ব্রেকিং
Latest Posts
দার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুরDilip Ghosh Bulldozer : ‘৪ তারিখের পর এখানে থাকতে পারবে? খুব খারাপ সময় আসছে, বুলডোজার চলবে’ তৃণমূল কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের
  • Home /
  • Durga Puja News /
  • Mamata Abhishek Durga Angon Album : জাগো বাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশে মমতা-অভিষেক, মুখ্যমন্ত্রীর নতুন গানের অ্যালবাম ‘দুর্গা অঙ্গন’

Mamata Abhishek Durga Angon Album : জাগো বাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশে মমতা-অভিষেক, মুখ্যমন্ত্রীর নতুন গানের অ্যালবাম ‘দুর্গা অঙ্গন’

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ‘আমি তো শিল্পী নই। ছোটবেলায় একটু গান শিখেছিলাম। আজও শুধু কথা আর সুর দিয়ে কিছু বলতে পারি। গলা খুবই খারাপ।’ এবারের পুজোয় নিজের নতুন গানের অ্যালবাম প্রকাশ করে এভাবেই গানের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানালেন....

Mamata Abhishek Durga Angon Album : জাগো বাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশে মমতা-অভিষেক, মুখ্যমন্ত্রীর নতুন গানের অ্যালবাম ‘দুর্গা অঙ্গন’

  • Home /
  • Durga Puja News /
  • Mamata Abhishek Durga Angon Album : জাগো বাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশে মমতা-অভিষেক, মুখ্যমন্ত্রীর নতুন গানের অ্যালবাম ‘দুর্গা অঙ্গন’

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ‘আমি তো শিল্পী নই। ছোটবেলায় একটু গান শিখেছিলাম। আজও শুধু কথা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

‘আমি তো শিল্পী নই। ছোটবেলায় একটু গান শিখেছিলাম। আজও শুধু কথা আর সুর দিয়ে কিছু বলতে পারি। গলা খুবই খারাপ।’ এবারের পুজোয় নিজের নতুন গানের অ্যালবাম প্রকাশ করে এভাবেই গানের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিগত বেশ কয়েক বছরের রীতি মেনে মহালয়ার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র জাগোবাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে বের হলো পুজোয় নতুন গানের অ্যালবাম দুর্গা অঙ্গন। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মন্ত্রী, বিধায়করা।

মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন জানান, দুর্গা অঙ্গন অ্যালবামের সব কটি গান লিখে সুর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গান গাইতেও বলেন ইন্দ্রনীল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি লিখে সুর দিতে পারি। তবে শিল্পী নই। গান গাওয়ার জন্য শিল্পীরা রয়েছেন। আমি ছোটবেলায় গাইতাম। গতকালই বলেছি গলায় ব্যথা। তাছাড়া আমি তো গান প্র্যাকটিস করি না। ইন্দ্রনীলরা রেওয়াজ করেন রোজ।’ এরপর জাগো দুর্গা গানটি ইন্দ্রনীলের সঙ্গে গাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে ইন্দ্রনীল সেন পাল্টা মন্তব্য করলেন, ‘রাজনীতির বাইরে উনি অসাধারণ গীতিকার, সুরকার। আবার ছবিও আঁকেন দারুণ।’ শেষে মুখ্যমন্ত্রী স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ইন্দ্রনীলকে বলেন, ‘তুমি গান ধরো, জাগো দুর্গা ধরো।’

মমতা বলেন, ‘আজ দুর্গাপুজোর মণ্ডপে গিয়ে পুজোর কথা বলব। এখানে শিল্পীরা এসেছেন গান গাইবার জন্য। সিঙ্গুরের শহিদ পরিবারও এখানে উপস্থিত। রাজ্য সরকার এবার ক্লাবগুলিকে পুজোর জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে দিয়েছে। এবার অনেক বেশি ক্লাব এসেছে। বিদ্যুতে ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞাপন, দমকল সব ফ্রি।’

 

তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র শারদীয়া সংখ্যার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের ছোটবেলায় দুর্গাপুজো মানে চারটে দিন ছিল। ২০১১ সালে বাংলায় মা-মাটি মানুষের সরকার আসার পর, সরকারের উদ্যোগে, প্রচেষ্টায় যেভাবে সর্বপ্রিয় উৎসবের প্রসার ঘটেছে। সাড়ে চার বছর আগে দলের কাগজ সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক হয়েছে। সীমিত সামর্থ্য ও সীমাবদ্ধ এক্তিয়ারে চেষ্টা করেছি কর্মীদের কাছে যাতে দলের মুখপত্রের দৈনিক সংস্করণ রোজ সকালে পৌঁছে দেওযার। এখন মহালয়া থেকেই মানুষ ঠাকুর দেখতে প্যান্ডেলে যান, আনন্দ উপভোগ করেন। প্রতিটি ক্লাবকে অর্থনৈতিক প্রতিকূল অবস্থাতেও ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে সাহায্য ও সহযোগিতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসবের প্রসার ঘটানোয় তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।’

অভিষেক আরও বলেন, ‘মহালয়ায় শুভ শক্তির আবির্ভাব ও অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে। মায়ের কাছে প্রার্থনা সকলকে ভালো রাখুন। মায়ের করুণা, কৃপায় মুছে যাক সকল গ্লানি, শোক। মায়ের আশীর্বাদে উদ্ভাসিত হোক মঙ্গলালোক। চারদিক কল্লোলিত হোক সত্যের জয়ধ্বনিতে। জয় হোক বাঙালির, জয় হোক বাংলার। যারা ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ করে বাংলার মাটিকে কলুষিত করতে, অপমানিত করতে চার-পাঁচ বছর আগে বলেছিল বাংলায় দুর্গাপুজো হয় না, সেখানে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজো নিয়ে প্রচেষ্টাকে ইউনেস্কো বিশ্ববন্দিত স্বীকৃতি দিয়েছে। এটা আমাদের বাডতি পাওনা।’

 

আজকের খবর