শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।
কোচবিহারের পর এবার বারাসত। ফের শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে! রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কন্যা সুরক্ষা যাত্রাকে ঘিরে ধন্দুমার কাণ্ড বারাসতে। ভাঙচুর তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি’র অফিস। অভিযোগের তীর মিছিলে আগত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। বুধবার বারাসতের নওপাড়া কালীবাড়ির মাঠ থেকে কন্যা সুরক্ষা যাত্রার সূচনা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সেই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। মিছিল কলোনি মোড় থেকে বারাসত রেল ব্রিজ পার করে চাঁপাডালি মোড়ে আসতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। বিজেপির অভিযোগ আইএনটিটিইউসির অফিস থেকে মিছিলের ওপরে হামলা ও কটুক্তি চালানো হয়। এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বারাসত চাঁপাডালি মোড়ে পৌঁছতেই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, ‘‘কোচবিহারে যেটা করতে পারেনি তৃণমূল, সেটাই এখানে করার চেষ্টা করেছে। তিন-চার জনের একটি দল শুভেন্দু অধিকারীকে মারার চেষ্টা করে। পুলিশের সামনেই ঘটনাগুলি ঘটলেও তারা কার্যত নীরব দর্শক ছিল।’’
তার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা হামলা শুরু করে। অন্যদিকে ,তৃণমূলের অভিযোগ মিছিল থেকে উদ্দেশ্যে প্রমাণিত ভাবে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা শুভেন্দু অধিকারীর প্ররোচনায় তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের অফিসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর চালায়। ছিঁড়ে ফেলে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত পোস্টার ও ব্যানার। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মিছিল শেষ হয় টাকি রোড সংলগ্ন শতদল ময়দানে। সেখানে শুভেন্দু, জনসভায় বক্তৃতা করেন।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আজকের কর্মসূচি বানচাল করার জন্য তৃণমূল সব রকম চেষ্টা করেছে। মানুষ এবার ঠিক করে নিয়েছে, তৃণমূলকে উৎখাত করতে হবে। ট্রেড ইউনিয়নের ছত্রছায়ায় যে গুন্ডাগিরি চলছে, তা এবার আর বরদাস্ত করা হবে না।’’ প্রসঙ্গত, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার কোচবিহারের ঘোকসাডাঙার খাগড়াবাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।