ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Bengal Industry Policy : পশ্চিমবঙ্গের নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিক সভাগুলির সঙ্গে বৈঠক নবান্নে

Bengal Industry Policy : পশ্চিমবঙ্গের নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিক সভাগুলির সঙ্গে বৈঠক নবান্নে

Bengal Industry Policy: নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিকসভাগুলির সঙ্গে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের শিল্প এবং বিনিয়োগ আনার জন্য ঘোষণা করা হবে....

Bengal Industry Policy : পশ্চিমবঙ্গের নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিক সভাগুলির সঙ্গে বৈঠক নবান্নে

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Bengal Industry Policy : পশ্চিমবঙ্গের নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিক সভাগুলির সঙ্গে বৈঠক নবান্নে

Bengal Industry Policy: নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিকসভাগুলির সঙ্গে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সুহানা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

Bengal Industry Policy: নয়া শিল্পনীতির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে শিল্পপতি ও বণিকসভাগুলির সঙ্গে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের শিল্প এবং বিনিয়োগ আনার জন্য ঘোষণা করা হবে নয়া শিল্পনীতি। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তৈরি হয়েছে শিল্প বিষয়ক বিশেষ মন্ত্রীগোষ্ঠী।

 

রাজ্যের সেই বিশেষ মন্ত্রীগোষ্ঠী নবান্ন সভাগরে দীর্ঘ বৈঠক করল দেশের প্রথম সারির শিল্পপতি এবং বণিক সভা গুলির সঙ্গে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়, শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং, রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ, মুখ্য সচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সচিব এবং উচ্চপদস্থ ও আধিকারিকরা।

 

রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি তৈরির আগে এমন খোলামেলা আলোচনা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে জানান শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। যাঁরা শিল্প গড়বেন, তাঁদের সমস্যার কথা তাঁদের মুখ থেকেই শোনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। শিল্পমন্ত্রী এদিন বলেন, সবটাই পজিটিভ, প্রায় তিন ঘণ্টা মিটিং হল। এটা করতে হয়। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি, আমাদের যেটা হচ্ছে, তার আগে স্টেকহোল্ডারস অর্থাৎ ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট, বিজনেস লিডারস, এন্টারপ্রেনারস – এঁদের মতামত নিতে হয়। তাই আমরা তাঁদের সকলের সঙ্গে কথা বললাম। প্রত্যেকের কথা শোনা হয়েছে এবং তাঁদের ভিউ, তাঁরা যেটা চাইছেন, কারণ তাঁদের থেকে তো ভালো কেউ জানবে না যে কী কী সমস্যা তাঁদের ফেস করতে হচ্ছে এবং কোন কোন জিনিসগুলো না থাকলে বা না হলে তাঁদের চলবে না৷ আমাদের তো একেবারে প্রথম থেকেই শুরু করতে হচ্ছে। সুতরাং আমরা সেগুলো শুনলাম শুধু না, আমরা সকলে সেগুলোকে নোটও নিলাম। এবার সেগুলো ইনকর্পোরেটেড হবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসিতে।

 

পাশাপাশি শিল্পায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি যেহেতু অত্যন্ত বিতর্কিত এবং চ্যালেঞ্জের বিষয়, তার মোকাবিলা কিভাবে করা হবে সেই প্রসঙ্গে শিল্প মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না যাতে শিল্পের স্বার্থ বা রাজ্যের মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ হয়। সমস্ত পদক্ষেপই অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গি রেখে নেওয়া হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, আজকের বৈঠকে উপস্থিত শিল্পপতিরা মূলত জমি, ছাড়, সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম এবং পরিবহণ সংক্রান্ত বাস্তব সমস্যাগুলি তুলে ধরেছেন।

 

এ প্রসঙ্গে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, শুধু জমি না, জমি আছে, ইনসেন্টিভ আছে, তারপরে সিঙ্গল উইন্ডো আছে, তো ইনসেন্টিভের জায়গা মানে সেখানে এক্সটর্শন হতো, লেবার প্রবলেম আছে, ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেমে অবস্ট্রাকশন আছে, সব রকম বিষয়ে কথা হয়েছে৷

ওপেন ফোরামে আড়াই ঘণ্টা আলোচনায় তো আর ছোটখাটো আলোচনা হতে পারে না, ওপেন ফোরামে সব আলোচনা হয়েছে।সমস্ত চেম্বার এখানে ছিল, ছোট থেকে বড় সব চেম্বার এখানে উপস্থিত ছিল, সবাই নিজের নিজের সাজেশন দিয়েছে। অনেক রকম সাজেশন আছে, সে সাজেশন আমরা শুনেছি, আমরা লিপিবদ্ধ করেছি, সেটা নিয়ে আমাদের আবার আলোচনা হবে, করে ফাইনালি আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের রিপোর্টটা দেব।

 

 

আজকের খবর