TMC Logo : “ও সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক হবে? সিম্বলের জন্ম ও দেয়নি” ঋতব্রতর বিরুদ্ধে দাবি কল্যাণের, রায় কমিশনের
শৌভিক তালুকদার। কলকাতা সারাদিন।
“ভারতের একমাত্র রাজনীতিক, যাঁকে দুটি রাজনৈতিক দল বহিস্কার করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পার্টি তৈরি করেছে। ও সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক হবে? সিম্বলের জন্ম ও দেয়নি।” এভাবেই আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই তৃণমূলের নাম ও প্রতীক থাকা উচিত বলে যাবতীয় নথিপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের স্বপক্ষে তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক ব্যবহারের দাবি জানিয়ে বৈঠক থেকে বেরোনোর পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের বক্তব্য আমরা বলেছি। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। প্রতীক নিয়ে কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। আমরা আশাবাদী যে রায় আমাদের পক্ষেই যাবে। কমিশন কী করবে সেটা বলেনি। আমরা তো আর কমিশনকে বলতে পারি না কিছু। ভরসা রাখতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে কী কথা হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে ঋতব্রত স্পষ্ট বলেন, কমিশনে কী কথা হয়েছে বলব না।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই যে তৃণমূলের প্রকৃত নাম এবং প্রতীক থাকা উচিত তার স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে কল্যাণ বলেন, “আমাদের সংবিধান অনুযায়ী আগে বুথ লেবেল নির্বাচন হবে, তারপর অঞ্চল, এরপর ব্লক, এরপর জেলা, এরপর স্টেট। সেখান থেকে কলেজিয়াম হয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন হওয়ার কথা। ওরা যে দাবি করছে বাইশে জুন অধিবেশন হয়েছে, এই বাকি নির্বাচনগুলো কোথায় হয়েছে? আমরা সাংসদ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মেয়ে মাসে এবং জুন মাসে যে দুটি বৈঠক হয়েছে সেই দুটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। নির্বাচন করতে গেলে আমাদের কাছে নোটিস আসার কথা ছিল। কোথায় সেটা?”

পাশাপাশি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আজ নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, পার্টির নাম প্রতীক নিয়ে শুধু উপ নির্বাচনের জন্য কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ নয়, চূড়ান্ত নির্দেশ দিক জাতীয় নির্বাচন কমিশন।