পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এক প্রেস বিবৃতিতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, “বিজেপি-র নতুন রাজ্য সভাপতি সম্প্রতি তৃণমূলকে হারানোর ডাক দিয়েছেন এবং সবাইকে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রশ্ন হল—বাংলার মানুষ কেন বিজেপিকে ভোট দেবেন?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা মানি, রাজ্যকে রক্ষা করতে হলে তৃণমূল কংগ্রেসকে রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত করা জরুরি। তবে একইসঙ্গে, দেশকে বাঁচাতে হলে বিজেপিকে পরাজিত করা আরও বেশি প্রয়োজন। কারণ বিজেপি ও তাদের মতাদর্শ ভারতের গণতন্ত্র ও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে।”
সংবিধানের মৌলিক শব্দ বাদ দিতে চায় আরএসএস
প্রেস বিবৃতিতে শুভঙ্করবাবু উল্লেখ করেন, “বঙ্গ বিজেপির নতুন সভাপতি মুখে বহুত্ববাদের কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের আদর্শগত মূল সংগঠন আরএসএস ভারতের সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে চলেছে। তাহলে নতুন সভাপতি এই বিষয়ে কী ভাবেন? তাঁর অবস্থান স্পষ্ট হওয়া উচিত।”
সংবিধানের মৌলিক শব্দ বাদ দিতে চায় আরএসএস
প্রেস বিবৃতিতে শুভঙ্করবাবু উল্লেখ করেন, “বঙ্গ বিজেপির নতুন সভাপতি মুখে বহুত্ববাদের কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের আদর্শগত মূল সংগঠন আরএসএস ভারতের সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে চলেছে। তাহলে নতুন সভাপতি এই বিষয়ে কী ভাবেন? তাঁর অবস্থান স্পষ্ট হওয়া উচিত।”
বিজেপির দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যে দল দেশের নানা রাজ্যে সমাজকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভাজনের বার্তা দিচ্ছে, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে—তাদের হাতে কি বাংলার মত সাংস্কৃতিকভাবে প্রগতিশীল রাজ্য নিরাপদ?”
কংগ্রেসের বার্তা:
“বিজেপি ও তৃণমূল—উভয়েই বাংলার জন্য ক্ষতিকর। মানুষের পক্ষে সত্যিকারের বিকল্প হতে পারে কেবলমাত্র কংগ্রেস ও INDIA জোট।”