ব্রেকিং
Latest Posts
Abhishek against BJP : ‘এমন পরিবর্তন হবে যে ২০২৬ এর পর প্রধানমন্ত্রী বাংলায় এসে জয় বাংলা বলবেন’ মোদীর বাংলায় পরিবর্তনের ডাকের পাল্টা হুঁশিয়ারি অভিষেকেরJiroft Civilization : ইরানের জিরফট – ৫০০০ বছরের পুরনো এক হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার বিস্ময়কর পুনরাবিষ্কারModi attacks Mamata from Singur : ‘বাংলায় এবার আসল পরিবর্তন চায় মানুষ, জঙ্গলরাজের অবসান চাই’ সিঙ্গুর থেকে মমতাকে কড়া আক্রমণ মোদিরSanam Shetty Bikini Look : পুলসাইডে মধ্যরাতের আগুন, ভাইরাল হল সনম শেট্টির বোল্ড গ্ল্যামারMamata against Media Trial : ‘মিডিয়া যেন আগে থেকেই মিডিয়া ট্রায়ালে না যায়’ সব এজেন্সির সচ্ছতা ও আইনের শাসন বজায় থাকুক’ জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনে দেশের প্রধান বিচারপতির সামনে মন্তব্য মমতার
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Rana sankalpa : ‘জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছি বলে কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে’ কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিষেক

Abhishek Rana sankalpa : ‘জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছি বলে কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে’ কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিষেক

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘আজকের সভাতেও তিন জনকে হাজির করাব। জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছে। কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে। অভিষেক নিজের সভায় কী করে এঁদের উপস্থিত করছে? আরও এক জনকে করতাম, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তাঁর আজ সন্তান হবে। শাহ, জ্ঞানেশ কুমারদের....

Abhishek Rana sankalpa : ‘জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছি বলে কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে’ কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিষেক

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Rana sankalpa : ‘জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছি বলে কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে’ কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিষেক

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ‘আজকের সভাতেও তিন জনকে হাজির করাব। জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছে। কমিশনের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

‘আজকের সভাতেও তিন জনকে হাজির করাব। জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছে। কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে। অভিষেক নিজের সভায় কী করে এঁদের উপস্থিত করছে? আরও এক জনকে করতাম, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তাঁর আজ সন্তান হবে। শাহ, জ্ঞানেশ কুমারদের নির্দেশে জীবিতদের মৃত দেখাচ্ছে, যাতে তাঁরা ভোট দিতে না পারেন। কারও ভোটাধিকার যেন কাড়া না হয়। দেখতে হবে। বিজেপির ক্ষমতা থাকলে হার্মাদগুলোকে বার করুক, যাঁদের নাম করলাম।’ এভাবেই আরো একবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

অভিষেক বলেন, ‘আপনারা ভয় দেখাবেন আমাদের? এক দিকে ইডি, এক দিকে ইসি? দু‌’দিন আগে বাঁকুড়ায় গাড়ি ধরা পড়েছে। ১০ হাজার ফর্ম-৭। তৃণমূলের ভোটারদের চিহ্নিত করে বিজেপি নেতারা গিয়েছিল ইআরও-র কাছে ফর্ম জমা দেবে বলে, যাতে এঁদের তালিকা থেকে নাম বাদ যায়। গত কাল কলকাতায় রুখেছি। বিজেপির সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করতে চায়। এই মেদিনীপুরে জন্ম বিদ্যাসাগরের। তাঁর মূর্তি কে ভেঙেছে? অমিত শাহ। আজ তিনি না থাকলে মোদী, শাহ নিজের নাম লিখতে পারতেন? রবীন্দ্রনাথ সান্যাল বলেন। বিজেপির চাটুকারিতা যারা করেন, তাঁরা নাম লিখতে পারতেন বিদ্যাসাগর না থাকলে? নেতাজি না থাকলে ব্রিটিশদের ভিত নড়িয়ে দেওয়ার মতো বাঙালি পেতেন না । সতীদাহ প্রথা রোধ করেছিলেন রামমোহন। বিজেপি নেতারা তাকে ব্রিটিশের দালাল বলেন। আজ তিনি না থাকলে আমার-আপনার মাকে বাবাদের চিতায় ঝলসে মরতে হত। মমতা ব্যানার্জি না থাকলে, পরিবর্তন না হলে আজও সুশান্ত ঘোষের বন্দুকের নীচে বেঁচে থাকতে হত।’

Mukul Roy MLA : মুখ পুড়লো শুভেন্দুর, সুপ্রিম কোর্টে বহাল মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ

