ব্রেকিং
Latest Posts
Suvendu RG Kar : আরজি করের নির্যাতিতার শোকসভায় আবেগপ্রবণ শুভেন্দু, কেঁদে বললেন ‘বারুইপুরে পুলিশ যা করার করেছে, যত কঠোর হওয়া দরকার সরকার হবে’Tara Sutaria : লেপার্ড প্রিন্ট বডি হাগিং অফশোল্ডার গাউনে নজর কাড়লেন তারা সুতারিয়া, ‘Toxic’ ট্রেলার লঞ্চে তাঁর Glamorous Look-এ মুগ্ধ নেটদুনিয়াMamata Attacked : নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে আক্রান্ত মমতা, চোর চোর স্লোগান তুলে ইট ও গোবর ছোঁড়া হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে, তীব্র নিন্দা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরRG Kar Case: “নির্যাতিতা চিকিৎসকের সঙ্গে সেদিন যারা ছিলেন, মৃত্যুর পর কারা এসেছিলেন – সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে” জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীAgnimitra Paul : ‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’ ফের হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Agnimitra Paul : ‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’ ফের হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

Agnimitra Paul : ‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’ ফের হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

Agnimitra Paul Warning: যেখানে-সেখানে পাথর, বালি ও সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, ‘এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’—ফের কড়া হুঁশিয়ারি শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখার হচ্ছে। তা চলবে না। এটা আপনার রাস্তা নয়। বিল্ডার্সদের বিরুদ্ধে....

Agnimitra Paul : ‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’ ফের হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Agnimitra Paul : ‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’ ফের হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার

Agnimitra Paul Warning: যেখানে-সেখানে পাথর, বালি ও সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, ‘এটা আপনার রাস্তা নয়,....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

Agnimitra Paul Warning: যেখানে-সেখানে পাথর, বালি ও সুরকি ফেলে রাখা চলবে না, ‘এটা আপনার রাস্তা নয়, শুধরে যান’—ফের কড়া হুঁশিয়ারি

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

‘যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুরকি ফেলে রাখার হচ্ছে। তা চলবে না। এটা আপনার রাস্তা নয়। বিল্ডার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কড়া পেনাল্টি করব। শুধরে যান। এখনো সময় আছে।’ এভাবেই শনিবার আরো একবার রাস্তায় যেখানে সেখানে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখা এবং রাজ্যজুড়ে বেআইনি বাড়ি তৈরীর সঙ্গে যুক্ত প্রোমোটারদের উদ্দেশ্যে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

 

পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর জনতার সমস্যার কথা শুনতে ‘মুখোমুখি’ কর্মসূচির সূচনা করেন অগ্নিমিত্রা পাল। কর্পোরেশনগুলির অধীনে বসবাসকারী নাগরিকদের সমস্যার কথা শোনা হচ্ছে ফোনে। ইতিমধ্যেই কলকাতা এবং শিলিগুড়িতে এই পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের দরবারে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। ‌ পূর্ব ঘোষণা মত আজ শনিবার সল্টলেকে বিধাননগর পৌরসভার অন্তর্গত মানুষের অভাব অভিযোগ শুনেন পুরমন্ত্রী। নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন নাগরিকেরা। তবে এই কর্মসূচি এখন কিছু জায়গায় সীমিত। খুব তাড়াতাড়ি রাজ্যের বাকি অংশে শুরু করা হবে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 

শনিবার সল্টলেকে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ‘মুখোমুখি’ কর্মসূচি ছিল। আগে থেকেই তা এলাকার মানুষদের জানিয়ে দিয়ে হয়েছিল। সেই মোতাবেক কর্মসূচি চলে। সেখান থেকে বেরিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, ‘আমি আসব আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সমস্যার কথা শুনলাম। আগামী দিনেও আসব। কবে আসব তা ঠিক করিনি। তা জানিয়ে দেওয়া হবে।’ তবে এই কর্মসূচি এখনও জেলার পুরসভাতে শুরু হয়নি। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, ‘কর্পোরেশন এলাকাগুলির মানুষের সমস্যা শোনা হচ্ছে। বাকি পুরসভাগুলিতেও এই কর্মসূচি শুরু করা হবে। বরানগর পুরসভাতে এই কর্মসূচি শুরু হবে। বাকি পুরসভাগুলিতেও হবে।’ অনেক পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়া নিয়ে বলেছেন, ‘তৃণমূলের অনেক কাউন্সিলর পালিয়ে গিয়েছে। পুরপ্রশাসক বসিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বর্ষার মরশুমে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা দেখা হচ্ছে।’

 

প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পাল বারেবারে রাস্তা দখল করে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও এখনো পর্যন্ত শোনার পর পৌরসভা এলাকা এবং সোনারপুর গ্রামীণ এলাকার অধিকাংশ রাস্তায় রয়েছে নির্মাণ সামগ্রী বিক্রেতাদের দখলে। সোনারপুর দক্ষিণের প্রাক্তন বিদায়িকা লাভলী মৈত্রের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এক প্রোমোটারের মদদে তৎকালীন তৃণমূলের পার্টি অফিস আম্বেদকর ভবনের সামনে রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মাণ সামগ্রী জমা রাখা এবং বিক্রি করার যে ব্যবসা শুরু হয়েছিল তা এখনো পর্যন্ত চলছে রমরমিয়ে। সেখান থেকে একটুখানি এগুলোই ঘাসিয়ারা এবং জগদীশপুর এর মাঝে সরকার বিল্ডার্সের পক্ষ থেকে গোটা রাস্তাটাই বানিয়ে ফেলা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রীর গোডাউনে।

এরপরে সোনারপুর দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন প্রায় সমস্ত রাস্তায় বালি পাথর এবং ইট জমা করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার।

রাস্তায় বাস ও গাড়ির বেআইনি পার্কিং নিয়ে বলেন, ‘রাতে রাস্তায় বাস দাঁড়িয়ে থাকছে। বাস স্টপে যান বা পার্কিং কিনুন। অনেকের বাড়িতে পার্কিং থাকলেও রাস্তায় রাখছেন। এটা চলতে পারে না।’ এ ছাড়াও দলের একাংশের তোলাবাজি নিয়ে মুখ খুলে জানিয়েছেন, ‘আমাদের রাজ্য সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রী কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। কোনও ভাবেই দুর্নীতি, তোলাবাজি, দাদাগিরি বরদাস্ত করা হবে না।’

 

আজকের খবর