata Banerjee attacks BJP : ‘আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন’ সব এজেন্সি ব্যবহার করলেও বাংলায় প্রত্যাখ্যাত হবে বিজেপি, তীব্র হুঁশিয়ারি মমতার

Mamata Banerjee attacks BJP : ‘আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন’ সব এজেন্সি ব্যবহার করলেও বাংলায় প্রত্যাখ্যাত হবে বিজেপি, তীব্র হুঁশিয়ারি মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন। সব সংস্থা ব্যবহার করুন, তবু বাংলার মানুষ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে। এভাবেই আজ রাত বিধানসভায় 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পরেই ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিলেন।....

Mamata Banerjee attacks BJP : ‘আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন’ সব এজেন্সি ব্যবহার করলেও বাংলায় প্রত্যাখ্যাত হবে বিজেপি, তীব্র হুঁশিয়ারি মমতার

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Mamata Banerjee attacks BJP : ‘আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন’ সব এজেন্সি ব্যবহার করলেও বাংলায় প্রত্যাখ্যাত হবে বিজেপি, তীব্র হুঁশিয়ারি মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন। সব সংস্থা ব্যবহার করুন, তবু....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

আপনারা আগে শূন্য ছিলেন, এখনও শূন্য থাকবেন। সব সংস্থা ব্যবহার করুন, তবু বাংলার মানুষ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে। এভাবেই আজ রাত বিধানসভায় 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পরেই ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিলেন। মমতা। সেই সঙ্গে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত ভাজপা বিধায়কদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মনে রাখবেন এর নাম বাংলা। যতই চক্রান্ত করুন। এজেন্সি লাগান। বাংলার মানুষ আপনাদের ঘৃণা করে। সুস্থ থাকুন। ভালো থাকুন। এবারের নির্বাচনে অনেক সিট হারাবেন মনে রাখুন।

 

 

আজ মুখ্যমন্ত্রী বলেন,

 

আপনারা জিরো ছিলেন জিরো থাকবেন, বাংলা হিরো ছিল হিরো থাকবে।

 

যত‌ই এজেন্সি লাগান বাংলার মানুষ আপনাদের ধিক্কার জানায়।‌ লজ্জা লজ্জা লজ্জা।

 

ডবল ইঞ্জিন সরকারে দিকে তাকিয়ে দেখুন, দিল্লির দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনার দিকে আঙুল তুলে মানুষ বলবে জানেইনা কিস্যু।

 

অনুপ্রবেশ ইস্যু

 

এ রাজ্যের ভোটার তালিকায় যদি অনুপ্রবেশকারীরাই থাকে, তবে সেই তালিকায় ভোট দিয়ে কীভাবে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হন? আপনার প্রধানমন্ত্রী তাহলে কেন পদত্যাগ করছেন না? তার মানে তিনিও অনুপ্রবেশকারীর ভোটেই জিতেছেন। আপনার গভর্নমেন্ট তৈরি হয়েছে, আপনি এটা বলতে চান? প্লিজ কন্ট্রোল ইওরসেলফ ফার্স্ট। চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম। অনুপ্রবেশকারী শব্দটি কোথা থেকে এসেছে? যাদের ১৮ বছর বয়স, তারা ভোটাধিকার পাবেন না? আপনারা বলছেন ৭০ পার্সেন্ট বেড়েছে। ম্যাজিশিয়ান নাকি? কী করে এই তথ্য পেল, জানি না। বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার করা হচ্ছে অন্যান্য রাজ্যে, তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? এখন এসআইআর চলছে, মানুষের পাশে থাকতে হয়। আপনারা বড় বড় কথা বলছেন বর্ডার নিয়ে। আপনাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে বাইরে থেকে কেউ আসলে কাস্টমস, অ্যাভিয়েশন, তারা তাদের ডিটেলসটা পুলিশকে শেয়ার করত, আমরা ব্যবস্থা নিতাম। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বারবার বলেছি। তবুও দেয়নি।

ন্যাশনাল লাইব্রেরীতে পেগাসাস

কাকে জমি দিইনি? আপনারা বাংলা দখল করতে চান। যে জমি দেওয়া হয়েছে, সেখানে কাজ শেষ করুন। জমি নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। রাজ্য জমি দিচ্ছে আর সেখানে ন্যাশনাল লাইব্রেরির মত জায়গাতে পেগাসাস বসিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে। জাতীয় গ্রন্থাগারে পেগাসাস লাগিয়েছেন, অনুপ্রবেশের কথা বলছেন?

