ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • CPM against TMC BJP : ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই’ তৃনমূল ও বিজেপিকে হারাতে বিরোধী জোট গঠনের ডাক সেলিমের

CPM against TMC BJP : ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই’ তৃনমূল ও বিজেপিকে হারাতে বিরোধী জোট গঠনের ডাক সেলিমের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই।’ আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এভাবেই তৃণমূল এবং বিজেপিকে হারানোর জন্য তৃণমূল এবং বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে বৃহত্তর জোট গঠনের প্রস্তাব করেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক....

CPM against TMC BJP : ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই’ তৃনমূল ও বিজেপিকে হারাতে বিরোধী জোট গঠনের ডাক সেলিমের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • CPM against TMC BJP : ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই’ তৃনমূল ও বিজেপিকে হারাতে বিরোধী জোট গঠনের ডাক সেলিমের

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই।’ আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই।’ আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এভাবেই তৃণমূল এবং বিজেপিকে হারানোর জন্য তৃণমূল এবং বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে বৃহত্তর জোট গঠনের প্রস্তাব করেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম।

 

বাংলায় একুশের বিধানসভা ভোটে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল সিপিএম ও কংগ্রেস। ব্রিগেডের মঞ্চে তিন দল একসঙ্গে থাকলেও, কংগ্রেস আইএসএফ-এর থেকে দূরত্বই বজায় রেখেছিল। শেষ অবধি সিপিএমের সমর্থনে জিতেছিলেন আইএসএফ প্রার্থী নৌশাদ সিদ্দিকি। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিমুখী, ত্রিমুখী না চতুর্মুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপি-র পাশাপাশি বিরোধী শক্তি কত ভাগে বিভক্ত হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজ্যের বাম, কংগ্রেস এবং অন্যান্য শক্তির মধ্যে কিছু বৈঠক আলাপ আলোচনা হলেও তা এখনও কোনও চূড়ান্ত রূপ পায়নি। ফলে যদি ধরে নেওয়া যায় তৃণমূল, বিজেপি, বাম, কংগ্রেস এবং হুমায়ুন কবীর ও নৌশাদ সিদ্দিকির দল আলাদা আলাদা ভাবে লড়াই করবে তাহলে পঞ্চমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

এই পরিস্থিতিতে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের মুখেও। কৌশলে তিনি বল ঠেললেন কংগ্রেসের কোর্টে। মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই। আমরা ইতিমধ্যে কথাবার্তা শুরু করেছি। যারা যারা কথাবার্তা বলছে, তাদের সঙ্গে ইতিবাচক হয়েছে। মালদা, মুর্শিদাবাদে, বীরভূমে কংগ্রেসকেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মানুষের এই ঐক্যের ভাবনাকে মর্যাদা দিতে হবে। দ্রুত কংগ্রেসকেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই নৌশাদ সিদ্দিকি এবং সদ্য নতুন দল গড়ে ময়দানে নামা হুমায়ুন কবীর ইতিমধ্যেই সিপিএম-কংগ্রেসের জন্য দরজা খোলা রাখার বার্তা দিয়েছেন। নৌশাদ বলেছেন, ‘বিজেপি এবং তৃণমূলকে হারানোর জন্য, সহজে যাতে হারানো যায় তার জন্য, কষ্ট কম যাতে করে বেশি ফল পাওয়া যায় তার জন্য জাতীয় কংগ্রেস, বামফ্রন্ট আরও যে সমস্ত সেকুলার ফ্রন্টগুলো আছে তাদেরকে আমরা জানিয়েছি।’

অন্যদিকে, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘আমরা আলোচনার মধ্যে দিয়েই আগামীদিনে ঠিক করব। ঐক্যবদ্ধ লড়াই মানে আদর্শগত দিক থেকে, নীতিগত দিক থেকে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যেটা রাস্তাই রাস্তা দেখায়, সেই পথকে অবলম্বন করতে হবে।’

 

আজকের খবর