u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
Suvendu Nandigram : “চন্দ্রনাথ খুনের নেপথ্যে রয়েছে ভাইপো গ্যাং, শার্প শুটারদের ২ কোটি টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল” বিস্ফোরক শুভেন্দুSamik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যেরSuvendu Bengal Industry : বাংলায় বিপুল বিনিয়োগ, আম্বানি আদানি থেকে শুরু করে Style Baazar-এর বিনিয়োগ শুভেন্দুর বাংলায়কলকাতায় বেআইনি বহুতল নির্মাণে কোটি কোটি কালো টাকার অভিযোগ, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের৩৫০০ বছরের রহস্য ফাঁস! সিনাই মরুভূমির বালির নিচে মিলল মিশরের হারানো সামরিক দুর্গ, চাঞ্চল্য প্রত্নতত্ত্ব মহলে
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Samik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যের

Samik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি!” এভাবেই কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ এনসিপিআই সাংসদ সহ পুজোর আগেই বিজেপিতে যোগদানের দাবির প্রেক্ষিতে তীব্র ব্যঙ্গ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আজ সকালেই....

Samik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যের

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Samik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি!” এভাবেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

“ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি!” এভাবেই কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ এনসিপিআই সাংসদ সহ পুজোর আগেই বিজেপিতে যোগদানের দাবির প্রেক্ষিতে তীব্র ব্যঙ্গ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আজ সকালেই কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বসুনিয়া দাবি করেন, “তৃণমূল ছেড়ে বেরোনো ২০ জন সাংসদের মধ্যে অন্তত ১৭ জন দুর্গাপুজোর আগে বা তার পরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেবেন। তবে তিন সংখ্যালঘু সাংসদ— আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান সরাসরি বিজেপিতে যোগ না দিয়ে এনসিপিআই-তেই থেকে এনডিএ-কে সমর্থন করবেন।”

 

জগদীশের আরও দাবি ছিল, দলত্যাগ বিরোধী আইনি জটিলতা এড়াতেই শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্বের পরামর্শে তাঁরা কৌশলগত ভাবে প্রথমে এনসিপিআই গঠন করেছিলেন।

কিন্তু ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটের বিজয়ী জগদীশ বসুনিয়া সহ এনসিপিআই সাংসদরা রাতারাতি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই রাজ্যজুড়ে বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল অসন্তোষ। এখনো পর্যন্ত সংসদে খাতায়-কলমে তৃণমূলের সাংসদ হিসেবে থাকা এই ১৭ জনকে বিজেপিতে যোগদান করানো নিয়ে সরাসরি নিজেদের অসন্তোষের কথা জানাতে শুরু করেন রাজ্যের একাধিক বিজেপি নেতা ও বিধায়ক।

 

এরপরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে আসরে নামেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “যে কেউ যখন তখন বিজেপিতে যোগদান করতে চাইবেন আর তাকে বিজেপি নিয়ে নেবে এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কী হয়েছিল এটা ভুললে চলবে না। তাই আজ বিজেপিতে যোগদান করতে চাইবেন আর বিজেপি নিয়ে নেবে এটা হবে না। উনি ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বিজেপি তাঁকে নেবে কি না, সেটা বিজেপির ব্যাপার। যাঁরা ২০২১ সালের ২ মে-র পর ২৭ দিনে ৫৬ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করেছে, ২০০ জন বিজেপি মহিলা কর্মীকে গণধর্ষণ করেছে, জেসিবি দিয়ে বাড়ি ভাঙা, থুতু ফেলে চাটানো, মাথা কামিয়ে দেওয়া, জরিমানা নিয়ে বাড়ি ফেরানো, অটো-টোটো স্ট্যান্ড থেকে ছেলেদের বার করে দেওয়া-এগুলো বিজেপি ভুলে যায়নি। সুতরাং, বিজেপির পতাকা হাতে নিলেই যে সমস্ত পাপ মুছে যাবে, সেটা মনে করার কোনও কারণ নেই। আর যে বিজেপিতে যোগদান ওঁরা করতে চাইছেন সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি। সেই সঙ্গে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে দলের অবস্থান জানিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই মুহূর্তে কেউ তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে না, অদূর ভবিষ্যতেও করবে না। মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অত্যাচার মানুষ ভুলে যায়নি। এখন একটা কিছু সাংসদ মিলে একটা নতুন দল তৈরি করেছে। তারা এনডিএ-কে সমর্থন করেছে, আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু কেউ বিজেপিতে আসছে না।”

অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার কোচবিহারের সাংসদের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, “জগদীশ বসুনিয়া কী বলছেন তা নিয়ে তো বিজেপি চলবে না। তবে বিজেপি-র পক্ষ থেকে এরকম খবর থাকলে আপনাদের জানানো হত। দলত্যাগ বিরোধী আইন এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও প্রযোজ্য হবে, বিজেপি-তে যোগ দিলেও প্রযোজ্য হবে। আর কোনও সাংসদের যোগদানের বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।”

 

 

আজকের খবর