ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • CP on Kasba Lathicharge : “কখনও কি আশা করা যায়, একজন শিক্ষক এভাবে পুলিশকে মারবে!” কসবায় পুলিশ শিক্ষক সংঘর্ষে পুলিশ কর্মীর লাথি ও লাঠিচার্জের প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা পুলিশ কমিশনারের

CP on Kasba Lathicharge : “কখনও কি আশা করা যায়, একজন শিক্ষক এভাবে পুলিশকে মারবে!” কসবায় পুলিশ শিক্ষক সংঘর্ষে পুলিশ কর্মীর লাথি ও লাঠিচার্জের প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা পুলিশ কমিশনারের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “এটা শিক্ষকদের কর্মসূচি। আপনি এই কর্মসূচি নিয়ে কতদূর ভাবতে পারবেন, শিক্ষকরা কী করতে পারেন? সেই ভাবেই পুলিশের তরফ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কেউ ভাবতেও পারেননি, শিক্ষকরা ওখানে গিয়ে হিংসা ছড়াবেন, মারধর করবেন, এটা কখনই আশা করা....

CP on Kasba Lathicharge : “কখনও কি আশা করা যায়, একজন শিক্ষক এভাবে পুলিশকে মারবে!” কসবায় পুলিশ শিক্ষক সংঘর্ষে পুলিশ কর্মীর লাথি ও লাঠিচার্জের প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা পুলিশ কমিশনারের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • CP on Kasba Lathicharge : “কখনও কি আশা করা যায়, একজন শিক্ষক এভাবে পুলিশকে মারবে!” কসবায় পুলিশ শিক্ষক সংঘর্ষে পুলিশ কর্মীর লাথি ও লাঠিচার্জের প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা পুলিশ কমিশনারের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “এটা শিক্ষকদের কর্মসূচি। আপনি এই কর্মসূচি নিয়ে কতদূর ভাবতে পারবেন, শিক্ষকরা কী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

“এটা শিক্ষকদের কর্মসূচি। আপনি এই কর্মসূচি নিয়ে কতদূর ভাবতে পারবেন, শিক্ষকরা কী করতে পারেন? সেই ভাবেই পুলিশের তরফ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কেউ ভাবতেও পারেননি, শিক্ষকরা ওখানে গিয়ে হিংসা ছড়াবেন, মারধর করবেন, এটা কখনই আশা করা যায় না। তালা লাগানোর কর্মসূচি ছিল, কিন্তু তালা লাগানো হয়নি, তালা ভাঙা, সেটা সম্পূর্ণই ভিন্ন জিনিস।” কসবাতে ডিআই অফিস অভিযানে গিয়ে চাকরিহারা শিক্ষকরা যেভাবে গুন্ডামির পরিচয় দিয়েছে এবং পুলিশকে আক্রমণ করেছে তার জন্য পুলিশ কর্মীদের বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে বলে তথ্য-প্রমাণ সহযোগে ব্যাখ্যা দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।
সিপি-র বক্তব্য, শিক্ষকদের তরফেই আগে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। কসবায় শিক্ষকদের ওপর পুলিশি লাঠিচার্জ, লাথি মারার অভিযোগে সোচ্চার বাংলা। সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই নিয়ে মুখ খুলছেন। কীভাবে চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ওপর এহেন পদক্ষেপ করতে পারে পুলিশ, প্রশ্ন উঠতে থাকে। কিন্তু সিপি-র বক্তব্য, হামলা আগে হয়েছে পুলিশের ওপরেই। কীভাবে? সেই হামলা কতটা ভয়ঙ্কর, তারও ব্যাখ্যা দিলেন সিপি।

