ব্রেকিং
Latest Posts
Suvendu : ‘আপনারা বাংলায় ফিরতে শুরু করুন, কারখানায় কাজ ও সরকারি চাকরি নিশ্চিত করা হবে’ সিকিমে সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ে মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে অর্থ সাহায্য ও চাকরি তুলে দিয়ে আহ্বান শুভেন্দুরBJP protest Rally : দলীয় পতাকা ছেড়ে জাতীয় পতাকা হাতে ‘আরশোলা মারার ওষুধ’ কলকাতার দুই প্রান্তে মিছিল বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদেরCockroach in kolkata : আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিক হেনস্থায় গ্রেফতার বেড়ে ১৬, ৫ অভিযুক্তকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশেরCristiano Ronaldo : গলফ কোর্সে জর্জিনার ‘পিঙ্ক ম্যাজিক’! রোনাল্ডোর সঙ্গে পারিবারিক মুহূর্ত, ভাইরাল হল বিলাসবহুল লাইফস্টাইলের নতুন ঝলক‘কলম থামবে না’ সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ঐক্যের গর্জন, রাজপথে নামলেন সংবাদকর্মীরা
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Cockroach in kolkata : আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিক হেনস্থায় গ্রেফতার বেড়ে ১৬, ৫ অভিযুক্তকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের

Cockroach in kolkata : আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিক হেনস্থায় গ্রেফতার বেড়ে ১৬, ৫ অভিযুক্তকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপরে হেনস্থার ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না বলে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তদন্তে নেমেছিল পুলিশ। সোমবার বিকেল পর্যন্ত সেই তান্ডবে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে....

Cockroach in kolkata : আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিক হেনস্থায় গ্রেফতার বেড়ে ১৬, ৫ অভিযুক্তকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Cockroach in kolkata : আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় পুলিশ ও সাংবাদিক হেনস্থায় গ্রেফতার বেড়ে ১৬, ৫ অভিযুক্তকে খালি পায়ে হাঁটিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপরে হেনস্থার ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের উপরে হেনস্থার ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না বলে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তদন্তে নেমেছিল পুলিশ। সোমবার বিকেল পর্যন্ত সেই তান্ডবে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি কলকাতায় আয়োজিত মিছিলে ব্যাপক অশান্তি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

 

সোমবার সকালে নতুন করে দু’জন ধরা পড়ায় এই মামলায় চিহ্নিত ৭০ জনের মধ্যে গ্ৰেফতার হল ১৬। রবিবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস ও গার্ডেনরিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দু’জনকে জালে তোলা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পার্ক সার্কাসের কড়েয়া এলাকা থেকে ৩৫ বছর বয়সি ওয়াকার আজম এবং গার্ডেনরিচের নাদিয়াল থানা এলাকা থেকে ৩২ বছর বয়সি জাভেদ আখতারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

অভিযোগ, শুক্রবারের নিট মিছিলে ভাঙচুর ও গোলমাল পাকানোর কাজে এরা সরাসরি জড়িত ছিলেন। সোমবার বেলার দিকে ধৃতদের মধ্যে পাঁচ জনকে ডোরিনা ক্রসিংয়ের কাছে নিয়ে এসে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করায় পুলিশ। ধৃতদের খালি পায়ে পুলিশের সঙ্গে হেঁটে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিতে দেখা যায়।

Suvendu : ‘আপনারা বাংলায় ফিরতে শুরু করুন, কারখানায় কাজ ও সরকারি চাকরি নিশ্চিত করা হবে’ সিকিমে সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ে মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে অর্থ সাহায্য ও চাকরি তুলে দিয়ে আহ্বান শুভেন্দুর

সোমবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নাম নেওয়া অভিযুক্ত মহম্মদ আফরোজকেও ঘটনাস্থলে আনা হয়েছিল। এছাড়া আরও চারজনকে কড়া নিরাপত্তায় ধর্মতলায় আনা হয়। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী আগেই দাবি করেছিলেন যে ধর্মতলার মিছিলে পরিকল্পনা করে অশান্তি ছড়ানো হয়েছিল। অন্তত ৭০ জন এমন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা কোনও ছাত্র বা ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য নন। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী পাঁচ জন ‘কুখ্যাত দুষ্কৃতী’র নাম প্রকাশ করেছিলেন, যাদের প্রায় প্রত্যেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা পতাকা, ব্যানার ও গাড়ি নিয়ে রাস্তা দখল করে মাইক্রোফোনে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। পুলিশের দাবি, ওই বক্তব্যে জনতাকে উসকানি দিয়ে পুরো ডোরিনা ক্রসিং দখল করার আহ্বান জানানো হয়। পুলিশের অভিযোগ, বারবার মাইকিং করে জমায়েতকে বেআইনি ঘোষণা করা হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। বরং বিক্ষোভকারীরা পুলিশ, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের এবং পথচারীদের লক্ষ্য করে জলভর্তি বোতল, জুতো, লাঠি ও পাথর ছুড়তে শুরু করেন। এতে কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হন বলে এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে। বেআইনি জমায়েত, বেআইনি জমায়েত থেকে অপরাধ সংগঠিত করা অশান্তি ছড়ানো, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তার সাথে মারধর করা, রাস্তা অবরোধ করা, শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে উস্কানি ও বিদ্বেষ ছড়ানো, সরকারি আদেশ অমান্য করা, একই উদ্দেশ্য নিয়ে একাধিক ব্যক্তির অপরাধ সংগঠিত করা, মূলত এই সমস্ত ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

আজকের খবর