ব্রেকিং
Latest Posts
Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর‘৯৩ কোটি টাকা, ২৪২টি গাড়ি, ৩০০ বিঘা জমি’ টুলু মণ্ডল কাণ্ডে নবান্ন থেকে বিস্ফোরক শুভেন্দু, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক অভিযোগChandranath Rath : চন্দ্রনাথ রথ খুনে সিবিআইয়ের ‘মাস্টারস্ট্রোক’! গ্রেফতার দুই ‘মূল চক্রী’, ফোনের কল রেকর্ডে বিরোধী দলের ল্যান্ডলাইন, তদন্তে নতুন বিস্ফোরণ১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা! লাল পাড়-সাদা শাড়িতে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন, বই প্রকাশে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুসিঙ্গুর থেকে হলদিয়া! বাংলায় কেমিক্যাল হাব গড়ার প্রস্তাব, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে চিঠি শমীক ভট্টাচার্যের
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর

Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন “একজন অনুপ্রবেশকারীও থাকবে না। তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না। সিএএ-র আওতায় হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, জৈনদের কেউ অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ভারত সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে বলেছে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালের মধ্যে যাঁরা....

Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন “একজন অনুপ্রবেশকারীও থাকবে না। তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না। সিএএ-র আওতায় হিন্দু,....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন 

“একজন অনুপ্রবেশকারীও থাকবে না। তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না। সিএএ-র আওতায় হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, জৈনদের কেউ অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ভারত সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে বলেছে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালের মধ্যে যাঁরা প্রাণ কিংবা ধর্ম বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা হবে না। বা পুলিশ হেনস্তা করতে পারবে না।” শনিবার বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল সেনসাস প্রক্রিয়ার শুরু করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারা অনুপ্রবেশকারী এবং কারা শরণার্থী, তা স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দু’ধরনের লোক বাংলাদেশ থেকে বাংলায় এসেছেন। এক ধরনের হল অনুপ্রবেশকারী। যাঁরা বাংলায় থাকবেন না। চিহ্নিত করে যাচাই বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে।” এই মর্মে বীরভূমের সোনালি বিবির প্রসঙ্গ টানেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

যারা অনুপ্রবেশকারী, তারা কোনওভাবেই সরকারি সুযোগসুবিধা পাবেন না বলেই জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, “দেশের নাগরিক না হলে কোনও সামাজিক প্রকল্পের সুযোগসুবিধা পাবেন না। ভারতের নাগরিকদের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য দায়বদ্ধ। পরিচ্ছন্ন নাগরিক তালিকা এলে সরকারের পক্ষে কাজ করা সুবিধা হবে। এবারের ফর্মে বিস্তারিত তথ্য় দিতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে তথ্য এসে গেলে সামাজিক প্রকল্প কিংবা জাতিগত শংসাপত্র বা সুবিধা পেতে আলাদা করে লাইনে দাঁড়াতে হবে না। চিরস্থায়ী রেকর্ড তৈরি হয়ে যাবে। আগামিদিনে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।”

 

১৫ অগস্ট ‘স্ব-শুমারি’ পর্ব শেষ হওয়ার পরে ১৬ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীরা। নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে সংশোধনের সুযোগও থাকবে। এ বারের জনগণনায় সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। গণনাকারীদের জন্য বিশেষ মোবাইল অ্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় সার্ভারে আপলোড করা হবে। এর ফলে তথ্য সংগ্রহের কাজ আরও দ্রুত, নির্ভুল ও স্বচ্ছ হবে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কারণে কাগজের ব্যবহারও অনেকটাই কমে যাবে।

 

অনলাইনে মোট ৩৩টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ব্যক্তিগত পরিচয়, পরিবারে সদস্যের সংখ্যা, শিক্ষা, পেশা, বাসস্থানের বিবরণ-সহ একাধিক তথ্য দিতে হবে। এ বারই প্রথম জনগণনায় জাতিভিত্তিক তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”এর ফলে সাধারণ মানুষ জাতিগত সুবিধা পাবেন। আলাদা করে তাঁদের লাইনে দাঁড়াতে হবে না। জাতিগত তথ্যে স্থায়ী পরিসংখ্যান থাকবে।” তিনি এই প্রসঙ্গে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের দিকেও আঙুল তুলেছেন। বলেন, ”বিগত সরকার সময়মতো কাজ শুরু করেনি। আমরা কাজটাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।”

প্রশ্ন উঠেছে, যাঁদের নাম এসআইআর তালিকায় বিবেচনাধীন, তাঁরা কি ‘স্ব-শুমারি’ করতে পারবেন? মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই নিয়ে নির্দেশিকা রয়েছে। তাঁর কথায়, ”রাজ্যে প্রায় ২৭ লক্ষের নাম বিবেচনাধীন ছিল। কিছু নাম উঠেছে। ট্রাইবুনাল হয়েছে। সাত লক্ষ মানুষ ট্রাইবুনালে আপিল করেছেন। ২০ লক্ষের তরফে কোনও রেসপন্ড করা হয়নি।” এই প্রসঙ্গে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের অবস্থান আরও এক বার স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, দু’ধরনের লোক পার্শ্ববর্তী দেশ অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে এ দেশে এসেছেন— অনুপ্রবেশকারী এবং শরণার্থী। যাঁরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, তাঁরা এ রাজ্যে থাকবেন না। সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে। আগের সরকারের সময় বীরভূমে যে ত্রুটি ঘটেছিল, তা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ”অন্যেরা হলেন শরণার্থী। সিএএর আওতায় হিন্দু, শিখ, জৈন পারসিরা কিন্তু শরণার্থীর পর্যায়ে পড়েন। ২০১৯ সালের আইন, ২০২৪ সালের রুলে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, তাঁরা শরণার্থী। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাণ, ধর্ম বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এ রাজ্যে এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা হবে না। পুলিশ হয়রানি করতে পারবে না।”

 

 

আজকের খবর