u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
TMC Logo freezed : তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন, তৃণমূল নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না মমতা ও ঋতব্রত কেউTMC Logo বিতর্ক: ‘সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক?’ ঋতব্রতকে নিশানা কল্যাণের, তৃণমূলের প্রতীক freeze কমিশনেরSuvendu Annapurna : ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ির মালিক হবেন মহিলারাই, প্রত্যেক বছর ১৭ সেপ্টেম্বর অন্নপূর্ণা দিবস’ ঐতিহাসিক ঘোষণা শুভেন্দুরModi on Annapurna : ‘বিজেপির মূলমন্ত্র ছিল কথা কম, কাজ বেশি, অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা সেই ভাবনাচিন্তা থেকেই’ জন্মদিনে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরনবান্নে ইতি? মহালয়ার আগেই মহাকরণে ফিরছেন শুভেন্দু, প্রথম দফায় সঙ্গে ৫ মন্ত্রী
  • Home /
  • কলকাতা /
  • RG Kar Threat Culture : “তিলোত্তমার নামে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তোলা হয়েছে” কিঞ্জল অনিকেতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে পাল্টা সংগঠন জুনিয়র ডাক্তারদের

RG Kar Threat Culture : “তিলোত্তমার নামে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তোলা হয়েছে” কিঞ্জল অনিকেতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে পাল্টা সংগঠন জুনিয়র ডাক্তারদের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার চাওয়ার অজুহাতে আন্দোলনে নেমে তোলাবাজি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল অনেক আগে থেকেই। সিপিএম এবং উগ্র বামপন্থী মাওবাদী বেশ কিছু সংগঠনের উস্কানিতে টালিগঞ্জের....

RG Kar Threat Culture : “তিলোত্তমার নামে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তোলা হয়েছে” কিঞ্জল অনিকেতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে পাল্টা সংগঠন জুনিয়র ডাক্তারদের

  • Home /
  • কলকাতা /
  • RG Kar Threat Culture : “তিলোত্তমার নামে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তোলা হয়েছে” কিঞ্জল অনিকেতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে পাল্টা সংগঠন জুনিয়র ডাক্তারদের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার চাওয়ার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। 

আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণের ঘটনায় বিচার চাওয়ার অজুহাতে আন্দোলনে নেমে তোলাবাজি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল অনেক আগে থেকেই। সিপিএম এবং উগ্র বামপন্থী মাওবাদী বেশ কিছু সংগঠনের উস্কানিতে টালিগঞ্জের কয়েকজন অভিনেতা অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ আঁতাত করে কোটি কোটি টাকা তিলোত্তমার বিচারের নামে তোলা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠছিল বিভিন্ন মহল থেকে।

এবারে আরজিকরের জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ রীতিমতো তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ্যে এনে ফাঁস করে দিলেন জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের নামে এই কোটি কোটি টাকা তোলাবাজির চক্রান্ত।

 

একদিকে আরজি করে গণ কনভেনশন। অন্যদিকে থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত জুনিয়র ডাক্তারদের নতুন সংগঠন। ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন(WBJDA) নামে ওই সংগঠনের তরফে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করলেন অভিযুক্ত জুনিয়র ডাক্তাররা। একইসঙ্গে এতদিন ধরে চলা জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তাঁরা।

 

ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্ন শ্রীশ চক্রবর্তী বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায় হয়ে চলেছে। আরজি কর কাণ্ডের পর আমরা বলেছিলাম, কর্মবিরতি নয়, রোগীর পরিষেবা দেব আন্দোলন করে। তখন আমাদের বহিষ্কার করে আমাদের কলেজে ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর আদালতের নির্দেশে আমরা ডিউটিতে যোগ দিই। অনিকেত মাহাতো মুখ্যমন্ত্রীর সামনে আমাদের দুষ্কৃতী বলে সম্মানহানি করেছেন।”

 

আর এক ইন্টার্ন সৌরভ কুমার দাস প্রশ্ন তোলেন, “তিলোত্তমার নামে বিচার চেয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করেছে। তিলোত্তমার নামে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তোলা হয়েছে। যারা তিলোত্তমার নামে টাকা তুলেছে, তারা কি দুষ্কৃতী নয়?” তিনি বলেন, “আমরা প্রথম তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে সরব হই। আমাদের সঙ্গে মানুষ ছিল। কিন্তু পরে দেখতে পাই তিলোত্তমাকে ব্যবহার করে অনেক ডাক্তার নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করেছে।”

 

তাঁরাই থ্রেট কালচারের শিকার বলে দাবি করে ইন্টার্ন সৌরভ দাস বলেন, “আমরা থ্রেট কালচারের শিকার। কিছু উগ্রপন্থী মনোভাবাপন্ন লোকজনের জন্য আন্দোলনের মুখটা পাল্টে গেল। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তাদের মূল বক্তব্য ছিল, তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই তুমি দোষী। দোষ প্রমাণ করার দরকার নেই।” একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর অনুরোধ, “আপনি এক পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন। আমাদের পক্ষ শোনেননি।”

 

ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের(WBJDF) পাল্টা এই সংগঠন নিয়ে জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাতো বলেন, “গণতান্ত্রিক পরিবেশে সবাই সংগঠন করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই সংগঠনের ভূমিকা ও উদ্দেশ্য কী? যাঁরা থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত, তাঁরা যদি সংগঠন করে সামাজিক দায়িত্বের কথা বলে, ন্যায়বিচারের কথা বলে, তবে তা হাস্যকর হয়। তাঁদের সংগঠনের বৃদ্ধি হোক। কিন্তু, কী উদ্দেশ্য নিয়ে সংগঠন করছে, তা সামনে আসা উচিত।”

জুনিয়র ডাক্তার কিঞ্জল নন্দ বলেন, “আমাদের গণতান্ত্রিক দেশ। গণতান্ত্রিক অধিকার সকলের রয়েছে। যে কেউ সংগঠন গড়তেই পারেন। তাতে আপত্তির কোনও কারণ নেই। তবে আমার মনে হয়, মানুষের কাছে পক্ষ নেওয়ার সময় এসেছে। যে পক্ষ নিয়ে মানুষ বলতে পারবেন, তাঁরা কাদের পক্ষে রয়েছেন। তাঁরা প্রতিবাদের পক্ষে রয়েছেন, নাকি বিচারের পক্ষে, নাকি থ্রেট কালচারের পক্ষে রয়েছেন।

আজকের খবর