ব্রেকিং
Latest Posts
‘শুধু মসজিদ কেন?’ ৪২০৩ মসজিদের পাশাপাশি ১০৯৬ মন্দির থেকেও খুলেছে লাউডস্পিকার, হাইকোর্টের নির্দেশ তুলে বিতর্কের জবাব শুভেন্দুরপশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনায় বড় স্বস্তি! ১০ লক্ষের বেশি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা, ঘোষণা শুভেন্দুরAnnapurna Yojana : এখনো পাননি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা? অগাষ্ট ও সেপ্টেম্বরে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়ার তারিখ ঘোষণা শুভেন্দুর‘১২০০ টাকার পঞ্চায়েত ট্যাক্স’ নিয়ে তুমুল বিভ্রান্তি! বাংলায় প্রথম বিজ্ঞপ্তি জারি করে বড় বার্তা রাজ্যের, ভুয়ো খবর নিয়ে কড়া সতর্কতাAdhir against Mamata : ‘একসময় দিদির আঁকা ছবি কিনেছিল সব চোর, জোচ্ছোর আর চিটাররা’ বিষ্ফোরক অধীর রঞ্জন চৌধুরী
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Taslima Nasrin : ‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল’ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ তসলিমা নাসরিন

Taslima Nasrin : ‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল’ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ তসলিমা নাসরিন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল।’ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে এমন ‘বিস্ফোরক’ দাবি করলেন তসলিমা নাসরিন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন তসলিমা।   তাঁর দাবি, শেখ....

Taslima Nasrin : ‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল’ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ তসলিমা নাসরিন

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Taslima Nasrin : ‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল’ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ তসলিমা নাসরিন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

‘বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল।’ বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে এমন ‘বিস্ফোরক’ দাবি করলেন তসলিমা নাসরিন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন তসলিমা।

 

তাঁর দাবি, শেখ হাসিনার সরকার এবং বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে মৌলিক কোনও পার্থক্য নেই। তিনি অভিযোগ করেন, কোনও সরকারই মুক্তচিন্তার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেয় না বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু নারীদের অধিকার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তসলিমা।

 

তাঁর অভিযোগ, সেখানে বহু ক্ষেত্রে হিন্দু নারীরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হন এবং বৈষম্যের শিকার হন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ভারতেও মুসলিম নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের মুখোমুখি হন। নারী-পুরুষের সমান অধিকারের দাবিতে তাঁর লড়াই ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর

ধর্ম ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তসলিমা নাসরিন। তাঁর মতে, রাষ্ট্র ও ধর্মকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মাদ্রাসায় উগ্রপন্থী মতাদর্শের প্রসার ঘটে এবং কোথাও কোথাও শিশু নির্যাতনের ঘটনাও সামনে আসে। যদিও তিনি সব মাদ্রাসার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেননি, বরং কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তসলিমা দাবি করেন, ওই আন্দোলনের আড়ালে উগ্রপন্থী শক্তি সক্রিয় ছিল এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল।

 

পাশাপাশি তিনি বলেন, ছাত্র আন্দোলন সবসময় ইতিবাচক ফল বয়ে আনে, এমনটা মনে করার কোনও কারণ নেই। শেষে তিনি বলেন, তাঁর বিশ্বাস বিজেপি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নীতিকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, প্রকৃত স্বাধীনতার অর্থই হলো সকলকে নির্ভয়ে নিজের মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া এবং গণতান্ত্রিক সমাজে সেই অধিকার সর্বদা সুরক্ষিত রাখা।

প্রায় ১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে খোলামেলা মত প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেন, কারও কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া কখনওই উচিত নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাই প্রকৃত গণতন্ত্রের ভিত্তি এবং প্রত্যেক মানুষের নিজের মত প্রকাশের অধিকার থাকা প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে তিনি কবি জয় গোস্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, তাঁকে অসম্মান করা মানে আমাকেও অসম্মান করা। তসলিমার কথায়, তিনিই জয় গোস্বামীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনে তিনি নিজে তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন।

নিজের নির্বাসনের প্রসঙ্গ তুলে তসলিমা বলেন, এক সময় একটি সরকার তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে থাকতে দেয়নি, আবার অন্য একটি সরকার তাঁকে কলকাতায় ফিরে আসার সুযোগ দিয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে নয়, বরং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নীতিতেই তিনি বিশ্বাসী। তাঁর মতে, ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি এবং কোনও সরকারেরই সেই অধিকার খর্ব করা উচিত নয়।

 

আজকের খবর