ব্রেকিং
Latest Posts
Bike Banned : ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে থেকেই বাংলায় নিষিদ্ধ বাইক, রাস্তায় নামবে না Rapido, Uber-সহ কোন অ্যাপ বাইকMamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতাYogi on Vivekananda : “স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ স্বামী বিবেকানন্দ আর নেতাজিকে গুলিয়ে দিলেন যোগী আদিত্যনাথMamata attacks Modi : ‘১০ টাকা কখনও ওঁর পকেটে থাকে? কত নাটক! ঝালমুড়িও নিজেরা তৈরি করে রেখেছে’ মোদিকে তীব্র ব্যঙ্গ মমতারShamik NRI Bengali : ‘মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন যে আমরা বাইরে থেকে ভোটার আনছি, কিন্তু সেই ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গেরই’ মমতাকে কটাক্ষ শমীকের
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Mamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতা

Mamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতা

কলকাতা সারাদিন প্রতিবেদন। বাংলার ২৯৪ কেন্দ্রে তিনি নিজেই প্রার্থী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে প্রত্যেকটি প্রচার সভা থেকে বাংলার মানুষের কাছে আহ্বান জানাচ্ছেন, আপনার এলাকায় তৃণমূলের কে প্রার্থী দেখতে হবে না। আমার উপরে আস্থা রেখে ভোট দিন। ২৯৪ কেন্দ্রে আমিই....

Mamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতা

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Mamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতা

কলকাতা সারাদিন প্রতিবেদন। বাংলার ২৯৪ কেন্দ্রে তিনি নিজেই প্রার্থী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে প্রত্যেকটি প্রচার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

কলকাতা সারাদিন প্রতিবেদন।

বাংলার ২৯৪ কেন্দ্রে তিনি নিজেই প্রার্থী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে প্রত্যেকটি প্রচার সভা থেকে বাংলার মানুষের কাছে আহ্বান জানাচ্ছেন, আপনার এলাকায় তৃণমূলের কে প্রার্থী দেখতে হবে না। আমার উপরে আস্থা রেখে ভোট দিন। ২৯৪ কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী। তবে বাংলার প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছুটে বেরিয়ে প্রচারের পাশাপাশি আজ কলকাতায় ফিরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রচারে নামলেন মমতা।

 

বেলেঘাটায় তৃণমূল প্রার্থী কুনাল ঘোষ এবং শ্রেয়া পান্ডের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সেরে সোজা পৌঁছে যান শেক্সপিয়ার সরণীতে থিয়েটার রোডে। থিয়েটার রোড ধরে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যান বেশ কয়েকটি আবাসনে।

 

কলকাতার মেয়র তথা ভবানীপুর কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক ফিরহাদ হাকিমকে সঙ্গে নিয়ে গঙ্গা যমুনা সহ এলাকার ৮টি আবাসনে নিজে গিয়ে মমতা বোঝালেন মহিলা বিলের থেকে শুরু করে মূল্যবৃদ্ধি, কর্ম সংস্থান নিয়ে কেন্দ্রীয় নীতির কথা৷

 

ভবানীপুর বিধানসভা এমন একটি কেন্দ্র যেখানে সমস্ত ধর্মের এবং সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন শান্তিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে। তাদের অনেকেই মমতার পূর্ব পরিচিত। হাঁটতে হাঁটতে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় কথা বলেন তিনি।

Ipac Controversy : ‘বাংলায় আইপ্যাকের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর’ বিবৃতি জারি তৃণমূলের

এলাকার বাসিন্দাদের কাছে মমতা বলেন, “কোনও অন্য ভাষাভাষী লোকের ওপর এখানে অত্যাচার হয় না। আপনারা দিল্লির ভোটে ওদেরকে ভোট দিলেও এখানে আপনাদেরকে কেউ অত্যাচার করবে না৷ আমার সময় এর দাম রয়েছে। এখানে আমরা কালীপুজো করে যাই। এখানে বড়ো বড়ো মার্কেট আছে। হাউসিং আছে। এখানে আপনাদের আশীর্বাদ নিতে এসেছি। আপনারা একসাথে থাকুন। বাংলায় আপনারা শান্তি তে থাকেন। আপনাদের অঞ্চলে বি এড করেছি। শাখাওয়াত স্কুলে ২ মাস ট্রেনিং করেছি। দিওয়ালি এর সময় আসি। আমি সব সময় আসি। এখানে কোনো অত্যাচার হয় না দেখেছেন আপনারা। ওরা অত্যাচার করছে আপনারা দেখছেন। ব্যবসায়ীদের ওপর, সাধারণ মানুষের ইডি সিবিআই এর যেন অত্যাচার না হয় তার নিশ্চয়তা আমি দেব৷

নরেন্দ্র মোদি সরকার কর্মসংস্থানের গ্যারান্টি দেওয়া সত্ত্বেও সেই কথা রাখেনি বলে অভিযোগ করে মমতা বলেন, ১২ বছর হয়ে গেল, মানুষ কি কাজ পেয়েছে? রেল সেল সব বেচে দিচ্ছে৷ গ্যাসের দাম কোথায় গেছে? কালো টাকা দিয়ে সব খরচা করছে ৷ একের পর এক হেলিকপ্টার নিয়ে আসছে এই কালো টাকা দিয়ে৷”

 

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে বারে বারে যেভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নাকি কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দল গুলির সঙ্গে মিলে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করতে দেয়নি সেই প্রসঙ্গে

 

মমতার অভিযোগ, “আপনাদের ভাবার সময় এসেছে। যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন। যারা অত্যাচার করছে তাদের নিয়ে। মহিলা বিল পাশ হয়েছে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বর এ। তারপর তিন বছর ধরে কোনো নোটিফিকেশন হয়নি। এটা ডিলিমিটিশন এর। রাজ্যসভা তে আমাদের ১৩ টা সিট তার মধ্যে ৬ জন মহিলা। এটা ভাবুন। কেন শোনা যাচ্ছে না? দুঃখিত আপনাদের কাছে যে আপনারা শুনতে পাননি। আমার নাম ২ নম্বরে আছে ইভিএমে। ২ নম্বর মানে তো ভিক্টরি। মূল্যবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান না হওয়া বড় ব্যাপার৷”

 

 

আজকের খবর