ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলাদেশ /
  • Mamata greets Tarique Rahman : বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা, বদলাতে পারে দুই বাংলার সম্পর্ক

Mamata greets Tarique Rahman : বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা, বদলাতে পারে দুই বাংলার সম্পর্ক

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপি নিরন্তর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরেই শুভনন্দন জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে তারেকের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের আগেই....

Mamata greets Tarique Rahman : বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা, বদলাতে পারে দুই বাংলার সম্পর্ক

  • Home /
  • বাংলাদেশ /
  • Mamata greets Tarique Rahman : বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা, বদলাতে পারে দুই বাংলার সম্পর্ক

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপি নিরন্তর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরেই শুভনন্দন জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে তারেকের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের আগেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে ঢাকায় পৌঁছে গেল ফুল এবং মিষ্টি। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান সেই ফুল, মিষ্টি গ্রহণ করেন। এর আগেই তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মর্মে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব স্টাইলে তারেককে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা লিখেছিলেন, ‘শুভনন্দন, আমার সকল ভাই-বোনদের, বাংলাদেশের সকল মানুষকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তাদের সবাইকে আমার অগ্রিম রমজান মোবারক। বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেকভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন। আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।’

ওপার বাংলা এবং এপার বাংলার মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সুসম্পর্ক থাকলেও ২০১৪ সালের জুলাই আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের বছর কয়েক আগে থেকে সেই সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল অনেকটাই। মূলত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে যেভাবে বারে বারে কেন্দ্রের মোদি সরকার বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিস্তার জল বন্টন চুক্তি এবং ফরাক্বার গঙ্গার জল বন্টন নিয়ে চুক্তি পুনর্নবীকরণ করে ফেলেছিলেন তাতে প্রকাশ্যেই সম্পর্কের অবনতি হয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারের মধ্যে। বিশেষ করে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্র অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের নদীর জল বন্টন নিয়ে আলোচনার জন্য যেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোটা রাজনৈতিক এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় সৌজন্যের পরিচায়ক, তা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে দিল্লিতে একাধিকবার শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি পর্যন্ত দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের পতন হওয়ার পরে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরেও রাজনৈতিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরেই সম্পূর্ণ আস্থা রেখেছিলেন মমতা। অন্যদিকে আওয়ামীলীগ এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলেও এবারে দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের ক্ষমতায় ফিরে এসেছে বিএনপি। এর আগে ট্রেনটি যখন বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় ছিল সেই সময় ভারত সরকারের সঙ্গে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের সম্পর্ক খুব মধুর ছিল তা বলা যায় না।

এমনকি শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের বিএনপি এবং জামাত প্রভাবে চলা মোঃ ইউনুসের উপদেষ্টা সরকারের সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক এবং বৈদেশিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে অনেকটাই। তুই দেশের সম্পর্কের অবনতি এতটাই হয়েছে যে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ক্রিকেটের মাঠে মুখোমুখি হতে রাজি হলেও ভারতে খেলতে আসতে অস্বীকার করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে দল প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ।

এই আবহে তিস্তার জল বন্টন এবং ফরাক্কার জল বন্টন সহ দুই দেশের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক এবং সীমান্তবর্তী বিষয় নিয়ে আলোচনার পথ খোলা রাখার জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগাম বিএনপি নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার পথে এগোলেন বলে মনে করা হচ্ছে

 

আজকের খবর