ব্রেকিং
  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Abhishek Nationwide SIR demand : বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনে সমর্থন, কিন্তু সারা দেশে এসআইআর প্রয়োগের দাবি অভিষেকের

Abhishek Nationwide SIR demand : বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনে সমর্থন, কিন্তু সারা দেশে এসআইআর প্রয়োগের দাবি অভিষেকের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর করতে হলে সংসদ ভেঙে দিয়ে দেশজুড়ে তা করতে হবে।” দেশ জুড়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যে এমন জোরালো দাবি তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছর যে....

Abhishek Nationwide SIR demand : বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনে সমর্থন, কিন্তু সারা দেশে এসআইআর প্রয়োগের দাবি অভিষেকের

  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Abhishek Nationwide SIR demand : বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনে সমর্থন, কিন্তু সারা দেশে এসআইআর প্রয়োগের দাবি অভিষেকের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর করতে হলে সংসদ ভেঙে দিয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

“ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর করতে হলে সংসদ ভেঙে দিয়ে দেশজুড়ে তা করতে হবে।” দেশ জুড়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যে এমন জোরালো দাবি তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছর যে ভোটার তালিকার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাংসদরা নির্বাচিত হলেন, সেই ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশন যদি প্রশ্ন তোলে, তা হলে গত বছরের লোকসভা ভোটও প্রশ্নের মুখে পড়ে। এই অবস্থায় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর করতে হলে, আগে নির্বাচিত সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তার পরে নতুন করে ভোট হবে। একই সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের কড়া বার্তা, “বাংলার একজন যোগ্য ভোটারও যদি বাদ পড়েন, তা হলে এক লক্ষ মানুষ নিয়ে গিয়ে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।”
মঙ্গলবার দিল্লি যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আপনি নির্বাচিত হয়েছেন, আপনার ভোটার লিস্টে গরমিল নেই। অথচ আমি নির্বাচিত হয়েছি, আমার ভোটার লিস্টে গরমিল রয়েছে, এটা তো হতে পারে না। এক যাত্রায় পৃথক ফল হতে পারে না।” তাঁর কথায়, বাংলায় ভোটার তালিকায় সংশোধন হোক, আপত্তি নেই। কিন্তু তার আগে লোকসভা ভেঙে দেওয়া হোক। কেন্দ্রের সরকারও ভেঙে দেওয়া হোক। তার পর গোটা দেশে এক সঙ্গে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন করা হোক। অভিষেকের বক্তব্য, মাত্র এক বছর আগে লোকসভা ভোটের সময়ে এই ভোটার তালিকাতেই ভোট হয়েছে। তখন ভোটার তালিকা ঠিক ছিল। আর এখন ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার ঢুকে গেল? তার মানে যে ভোটার তালিকার উপর ভোট করে নরেন্দ্র মোদী জিতে প্রধানমন্ত্রী হলেন, সরকার বানালেন, অমিত শাহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন, সেটা ঠিক। তার পর বাংলায় ভোট আসতেই সেই তালিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল? অভিষেকের কথায়, এই ভোটার তালিকা যদি ভুলে ভরা থাকে, তাহলে নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনও বৈধ নয়, কেন্দ্রের সরকারও বৈধ নয়। তাই স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন যদি করতেই হয়, তবে আগে লোকসভা ভেঙে দেওয়া হোক। তার পর গোটা দেশে নিবিড় সংশোধন হোক ভোটার তালিকায়। এতে কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু বাংলার ভোটার তালিকা ভুল আর গুজরাতের ঠিক, বিহারের ভোটার তালিকা ভুল উত্তরপ্রদেশের ঠিক—এটা চলবে না।
এর পরেই মোদী সরকারকে চ্যালেঞ্জের সুরে অভিষেক বলেন, “বিজেপি নেতাদের বা এনডিএ শরিকদের বলব, আপনারা শুরু করুন। তৃণমূলের যত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন বা বিরোধী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টির সব সাংসদ পদত্যাগ করবেন। লোকসভা ডিজ়লভ করে দিন। তার পরে আপনারা এসআইআর করুন। লোকসভা ভেঙে দিয়ে সারা দেশে এসআইআর হোক।” অভিষেকের মতে, বিজেপি বা এনডিএ সরকারের লক্ষ্য যদি ভুয়ো ভোটার বাদ দেওয়াই হয়, তা হলে সবার আগে লোকসভা ভেঙে দেওয়া উচিত। তার পরে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, বাংলা, তামিলনাড়ু, পাঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড, কেরালা সর্বত্র এসআইআর হোক। অভিষেক জানান, যে সব রাজ্যে বিজেপির সরকার, সেই সব রাজ্য বাদ দিয়ে বাংলায় শুধু এসআইআর হবে, তা কোনও মতেই তৃণমূল মেনে নেবে না।
তৃণমূলের মতোই কংগ্রেস, সিপিএম, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, শিবসেনা উদ্ধব শিবির, আরজেডি-র মতো বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন তথা বিশেষ সংশোধনে আপত্তি জানাচ্ছে।
অভিষেক লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হওয়ার পরেই নতুন উদ্যমে দল। সোমবার গোটা দেশ সেই ছবি দেখেছে। এসআইআর-এর বিরোধিতায় তৃণমূল সাংসদরা যে ভাবে রাজধানীতে বিক্ষোভ, প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন, তা দিনভর শিরোনামে থেকেছে। সাংসদদের উপরে দিল্লি পুলিশ অত্যাচার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এ দিন সেই দিল্লি পুলিশকেও নিশানা করেন অভিষেক। মহিলা সাংসদদের চুলের মুঠি ধরে মার, এসসি- এসটি জনপ্রতিনিধিদের হেনস্থা করার অভিযোগ শোনা যায় তাঁর মুখে। তাঁর কথায়, নির্বাচন কমিশনের কাছে সদুত্তর থাকলে কমিশনার দেখা করতেন। তা না করে উল্টে মহিলাদের অত্যাচার করা হয়েছে, পুলিশ লাঠি চালিয়েছে, মহিলাদের চুলের মুঠি ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিরোধী সাংসদদের থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে।
অভিষেক প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের ভূমিকা নিয়েও। তিনি বলেন, “তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই কমিশন ঠিক, ভোটার লিস্টে যদি গরমিল থাকে, তা হলে তো রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা উচিত। এফআইআর করা উচিত। কারণ তাঁর তত্ত্বাবধানে, তাঁর নজরদারিতেই এক বছর আগে লোকসভা ভোট হয়েছিল।” তাই সেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের ভোটে যাঁরা জয়ী হয়েছেন, তাঁদেরও পদত্যাগ করা উচিত বলে মত অভিষেকের।

আজকের খবর