সিপি বলেন, “যাঁর বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ আসছে, তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট দেখলে ভাল হত। কী রকম ইনজুরি ওর রয়েছে, শিক্ষকরা পুলিশকে মারবে, এরকমটা কেউ কখনও ভাবেনি। তবু মারা হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মী তিন দিন হাসপাতালে ছিলেন। চিকিৎসক ওকে বাড়ি পাঠিয়েছে। ১৪ দিন বেড রেস্ট, তারপর এমআরআই হবে। ও কবে ঠিকভাবে হাঁটতে পারবে, সেটা তো পরের প্রশ্ন, কিন্তু বিষয় হল কখনও কি আশা করা যায়, একজন শিক্ষক এভাবে পুলিশকে মারবে!”
পুলিশের লাথি মারার তীব্র চর্চা হচ্ছে, পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিশেষণ যোগ্য করে বিঁধা হচ্ছে, কিন্তু সে সবের উর্ধ্বে পুলিশের সঙ্গে কী হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিলেন সিপি। তবুও পুলিশের লাথি মারার বিষয়টি কখনই কাম্য নয় বলেই জানিয়েছেন সিপি। যাতে ভবিষ্যতে না হয়, তার জন্য বিভাগীয় পদক্ষেপও করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সেটি যে কেবল এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, তা নয়, সিপির বক্তব্য, “কীভাবে পুলিশ আরও বেশি সহনশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলায়, তা দেখতে বলেছি। আরজিকরের পর পুলিশকে অনেক ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভুল হতেই পারে, কিন্তু সেটা যাতে পুনরায় না হয়, প্রত্যেক মাসে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়।”
পাশাপাশি পুলিশকর্মীরা যেভাবে আক্রান্ত হয়েছেন সেই বিষয়টি তুলে ধরে পুলিশ কমিশনার বলেন, “যে পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে লাথি মারার অভিযোগ রয়েছে, ওর আঘাত বুকে, কানে চড় মারা হয়েছে। ইয়ার ড্রাম যদি ইনজুরি হত, তাহলে কে দায়ী থাকত? চশমা ভেঙে গিয়েছে, যদি কাচ চোখে ঢুকে যেত, তাহলে দায় কে নিত। সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক, পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলা হচ্ছে, বিশেষণ সহকারে বলা হচ্ছে… কিন্তু পুলিশকে আঘাত যাঁরা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে একটাও কথা বলা হচ্ছে না। পুলিশের প্রধান হিসাবে এই গোটা বিষয়টি আমার কাছে একদমই গ্রহণযোগ্য নয়।”
কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি (অপরাধ) রূপেশ কুমার ”শিক্ষকদের অভিযান থেকে আগে অশান্তি করা হচ্ছিল। ওরা পুলিশের প্রথম, দ্বিতীয় ব্যারিকেড ভাঙে, পুলিশকেও আক্রমণ করে। আমাদের এক অফিসার আহত হন। এরপর পুলিশ আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগ করেছে। আপনারাও ভিডিও দেখেছন। ভালো করে দেখলে বোঝা যাবে, পুলিশ আগে কারও উপর কোনও মারধর করেনি। পুলিশকে প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে।”
সামগ্রিকভাবে সিপি মনোজ ভার্মা দাঁড়িয়েছেন এসআই রিটন দাসের পাশে। ভাইরাল ভিডিওয় যাঁকে শিক্ষককে লাথি মারতে দেখা গিয়েছিল বলে দাবি চাকরিহারাদের। সাংবাদিক বৈঠকে সিপির বক্তব্য, ”শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে এসে পুলিশের উপর আক্রমণ করবেন, পুলিশকে মারবেন, তা কখনও কাম্য নয়। ভিডিওয় শোনা গিয়েছে, একজন বলছেন পেট্রল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার কথা। আগে আমাদের অফিসার আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি হাসপাতালে ভর্তি, নানা শারীরিক পরীক্ষা চলছে। কবে উঠে দাঁড়াতে পারবেন, জানা নেই। তাছাড়া সেদিনের বিক্ষোভে বহিরাগতরা ছিলেন। আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। তদন্ত চলছে। সব সত্য উঠে আসবে।”

আজকের খবর