ব্রেকিং
Latest Posts
Abhishek against BJP : ‘এমন পরিবর্তন হবে যে ২০২৬ এর পর প্রধানমন্ত্রী বাংলায় এসে জয় বাংলা বলবেন’ মোদীর বাংলায় পরিবর্তনের ডাকের পাল্টা হুঁশিয়ারি অভিষেকেরJiroft Civilization : ইরানের জিরফট – ৫০০০ বছরের পুরনো এক হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার বিস্ময়কর পুনরাবিষ্কারModi attacks Mamata from Singur : ‘বাংলায় এবার আসল পরিবর্তন চায় মানুষ, জঙ্গলরাজের অবসান চাই’ সিঙ্গুর থেকে মমতাকে কড়া আক্রমণ মোদিরSanam Shetty Bikini Look : পুলসাইডে মধ্যরাতের আগুন, ভাইরাল হল সনম শেট্টির বোল্ড গ্ল্যামারMamata against Media Trial : ‘মিডিয়া যেন আগে থেকেই মিডিয়া ট্রায়ালে না যায়’ সব এজেন্সির সচ্ছতা ও আইনের শাসন বজায় থাকুক’ জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনে দেশের প্রধান বিচারপতির সামনে মন্তব্য মমতার
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Modi attack on Mamata : ‘কেন্দ্র টাকা পাঠায়, তৃণমূল খেয়ে নেয়—মানুষের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই’ মালদহের সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদির

Modi attack on Mamata : ‘কেন্দ্র টাকা পাঠায়, তৃণমূল খেয়ে নেয়—মানুষের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই’ মালদহের সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদির

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ‘আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল খেয়ে নেয়। তৃণমূল সরকার নির্মম নির্দয়।’ এভাবেই মালদহের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে....

Modi attack on Mamata : ‘কেন্দ্র টাকা পাঠায়, তৃণমূল খেয়ে নেয়—মানুষের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই’ মালদহের সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদির

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Modi attack on Mamata : ‘কেন্দ্র টাকা পাঠায়, তৃণমূল খেয়ে নেয়—মানুষের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই’ মালদহের সভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদির

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   ‘আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

‘আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল খেয়ে নেয়। তৃণমূল সরকার নির্মম নির্দয়।’ এভাবেই মালদহের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বাংলায় আসল পরিবর্তনের সময় এসেছে বলে দাবি করে মোদি বলেন, ‘মহারাষ্ট্রে বিজেপিকে বেছেছে সেখানকার মানুষ। আমার বিশ্বাস এবার বাংলার মানুষও বিজেপিকে নিয়ে আসবে। আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গা আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। আমি চাই প্রতিটি ঘরে জল দিতে। কিন্তু তা হচ্ছে না। বাংলার সব গৃহহীন ঘর পান। নল থেকে সকলে জল পান, মুক্ত রেশন পান, যে যোজনা কেন্দ্র গরিবদের জন্য চালু করেছে, আমি চাই, বাংলার মানুষ তার সুবিধা পাক। আপনাদের সেগুলি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার নির্দয়। নির্মম। কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা দেয়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়। তৃণমূলের লোক বাংলার গরিবদের শত্রু। ওরা আপনাদের কষ্ট নিয়ে চিন্তা করে না। নিজেদের সিন্দুক ভরছে। আমি চাই, বাকি দেশের মতো বাংলার গরিব মানুষজনও ৫ লক্ষ টাকার মুক্ত চিকিৎসা পান। আয়ুষ্মান ভারত চালু হোক। কিন্তু আজ বাংলা দেশের একমাত্র রাজ্য, যেখানে ৫ লক্ষ টাকার যোজনা, আয়ুষ্মান যোজনা চালু হতে দেয়নি।’