 

বাজেট প্রসঙ্গে

 

রাজ্যপাল বলেছেন বাংলা এক নম্বরে। দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে তাঁর ফ্লাইট ছিল, তাই তিনি পুরো ভাষণ শেষ করতে পারেননি।

 

রাজ্যপাল যা বলেছেন, অতীব সত্য কথা। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের মতো রাজ্যপালের ভাষণ মন্ত্রিসভায় পাশ করাই। আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলাম। আমি নিয়মটা জানি।

 

ভোট আসছে বলে অনেক কিছু বললাম, আর পরে করলাম না—এটা আমরা করি না। কথা দিলে কথা রাখি। আগেও ভোটের মুখে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা রক্ষা করেছি। এটা মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত।

 

শত বঞ্চনা সত্ত্বেও আমরা আর্থিক শৃঙ্খলা ভাঙিনি। এফআরবিএম-এর সব নিয়ম মেনেই রাজ্য চালাচ্ছি। অথচ কেন্দ্র নিজেরাই সেই নিয়ম মানে না।

 

এত বঞ্চনা সত্ত্বে যা বাজেট হয়েছে, আমরা মনে হয় বাংলার মানুষের গর্ব করা উচিত।

 

এত দিন রাজ্যে ৯৪টি প্রকল্প ছিল। আজ মনে হয় আরও পাঁচ-ছ’টি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছে। সুতরাং সেঞ্চুরি হয়ে গেল।

 

বাংলা যা পারে, অন্য কেউ পারে না। টাকা কোথায়? টাকা কি উড়ে গেল?

 

আমরা ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাই। আমাদের বঞ্চনা করা হয়েছে। বাংলাকে কিছু দেওয়া হয়নি।

 

পাঁচ বছর ধরে একশোর দিনের কাজে টাকা বন্ধ, যদিও পরপর পাঁচ বছর আমরা একশোর দিনে ভারতের প্রথম হয়েছিল।

 

গ্রামীণ আবাস যোজনাতেও পাঁচ বছর আমরা প্রথম হয়েছিলাম। গ্রামীণ রাস্তা, সেটাও বন্ধ।

 

এমনকী সর্বশিক্ষা মিশনের টাকাও বন্ধ। শিক্ষাক্ষেত্রে এই বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা কমিয়ে দিয়েছে।

 

আমাদের টাকায় আমরা বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ করেছি। বারবার টাকা চেয়ে গলা শুকিয়ে গেছে। আমাদের কথা শোনেননি। ১৫০০ কোটি টাকা ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে দিয়েছি।

 

জিএসটি-র টাকা আমরা পাই। আপনারা আমাদের টাকা দেন না।

 

ওদের সব শুয়োরানি। আর আমরা সব দুয়োরানি। বাংলা মানেই হামলা, জুমলা। আর বাংলার খালি নাম কাটো।

 

রাজ্যপালের সিকিউরিটি আমাকে ঢুকতে দিচ্ছে না। ওদের নেতাদের পেছনে কত নিরাপত্তা রক্ষী। কত পুলিশের গাড়ি। এরা সীমান্তে পাহারা দিতে পারত।

 

লক্ষ্মীর ভান্ডার কি কম হল নাকি? অন্য রাজ্যের মত সাইকেল, স্কুটার না থাকলে পাবে না আমরা এমন নয়।

 

বিহারে ১০ হাজার দিয়ে পরে বুলডোজার চালিয়েছিল। আমরা ইউনিভারসাল, ওরা কনট্রোভারসিয়াল।

 

যারা কাজ করে, তারা ঢাক পেটায় না। আর যারা কাজ করে না, তারাই শুধু ঝুট বলে।

 

কেন্দ্রের রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের বেকারত্ব ৪৫.৬৫ শতাংশ কমেছে। ১ কোটি ৭২ লক্ষের থেকে বেশি মানুষকে দারিদ্রসীমার বাইরে বার করে এনেছি।

২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে মাধ্যমিক পাশ বেকারদের পাঁচ বছরের জন্য আমরা ১৫০০ টাকা করে দেব। তাঁরা যে স্কলারশিপ পান, তা যেমন ছিল তেমনই থাকবে।

 

ডিএ রায় প্রসঙ্গে

রায়ের কপি এখনও আমরা হাতে পাইনি। সেটা পড়ে দেখতে হবে। রায় নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। যে কমিটি গড়ার কথা বলা হয়েছে, তাতে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিরা আছেন। পশ্চিমবঙ্গের কোনও প্রতিনিধি নেই। আমরাও মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিঠি গঠন করেছি। তাঁদের মতামত অনুযায়ী কাজ করব। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলব। আর কোনও রাজ্যে পেনশন দেওয়া হয় না। পশ্চিমবঙ্গে যা পাওয়া যায়, আর কোথাও পাওয়া যায় না। পেনশন বন্ধ করে দিলে আমার অনেক টাকা বেঁচে যেত। কিন্তু যাঁরা পেনশনের উপর নির্ভরশীল, তা হলে তাঁরা কী করবেন?

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে

ওইদিন ২৬ জানুয়ারি ছিল। আগে থেকেই অনেক কর্মসূচি থাকে। সারাদিন ব্যস্ততা থাকে। সবাই জানেন। রাতে রাজ্যপালের ওখানে কর্মসূচি থাকে। আমি না গেলেও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে স্থানীয় বিধায়ক এবং অন্যরা গিয়েছেন। পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

 

আজকের খবর