ব্রেকিং
Latest Posts
দার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুরDilip Ghosh Bulldozer : ‘৪ তারিখের পর এখানে থাকতে পারবে? খুব খারাপ সময় আসছে, বুলডোজার চলবে’ তৃণমূল কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Banerjee Gosaba : ‘গোসাবার ভাইদের বলব, আগামী একমাস বিকর্ণ নস্করকে দিয়ে লুচি ভাজাবেন, চুল কাটাবেন, দাড়ি কাটাবেন’ গোসাবার বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ অভিষেকের

Abhishek Banerjee Gosaba : ‘গোসাবার ভাইদের বলব, আগামী একমাস বিকর্ণ নস্করকে দিয়ে লুচি ভাজাবেন, চুল কাটাবেন, দাড়ি কাটাবেন’ গোসাবার বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ অভিষেকের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘আপনারা দেখছেন বিজেপির প্রার্থী হয়ে কেউ বাড়িতে গিয়ে দাড়ি কেটে দিচ্ছে, কেউ চুল কেটে দিচ্ছে, কেউ লুচি ভেজে দিচ্ছে। আমি গোসাবার ভাইদের বলব, আগামী একমাস কারও চুল-দাড়ি কাটানোর প্রয়োজন নেই। বিকর্ণ নস্করকে (বিজেপি প্রার্থী) দিয়ে....

Abhishek Banerjee Gosaba : ‘গোসাবার ভাইদের বলব, আগামী একমাস বিকর্ণ নস্করকে দিয়ে লুচি ভাজাবেন, চুল কাটাবেন, দাড়ি কাটাবেন’ গোসাবার বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ অভিষেকের

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Banerjee Gosaba : ‘গোসাবার ভাইদের বলব, আগামী একমাস বিকর্ণ নস্করকে দিয়ে লুচি ভাজাবেন, চুল কাটাবেন, দাড়ি কাটাবেন’ গোসাবার বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ অভিষেকের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘আপনারা দেখছেন বিজেপির প্রার্থী হয়ে কেউ বাড়িতে গিয়ে দাড়ি কেটে দিচ্ছে,....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

‘আপনারা দেখছেন বিজেপির প্রার্থী হয়ে কেউ বাড়িতে গিয়ে দাড়ি কেটে দিচ্ছে, কেউ চুল কেটে দিচ্ছে, কেউ লুচি ভেজে দিচ্ছে। আমি গোসাবার ভাইদের বলব, আগামী একমাস কারও চুল-দাড়ি কাটানোর প্রয়োজন নেই। বিকর্ণ নস্করকে (বিজেপি প্রার্থী) দিয়ে কেউ লুচি ভাজাবেন, কেউ চুল কাটাবেন, কেউ দাড়ি কাটাবেন। কারণ ভোটের পর অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও আর এঁদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ এভাবেই রবিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থীর সুব্রত মন্ডল এর সমর্থনে নির্বাচনে জনসভার মঞ্চ থেকে বিজেপি প্রার্থী বিকর্ণ নস্করকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

এলাকার মহিলাদের উদ্দেশে তাঁর নিদান, “বিজেপির প্রার্থীরা ভোট চাইতে গেলে মায়েদের বলব, ঝাঁটাটা হাতে ধরিয়ে দিয়ে ঘরদোর পরিষ্কার করাবেন।” বিরোধীদের কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অভিষেক আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, আগামী মাসের ৫ তারিখের পর এতোক্ষণে বিরোধীদের ‘ভোকাট্টা’ দশা হবে। তাঁর দাবি, সুখে-দুঃখে তৃণমূলের কর্মীরাই সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সবশেষে চেনা স্লোগান তুলে তিনি বলেন, “শীত গ্রীষ্ম বর্ষা, তৃণমূল কংগ্রেসই ভরসা। এর কোনও বিকল্প নেই।”

 

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের দিলীপ মণ্ডলের কাছে অগ্নিশ্বর নস্করের হারের প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বলেন, “এক ছাত্র পরীক্ষায় দু’বার ফেল করলে তাকে আর স্কুলে রাখা হয় না। ২০২১ সালে একবার ফেল করেছে, আবার ২০২৬-এ ফেল করবে। তারপর তাকে এই ডায়মন্ড হারবারের মাটি থেকে চিরতরে বিদায় করতে হবে।”

 

আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে ঐতিহাসিক ব্যবধানে হারানোর ডাক দিয়ে তিনি বলেন, “এমনভাবে জবাবটা দিতে হবে যাতে সাতগাছিয়া এবং ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী খোঁজার আগে বিজেপি অন্তত ১০০ বছর ভাবে।”

 

রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি এদিন সাংসদ হিসেবে নিজের কাজের খতিয়ানও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আপনাদের সর্বক্ষণের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করেছি।” এই প্রসঙ্গে তিনি ‘কল্পতরু’, ‘শ্রদ্ধার্ঘ্য’, ‘সেবাশ্রয়’-এর মতো সামাজিক উদ্যোগের কথা মনে করিয়ে দেন। পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে রাস্তাঘাট, আমতলায় বাস টার্মিনাস, প্রেক্ষাগৃহ এবং ৫৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ডোবারিয়া-২ জল প্রকল্পের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।

 

রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে তাঁর লোকসভা এলাকার উন্নয়ন যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, সে কথাও এদিনের সভা থেকে স্পষ্ট করেন তৃণমূল সেনাপতি। জোর গলায় তিনি দাবি করেন, “উন্নয়নের কোনও ত্রুটি আমরা রাখিনি। আমি গর্ব করে বলতে পারি, সাতগাছিয়া, বজবজ, ফলতা, ডায়মন্ড হারবার এবং মহেশতলার মতো বিধানসভায় যে কাজ হয়েছে, তা বাংলার আর কোনও বিধানসভায় হয়নি।”

 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ডায়মন্ড হারবারের মতোই কাজের ক্ষেত্রেও সাতগাছিয়া এক নম্বর হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলেছিলাম জয়ের ব্যবধানে ডায়মন্ড হারবারের সাতগাছিয়াকে এক নম্বর করুন, কাজের ব্যবধানেও আমরা এক নম্বর করবো। আমি আমার কথা রেখেছি। যেখানে যা প্রয়োজন হবে, আমরা আছি।”

তিনি আরও বলেন, “গত দুই বছরে এলাকায় দুশোর বেশি রাস্তা নির্মাণে ৮০ কোটির বেশি টাকা ব্যয় করেছে রাজ্য সরকার। অভিষেকের বক্তব্যে শাসক দলের উন্নয়নমূলক কাজের পরিসংখ্যান উঠে আসে। বিরোধীদের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, “যদি প্রমাণ করতে পারে গরিব মানুষের জন্য পাঁচ পয়সা দিয়েছে, জব কার্ড হোল্ডারদের ১০০ দিনের কাজের জন্য পাঁচ পয়সা দিয়েছে, আমি রাজনীতির আঙিনায় পা রাখবো না।”

 

আজকের খবর