“মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের সাহায্যে রাজনৈতিক দলগুলির উপর আক্রমণ চালাচ্ছেন। রাজ্য পুলিশ তাঁর ব্যক্তিগত বাহিনী হয়ে উঠেছে।” বাঁকুড়ায় বিজেপি কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিষ্ফোরক অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির স্বামী তুহিন মান্ডির উপর হামলা চালানোর ঘটনায় মধ্যরাতে বিজেপি কার্যালয়ে ঢুকে ভাংচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। নতুনগঞ্জে বিজেপি জেলা কার্যালয়ে পুলিশের হানা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে পুলিশ তালা ভেঙে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে ঢোকে, এবং সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল বচসা বাঁধে। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাঁকুড়া সদর থানার সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অন্যদিকে, বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার জানান,“নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। অফিসে কোনও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। সমস্ত কিছু ভিডিয়োগ্রাফ করা হয়েছে।” তবে পুলিশের এই বক্তব্য মানতে নারাজ বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পুলিশি পদক্ষেপ। ঘটনাকে ঘিরে বাঁকুড়া জেলাজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।
এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, এটি শুধু নিন্দনীয় নয়, বরং একটি নির্বাচিত সরকারের ফ্যাসিবাদী শাসনের নগ্ন উদাহরণ। তিনি আরও লিখেছেন, “এই ঘটনা প্রমাণ করে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের সাহায্যে রাজনৈতিক দলগুলির উপর আক্রমণ চালাচ্ছেন। রাজ্য পুলিশ তাঁর ব্যক্তিগত বাহিনী হয়ে উঠেছে।”
গোটা ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তাদের মতে, “রাতের অন্ধকারে কোন একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করার চেষ্টা রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছাড়া কিছুই নয়।”
শুভেন্দু অধিকারী পোস্ট করেছেন, “কয়েকদিন আগে মহেশতলায় মমতা পুলিশের আত্মসমর্পণের অঙ্গভঙ্গি কেউ ভুলতে পারে না, পাথর ছোড়া জিহাদিদের দিকে সাদা রুমাল নেড়ে। রক্তাক্ত কাপুরুষ। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে হিন্দুবিরোধী সহিংসতার সময়, যেখানে জনতা দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে, ক্রুড বোমা ব্যবহার করেছে এবং পুলিশের গাড়িতে হামলা করেছে, এই দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে, জিহাদি দাঙ্গাকারীদের মুখোমুখি হলে মমতা পুলিশ হয় দোকানে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের টেবিলের নীচে লুকিয়ে থাকার ইতিহাস আছে, মাথায় ফাইল ঢেকে, টিএমসি গুন্ডাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে খুব ভয় পায় যারা থানায় ঢুকে পড়ে। পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এমন একটি পুলিশ বাহিনীর চেয়ে ভাল কিছুর যোগ্য যারা বিরোধী দল এবং সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে তাদের পেশি শক্তি প্রয়োগ করে কিন্তু টিএমসির গুন্ডা বা অন্যান্য আইন ভঙ্গকারীদের মুখোমুখি হলে যারা টিএমসি দলের আশ্রয়ে থাকে, লেজ গুটিয়ে নেয়। এটি আইন প্রয়োগকারী নয়, এটি জোকারদের দ্বারা মঞ্চস্থ একটি নাটক, যারা পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সমস্ত শ্রদ্ধা হারিয়েছে। বৈধ কারণ এবং কাগজপত্র ছাড়াই রাতে বিজেপির দলীয় অফিসে অবৈধভাবে প্রবেশের এই প্রচেষ্টার নিন্দা করছি। লজ্জা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের।”
- kolkatasaradinnews@gmail.com
- Kolkata
Get Started
- Home
- About
Quick Links
- Products
- Services
- Gallery
- Affiliates
Legal
- Shipping & Refunds
- Terms & Conditions
- Privacy Policy
- Disclaimer
© 2025 Kolkata Saradin All Rights Reserved | Designed by Great Tech India