শনিবার মালদহের রাজনৈতিক জনসভা থেকে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘জয় মা কালী। পবিত্রভূমিকে প্রমাণ। মায়েরা, কেমন আছেন? আজ আমি খুশি। ছোট ছোট বালকেরা হনুমান, রাম, লক্ষ্মণ সেজেছে। ওদের শুভকামনা। মালদহ সেই জায়গা, যেখানে প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রাজনীতি এবং সাংস্কৃতির চেতনা। মালদহ বাংলার সমৃদ্ধির কেন্দ্র। আমি প্রথম বাংলার শিবেন্দুশেখর রায়কে প্রণাম জানাই, যাঁর জন্য মালদহ আজও ভারতে রয়েছে। আজও নিজের আম, আমসত্ত্ব, রেশম, লোকসঙ্গীত, বৌদ্ধিক চেতনার জন্য পরিচিত। পূর্ব ভারতের বিকাশ খুব জরুরি। হিংসার রাজনীতি যারা করে, তারা বিকাশ আটকে রেখেছিল। বিজেপি এই রাজ্যগুলিকে হিংসার রাজনীতি করা লোকজনের থেকে মুক্ত করেছে। পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশ্বাস যদি কারও সঙ্গে থাকে, তা হলে তা হল বিজেপি। ওড়িশায় বিজেপি সরকার করেছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপি-তে। কিছু দিন আগে বিহার আরও এক বার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চার দিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গার আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি এই কাজ করে ছাড়বে। বাংলায় সুশাসন আনবে। আমার সঙ্গে একটা সঙ্কল্প করুন। আমি বলব, পাল্টানো দরকার। আপনারা বলবেন, চাই বিজেপি সরকার।’

জনসভা থেকে বারে বারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘মালদহ তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে মার খাচ্ছে। প্রতি বছর এখানে অসংখ্য ঘর নদীতে তলিয়ে যায়। লক্ষ মানুষ তৃণমূল সরকারের কাছে আবেদন করছেন, পার বাঁধাতে। তৃণমূল ছেড়ে দেয়। বাঁধের নামে কত যে খেলা হয়, আমার থেকে বেশি আপনারা জানেন। সিএজি রিপোর্ট দেখছিলাম বাঁধ নিয়ে। আপনাদের বাঁধের টাকা দেয়নি। কিন্তু তৃণমূলের নিজের লোকদের খাতায় ৪০ বার বাঁধের টাকা পাঠানো হয়েছে। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সঙ্কটে ছিলেন, তাঁদের দেয়নি। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠেরা পীড়িতদের টাকা লুটেছে। মালদহের মাটিতে বলছি, বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই তৃণমূলের এই কালো দুর্নীতি বন্ধ হবে। বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অনুপ্রবেশ। দুনিয়ার সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে টাকার অভাব নেই, তারাও অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দিচ্ছে। ওদের বাইরে পাঠানো উচিত কি না? কিন্তু তৃণমূল সরকার থাকতে তা কি সম্ভব? ওরা কি করবে? আপনাদের অধিকার কি রক্ষা করবে? আপনাদের জমি, বোন-মেয়েদের কি রক্ষা করবে? অনুপ্রবেশকারীদের কে বার করবে? তৃণমূলের সিন্ডিকেট বহু বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার করার খেলা করছে। ওরা গরিবদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। যুবকদের কাজ ছিনিয়ে নেয়। বোনদের উপর অত্যাচার করেছে। দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। মালদহ, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় হিংসা বাড়ছে। অনুপ্রবেশকারীদের জোট ভাঙতে হবে। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে। মোদীর গ্যারান্টি, মতুয়া, যাঁরা প্রতিবেশী দেশে ধর্মের কারণে হিংসার শিকার হয়ে এখানে এসেছেন, তাঁরা ভয় পাবেন না। মোদী সিএএ-র মাধ্যমে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে। এখানে যে বিজেপি সরকার হবে, তারা মতুয়া, নমঃশূদ্র শরণার্থীদের বিকাশের কাজে গতি আনবে। বাংলায় পরিবর্তন আনার দায়িত্ব রয়েছে মা-বোন, যুবকদের।’

 

আজকের খবর