ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Mamata on BSK Success : বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে লেনদেন ছুঁল ১০০০ কোটি! সাফল্যে আপ্লুত মমতা

Mamata on BSK Success : বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে লেনদেন ছুঁল ১০০০ কোটি! সাফল্যে আপ্লুত মমতা

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ফের দুর্দান্ত সাফল্য বাংলার। দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান, বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের মতো নানা প্রকল্প সারাবছর ধরে জেলায় জেলায় কাজ করে। এবার তেমনই এক প্রকল্পের দারুণ সাফল্যের খবর এল প্রকাশ্যে। শুক্রবার সোশাল মিডিয়া পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা....

Mamata on BSK Success : বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে লেনদেন ছুঁল ১০০০ কোটি! সাফল্যে আপ্লুত মমতা

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Mamata on BSK Success : বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে লেনদেন ছুঁল ১০০০ কোটি! সাফল্যে আপ্লুত মমতা

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ফের দুর্দান্ত সাফল্য বাংলার। দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান, বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

ফের দুর্দান্ত সাফল্য বাংলার। দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান, বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের মতো নানা প্রকল্প সারাবছর ধরে জেলায় জেলায় কাজ করে। এবার তেমনই এক প্রকল্পের দারুণ সাফল্যের খবর এল প্রকাশ্যে। শুক্রবার সোশাল মিডিয়া পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেই সুখবর জানিয়েছেন। বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে বিভিন্ন পরিষেবায় ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন হাজার কোটি টাকা পেরিয়েছে খুব কম সময়ের মধ্যে।

বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের এই অভাবনীয় সাফল্য তুলে ধরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মমতা লেখেন, বিএসকের এই মাইলস্টোন বুঝিয়ে দেয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি একটা মডেল হয়ে উঠেছে। বিএসকে প্রতিদিন অসংখ্য পরিষেবা দেয়। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “বাংলা সহায়তা কেন্দ্রগুলি তাদের ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে পরিষেবা প্রদানের লেনদেনে অল্প সময়ের মধ্যেই ১,০০০ কোটি টাকা অতিক্রম করে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে।

এই মাইলফলক বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রতি জনগণের ক্রমবর্ধমান আস্থাকে তুলে ধরে এবং পশ্চিমবঙ্গের ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিস প্রদানের মডেলের দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা তুলে ধরে। বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে-গুলি প্রতিদিন হাজার হাজার বিভাগীয় পরিষেবা প্রদান করে, যার মধ্যে রয়েছে বৃত্তি এবং সার্টিফিকেট থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য এবং আবাসন পরিষেবা, যা তাদের ডিজিটাল পরিকাঠামোর মাধ্যমে নির্বিঘ্নে করা হয়।

এই উদ্যোগটি “ডিজিটাল বাংলার কর্মকাণ্ড”, সক্রিয়ভাবে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, অ্যাক্সেস যোগ্যতার বাধা হ্রাস এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন মডেল গড়ে তোলার একটি প্রমাণ। এই সাফল্য প্রত্যেক বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের অপারেটর এবং তাদের সমর্থনকারী দলগুলির সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলাফল। তাঁদের সকলকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন।”

প্রসঙ্গত, বাংলা সহায়তা কেন্দ্রগুলিতে সাধারণত বিভিন্ন সরকারি সার্টিফিকেট দেওয়ানেওয়ার কাজ হয়। স্কলারশিপ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, আবাসন-সহ বিভিন্ন খাতে পরিষেবা দেওয়া হয়। প্রতিদিন প্রায় হাজার নাগরিক এই সহায়তা পান। এর বিনিময়ে নিয়মমতো ফি নেন কর্মীরা। তা যায় সরকারি কোষাগারে। পরিসংখ্যান বলছে, খুব কম সময়ের মধ্যে সেই লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়েছে এক হাজার কোটি টাকা।

 

আজকের খবর