অভিষেক বলেন, ‘আজ বিজেপিতে কারা রয়েছে? শালবিতে দেবাশিস রায়, যে সুশান্ত ঘোষের অফিস দেখাশোনা করত। সে বিজেপির বুথ সভাপতি। কেশপুরে তন্ময় ঘোষ। সে সিপিএমের ব্লকের সভাপতি। এখন বিজেপির জেলা কমিটির মেম্বার। তন্ময় ঘোষের ভাই সুবীর ঘোষ, যে দাদাকে টপকে যায়। তড়িৎ খাটুয়া বেনাচাপড়া হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত। এখন বিজেপি নেতা। মহাদেব প্রামাণিক সিপিএমের প্রাক্তন যুব নেতা, বেনাচাপড়া খুনের অন্যতম অভিযুক্ত, এখন বিজেপির কার্যকর্তা। চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই, ঘাটালের বিধায়ক নিজেই রয়েছে, শীতল কপাট। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাস, হত্যার এফআইআর হয়েছে। মেদিনীপুরের সুকুর আলি, নাম মনে আছে? তার ছেলে হাসরাফ আলি, মেদিনীপুর শহরের নেতা। গড়বেতার তপন ঘোষ, সুশান্তের ডান হাত এখন বিজেপিকে মদত দেয়। মেদিনীপুরে এই হল বিজেপির চেহারা। যদি বলতাম বদল হয়েছে, বদলাও হবে, আজ সুকুর আলি, তপন ঘোষ, যারা ভাষণ দিচ্ছে বিজেপির হয়ে, তাদের খুঁজে পাওয়া যেত না। বেনাচাপড়ায় ওরা তৃণমূলকর্মীদের পুঁতেছে, ছোট আঙারিয়ায় বাড়িতে গিয়ে জ্বালিয়েছে, সবংয়ে পুকুরে বিষ দিত। বাড়িতে সাদা থান পাঠাত, জ্বালিয়ে দিত, আমরা সেই সংস্কৃতি বন্ধ করেছি। এটাই পরিবর্তন। নরেন্দ্র মোদী থেকে অমিত শাহ ২০১১ সালের আগে কত বার এসেছে? মানুষকে মাথা নিচু করে বাঁচতে হত। ঝাড়গ্রামের বিরবাহা রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে সবচেয়ে বড় সাফল্য হল, এই এলাকায় রাস্তায় দেহ পড়ে থাকত রোজ, সেই জঙ্গলমহলকে শান্ত করেছেন। যাদের ৫০-এর বেশি বয়স, তারা মনে রেখেছে কেশপুরের অত্যাচার। চন্দ্রকোনায় পতাকা লাগাতে দিত না। সুশান্তের নেতৃত্বে পরিবর্তন! নীচে জল্লাদ, উপরে গদ্দার! ঝাড়গ্রাম আগের বারও ৪-০। এ বারও হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে ১৯-০ হবে। আবার আসব। সব বিধানসভায় যাব। বিজেপি-কে শূন্য করার দায়িত্ব আপনাদের। কথা দিচ্ছেন তো?’

মেদিনীপুর থেকে ফের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার মেদিনীপুরে আয়োজিত ‘রণ সংকল্প সভা’-র মঞ্চে অভিষেক বলেন, বিজেপির দুই বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। তিনি নিজে সেই প্রস্তাবে সায় দেননি। আর তারপরেই হিরণ ও অজিত মাইতির সেই ভাইরাল ছবির প্রসঙ্গও তোলেন। তিনি দাবি করেন, হিরণও একসময় তৃণমূলে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে দেখাও করেছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁকে দলে আসতে দেননি বলে দাবি করেন। মেদিনীপুরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ‘আমি নাম বলব না। তবে এখানে বিজেপির দু’জন বিধায়ক রয়েছে। এই দুই জনই আসতে চেয়েছিল। আমি আসতে দিইনি।’ আরও বলেন, ‘সিপিএমের হার্মাদরাই আজ বিজেপির জল্লাদ হয়ে উঠেছে। যতদিন আমরা আছি, ততদিন তৃণমূলে ওদের জন্য দরজা বন্ধ।’

বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিশানা করে অভিষেক বলেন, ‘এই অজিত মাইতির সঙ্গে হিরণ আমার অফিসে এসেছিল। আপনারা দেখেছেন তো? নিইনি। আপনাদের দাবিকে মান্যতা দিয়েছি।’ একই সঙ্গে খড়গপুরে সংগঠন বাড়ানোর বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বক্তব্য, ‘খড়গপুর তৃণমূলকে জেতাতে হবে। খড়গপুরের দায়দায়িত্ব আমার। যা লাগবে খড়গপুরের মানুষের জন্য, আমি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থা করব।’

 

আজকের খবর