u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
TMC Logo freezed : তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন, তৃণমূল নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না মমতা ও ঋতব্রত কেউTMC Logo বিতর্ক: ‘সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক?’ ঋতব্রতকে নিশানা কল্যাণের, তৃণমূলের প্রতীক freeze কমিশনেরSuvendu Annapurna : ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ির মালিক হবেন মহিলারাই, প্রত্যেক বছর ১৭ সেপ্টেম্বর অন্নপূর্ণা দিবস’ ঐতিহাসিক ঘোষণা শুভেন্দুরModi on Annapurna : ‘বিজেপির মূলমন্ত্র ছিল কথা কম, কাজ বেশি, অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা সেই ভাবনাচিন্তা থেকেই’ জন্মদিনে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরনবান্নে ইতি? মহালয়ার আগেই মহাকরণে ফিরছেন শুভেন্দু, প্রথম দফায় সঙ্গে ৫ মন্ত্রী
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Suvendu in Target : জঙ্গি নিশানায় শুভেন্দু, শুভেন্দুর উপর হামলা চালাতে বাংলায় এসে গ্ৰেফতার জইশ জঙ্গি

Suvendu in Target : জঙ্গি নিশানায় শুভেন্দু, শুভেন্দুর উপর হামলা চালাতে বাংলায় এসে গ্ৰেফতার জইশ জঙ্গি

বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার কাশ্মীর-যোগ সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তকারীদের দাবি—মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে মুখ খুললেন শুভেন্দু। শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ঘিরে বড়সড় উদ্বেগ। বর্ধমান (Burdwan) থেকে গ্রেপ্তার হওয়া এক জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) যোগ সন্দেহভাজনের কাছ থেকে....

Suvendu in Target : জঙ্গি নিশানায় শুভেন্দু, শুভেন্দুর উপর হামলা চালাতে বাংলায় এসে গ্ৰেফতার জইশ জঙ্গি

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Suvendu in Target : জঙ্গি নিশানায় শুভেন্দু, শুভেন্দুর উপর হামলা চালাতে বাংলায় এসে গ্ৰেফতার জইশ জঙ্গি

বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার কাশ্মীর-যোগ সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তকারীদের দাবি—মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে মুখ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার কাশ্মীর-যোগ সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তকারীদের দাবি—মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য উদ্ধার। জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে মুখ খুললেন শুভেন্দু।

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ঘিরে বড়সড় উদ্বেগ। বর্ধমান (Burdwan) থেকে গ্রেপ্তার হওয়া এক জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) যোগ সন্দেহভাজনের কাছ থেকে এমন কিছু তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি, যা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-র গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

এই ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ভিভিআইপি সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এখনও তদন্ত চলছে এবং কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হয়নি, তবু উদ্ধার হওয়া নথি ও ডিজিটাল তথ্য ঘিরে গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

 

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃতের নাম হামিদ মণ্ডল (Hamid Mondal)। তাকে বেঙ্গল এসটিএফ (Bengal STF) বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গে পরিচয় গোপন করে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি তিনি বর্ধমানে এসে একটি আবাসনে থাকছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ধৃতের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস থেকে মুখ্যমন্ত্রীর যাতায়াত, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু তথ্য এবং গতিবিধি সম্পর্কিত নথি উদ্ধার হয়েছে। এসব তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

তদন্তকারীদের আরও দাবি, ধৃতের সঙ্গে সীমান্তের বাইরে থাকা কিছু যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্ক এবং আইএসআই-যোগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং সরকারি ভাবে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠছে, এই তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য কী ছিল? মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে কোনও হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, নাকি অন্য কোনও নাশকতার ছক ছিল—এই দুই দিকই খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। তদন্তকারী সংস্থা এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত মন্তব্য করেনি।

এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজেও সতর্ক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। আমি এখন কোনও মন্তব্য করব না। আগামীকাল এসটিএফ বিস্তারিত জানাবে। এটি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়। শুধু আমি নই, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও এই স্ক্যানারে ছিলেন।”

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বিষয়টির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কারণ তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত একটি সংবেদনশীল তদন্ত।

 

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও ভিভিআইপি-র গতিবিধি সম্পর্কিত তথ্য যদি অসৎ উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়ে থাকে, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না বলেও তাঁদের মত।

এদিকে ধৃতকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে তদন্তকারী সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি ধৃতের সম্ভাব্য সহযোগী বা যোগাযোগের নেটওয়ার্কও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনও বহু তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ফলে এসটিএফ-এর আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক বৈঠকের দিকেই এখন নজর সবার।

ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্যের রহস্য কতটা গভীর? সত্যিই কি বড় কোনও হামলার ছক ছিল, নাকি তদন্তে সামনে আসবে অন্য ছবি? সেই উত্তর মিলতে পারে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই।

আজকের খবর