কলকাতা সারাদিন প্রতিবেদন।
খড়দহে মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনায় সোনারপুর দক্ষিণের নির্দল প্রার্থীকে সোনারপুর থেকে গ্ৰেফতার করল খড়দহ থানার পুলিস। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সোনারপুরের বাসিন্দা আইনজীবী রাহুল দাসের বিরুদ্ধে।
রাহুল দাস সোনারপুর দক্ষিণের অখন্ড করনি পার্টির মনোনীত নির্দল প্রার্থী। খড়দহ থানায় মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই গোপন অভিযান চালিয়ে সোনারপুর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল খড়দহ থানার পুলিস। ৬ দিনের পুলিস হেফাজত চেয়ে বারাকপুর আদালতে পাঠিয়েছে খড়দহ থানার পুলিস।
খড়দহ এলাকায় এক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা আইনজীবীকে গ্রেফতার করল পুলিস। ধৃতের নাম রাহুল দাস। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরের বাসিন্দা এবং আসন্ন নির্বাচনে সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ‘অখণ্ড করনি পার্টি’ মনোনীত নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, খড়দহ থানার অন্তর্গত এক মহিলার সঙ্গে রাহুল দাসের পরিচয় হয়েছিল। অভিযোগ, ওই মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাস করেন রাহুল। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের কথা উঠলে তিনি বেঁকে বসেন এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেন। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে ওই মহিলা খড়দহ থানায় রাহুল দাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মহিলার অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে খড়দহ থানার পুলিস তদন্তে নামে। অভিযুক্ত রাহুল দাস পেশায় একজন আইনজীবী হওয়ায় এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তাঁকে ধরা পুলিসের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল।
বুধবার খড়দহ থানার একটি বিশেষ দল দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরে গোপন অভিযান চালায়। সেখান থেকেই অভিযুক্ত নির্দল প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজই রাহুল দাসকে উত্তর ২৪ পরগণার বারাকপুর আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে এবং ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে পুলিস ধৃতকে ৬ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। পুলিস দেখতে চাইছে এই ঘটনার পেছনে আর কোনও ব্ল্যাকমেলিং বা অন্য কোনও অভিসন্ধি ছিল কি না।

নির্বাচনের মুখে এক নির্দল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতারি ঘিরে সোনারপুর এবং খড়দহ—উভয় এলাকাতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।