বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউটেলা তাঁর গ্ল্যামারাস লুক এবং ফ্যাশন সেন্সের জন্য বরাবরই আলোচনায় থাকেন। কিন্তু এবার তিনি ট্রোলড হচ্ছেন একেবারে ভিন্ন কারণে। সম্প্রতি তাঁর স্কুল জীবনের কিছু পুরনো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। আর সেই ছবি ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা এবং প্লাস্টিক সার্জারির অভিযোগ।
ভাইরাল হওয়া ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, উর্বশীর লুক এখনকার থেকে একেবারেই আলাদা। একটিতে তিনি লাল রঙের স্ট্র্যাপলেস ড্রেস পরে একটি নাম লেখা হার পরে আছেন। অন্যটিতে একটি পার্কে বেগুনি রঙের ড্রেসে পোজ দিচ্ছেন। ছবিগুলো দেখে অনেকেই বলছেন, বর্তমান উর্বশীকে অতীতের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে চেনা দুষ্কর।
নেটিজেনদের একাংশের দাবি, এই পরিবর্তন স্বাভাবিক নয়। তাঁদের কথায়, “নাক এবং ভ্রু একেবারে বদলে গেছে।” অনেকে আবার মন্তব্য করেছেন, “ও পুরোপুরি ফেক। শুধু চেহারার পরিবর্তন নয়, ওর ব্যবহারেও অনেক কৃত্রিমতা আছে।” একজন লিখেছেন, “ওর ভ্রু দেখে দুঃস্বপ্ন হবে।”
একজন Reddit ব্যবহারকারী আরও বলেন, “উর্বশী হয়তো নিজে থেকে সব করেনি। সম্ভবত তাঁর মা তাঁকে নাকের সার্জারি করাতে বলেছিল, বা বলিউডে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করেছিল।”
তবে একাংশ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা মনে করছেন, তারকা হওয়ার পথে চেহারার পরিবর্তন করানো আজকাল খুবই সাধারণ ব্যাপার। তবে সমস্যা হয় তখন, যখন কেউ সেটা লুকিয়ে যায় অথবা সেটা নিয়ে বারবার প্রচারের আলোয় আসার চেষ্টা করে।
এই ঘটনার পর থেকেই Urvashi Rautela plastic surgery বিষয়ক খোঁজ এক লাফে বেড়ে গিয়েছে গুগলে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই ট্রেন্ড প্রমাণ করছে, এখনও তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর সমাজের কৌতূহল কতটা প্রবল।
অনেকেই বলছেন, একজন সেলেব্রিটির জীবন যেমন বাহ্যিকভাবে ঝলমলে, তেমনই এর পেছনে থাকে অনেক মানসিক চাপ এবং আত্ম-চেতনার জটিলতা। উর্বশী এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে অতীতে তিনি ট্রোলিং-এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।
শেষমেশ, প্রশ্ন থেকে যায়—একজন অভিনেত্রী নিজের শরীর বা চেহারার উপরে যদি নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা নিয়ে আমাদের এত বিতর্ক কেন?