ব্রেকিং
  • Home /
  • হেডলাইনস /
  • Rajpur Sonarpur municipality: সোনারপুর জুড়ে বেআইনি নির্মাণ, ছাড়পত্র নেই ১,৫০০ আবাসনের, হুঁশিয়ারি পুরসভার

Rajpur Sonarpur municipality: সোনারপুর জুড়ে বেআইনি নির্মাণ, ছাড়পত্র নেই ১,৫০০ আবাসনের, হুঁশিয়ারি পুরসভার

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক বহুতল হেলে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। তাতে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। সেই আবহে দেখা যাচ্ছে, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভায় বহু আবাসনের ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বা সিসি নেই। এইসব ক্ষেত্রে....

Rajpur Sonarpur municipality: সোনারপুর জুড়ে বেআইনি নির্মাণ, ছাড়পত্র নেই ১,৫০০ আবাসনের, হুঁশিয়ারি পুরসভার

  • Home /
  • হেডলাইনস /
  • Rajpur Sonarpur municipality: সোনারপুর জুড়ে বেআইনি নির্মাণ, ছাড়পত্র নেই ১,৫০০ আবাসনের, হুঁশিয়ারি পুরসভার

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক বহুতল হেলে পড়ার ঘটনা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন।

কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক বহুতল হেলে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। তাতে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। সেই আবহে দেখা যাচ্ছে, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভায় বহু আবাসনের ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বা সিসি নেই। এইসব ক্ষেত্রে আবাসন তৈরির পর সিসি নেননি বহু প্রোমোটার।

এরকম আবাসনের সংখ্যা হল দেড় হাজারের বেশি। আর তারফলে সমস্যায় পড়েছেন কয়েক হাজার ফ্ল্যাট মালিক। এই অবস্থায় পুরসভাকে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কত আবাসনের ক্ষেত্রে সিসি নেওয়া হয়নি তারজন্য গত ডিসেম্বর মাস থেকে তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। সেই কাজ সম্প্রতি শেষ হতেই নবান্নে রিপোর্ট পাঠিয়েছে পুরসভা। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, দেড় হাজার আবাসনের সিসি নেই। আর এরফলে প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার ফ্ল্যাট মালিক সমস্যায় পড়েছেন। এর কারণ হল তারা মিউটেশন করতে পারছেন না। ফলে অন্য কাউকে যেমন তারা ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারছেন না, তেমনি পুরসভার প্রচুর কর বকেয়া থেকে যাচ্ছে।

 

পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তৈরি হওয়া দেড় হাজার আবাসনের ক্ষেত্রে এই সিসি পড়ে রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে এই পুরসভা এলাকায় প্রায় ৮ হাজার আবাসন তৈরি হয়েছে। পুরসভা সূত্রের খবর, মূলত সমস্যা দেখা দিয়েছে মহামায়াতলা, গড়িয়া স্টেশন ও গড়িয়ার কিছু অংশে তৈরি হওয়া আবাসনের ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বড় বড় কমপ্লেক্স বা আবাসনের ক্ষেত্রে সিসি নিতে কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু, মূলত সমস্যা দেখা দিচ্ছে পাড়ার ভিতরে বা রাস্তার ধারে তিন, চার তলা বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে। অভিযোগ উঠেছে, এইসব ক্ষেত্রে প্রমোটররা বহুতল বানানোর পর আর সিসি সংগ্রহ করেননি। শুধু তাই নয়, ফ্লাট মালিকরাও সিসি পাননি। আর এর কারণে ফ্ল্যাট মিউটেশন না হওয়া বিক্রি করতে পারছেন না মালিকরা। ফলে করের বোঝাও বাড়ছে বলে আশঙ্কা ফ্ল্যাট মালিকদের।

 

এই সমস্যার সমাধানে পুরসভাকে উদ্যোগী হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তারা। পুরসভার আধিকারিকদের মতে, এর ফলে কোটি কোটি টাকা রাজস্বের ক্ষতি হচ্ছে পুরসভার। শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষও ফ্ল্যাট কিনে সমস্যায় পড়েছেন। এই অবস্থায় পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আবাসনের ফ্ল্যাট মালিকরা সিসির জন্য আবেদন করলে তাঁদের সাহায্য করা হবে। এবিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল নজরুল আলি মণ্ডল প্রোমোটারদের অবিলম্বে সিসি নেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সিসি সংগ্রহ না করলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আজকের খবর