u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
TMC Logo freezed : তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন, তৃণমূল নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না মমতা ও ঋতব্রত কেউTMC Logo বিতর্ক: ‘সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক?’ ঋতব্রতকে নিশানা কল্যাণের, তৃণমূলের প্রতীক freeze কমিশনেরSuvendu Annapurna : ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ির মালিক হবেন মহিলারাই, প্রত্যেক বছর ১৭ সেপ্টেম্বর অন্নপূর্ণা দিবস’ ঐতিহাসিক ঘোষণা শুভেন্দুরModi on Annapurna : ‘বিজেপির মূলমন্ত্র ছিল কথা কম, কাজ বেশি, অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা সেই ভাবনাচিন্তা থেকেই’ জন্মদিনে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরনবান্নে ইতি? মহালয়ার আগেই মহাকরণে ফিরছেন শুভেন্দু, প্রথম দফায় সঙ্গে ৫ মন্ত্রী
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Dilip Ghosh on Corruption : ‘আমাদের বহু নেতা আছে যারা তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে’ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাকর্মীদের তোলাবাজি নিয়ে স্বীকারোক্তি পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের

Dilip Ghosh on Corruption : ‘আমাদের বহু নেতা আছে যারা তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে’ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাকর্মীদের তোলাবাজি নিয়ে স্বীকারোক্তি পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের

‘তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হচ্ছেন অনেক নেতা’— বিজেপির অন্দরের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘আমাদের বহু নেতা আছে যারা এই মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। পার্টি নজর রেখেছে চেষ্টা করছে। তোলাবাজির সংস্কৃতি এত তাড়াতাড়ি উঠে যাবে এটা....

Dilip Ghosh on Corruption : ‘আমাদের বহু নেতা আছে যারা তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে’ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাকর্মীদের তোলাবাজি নিয়ে স্বীকারোক্তি পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Dilip Ghosh on Corruption : ‘আমাদের বহু নেতা আছে যারা তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে’ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাকর্মীদের তোলাবাজি নিয়ে স্বীকারোক্তি পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের

‘তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হচ্ছেন অনেক নেতা’— বিজেপির অন্দরের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য শোভন গায়েন।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

‘তোলাবাজির মধুতে আসক্ত হচ্ছেন অনেক নেতা’— বিজেপির অন্দরের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

‘আমাদের বহু নেতা আছে যারা এই মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। পার্টি নজর রেখেছে চেষ্টা করছে। তোলাবাজির সংস্কৃতি এত তাড়াতাড়ি উঠে যাবে এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। পুলিশকে বলা হয়েছে, অভিযোগ আসলেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’ নিজের দল বিজেপির নেতাকর্মীদের তোলাবাজি নিয়ে এভাবেই প্রকাশ্যে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

 

রাজ্যে পালাবদলের থেকেই দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা দিয়ে এসেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তৃণমূল কংগ্রেস জমানার দুর্নীতির ফাইল খোলার সঙ্গে, দলীয় কর্মীদেরও বারবার সতর্ক করতে দেখা গিয়েছে নেতাদের। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পার্টি অফিস ভাঙচুর থেকে ডিম থেরাপি। বিজেপি কর্মীদের এসব থেকে বিরত থাকতে বারবার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এবার তোলাবাজি প্রসঙ্গে বিস্ফোরক পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, ‘পার্টির মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এরা খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছে যারা মানুষকে কষ্ট দিয়েছিল তাদের সঙ্গে। মানুষ যে উদ্দেশ্য বদল করেছে সেটা যেন আমরা ভুলে না যাই।’

 

কিছুদিন আগেই জিতেন্দ্র তিওয়ারি দলের নেতা-কর্মীদের তোলাবাজির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও বিষয়টি থামেনি। এই তোলাবাজি সংস্কৃতি যে থামেনি সেটা নিজে মুখে স্বীকার করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আগামী ৯ আগস্ট শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের তিনমাস পূর্ণ হতে চলেছে। কিন্তু তোলাবাজি চলছেই।

 

শনিবার প্রকাশ্যেই একথা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্বয়ং। রাজারহাটে আইআইটি খড়্গপুর রিসার্চ পার্কে ‘উদ্যমী সমাগম’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার দলের পক্ষ থেকে যদি বলি সব জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, তাহলে ভুল হবে। কিছু বিচ্যুতি আছে। একটা পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে মানুষ দীর্ঘদিন গিয়েছে। ইজি মানির মধ্যে দিয়ে একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পরে সমস্ত কিছু বদল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নয়। আমার দলেরই অনেকের মধ্যে সুপ্ত বাসনা, যা এতদিন অতৃপ্ত অবস্থায় ছিল, সেগুলি ফুটে বেরচ্ছে। রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা রাজনৈতিক সমাজের বাসিন্দা হয়ে গিয়েছি। এর থেকে মুক্তি চাই।’

Suvendu Census : “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এ রাজ্যে থাকবে না, যাচাই-বাছাই করে ফেরত পাঠানো হবে, তাদেরকে আমরা খাওয়াতে পারব না” সেনসাস প্রক্রিয়া শুরু করে ঘোষণা শুভেন্দুর

অন্যদিকে, বাম আমলে বিতাড়িত হয়ে, ১৯ বছর পরে বিজেপি জমানায় কলকাতায় ফিরেছেন তসলিমা নাসরিন। শনিবার লেখিকাকে দেওয়া হল সম্বর্ধনা। রবীন্দ্রসদনের অনুষ্ঠানে কবি জয় গোস্বামী মঞ্চের দিকে এগোতেই উত্তেজনা। হইচই দর্শকদের একাংশের। মঞ্চের দিকে এগিয়েও, হইচইয়ের জেরে মঞ্চে না উঠেই দর্শকাসনে ফিরে যান কবি। ঘটনার জেরে মঞ্চে বলতে উঠতে থমকে যান তসলিমা নাসরিন। দর্শকদের শান্ত হওয়ার আবেদন জানান লেখিকা। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে বক্তব্য শুরু করেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা। এই প্রসঙ্গ মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘একজন বিশ্ববিখ্যাত বাংলার সাহিত্যিক। তাঁর লেখা নিয়ে লোকের দ্বিমত থাকতে পারে। আমরাও সহমত, এমন নয়। কিন্তু তিনি কলকাতার মতো মহানগরীতে এসেছিলেন…তাঁকে যেভাবে অত্যাচার করে ভয় দেখিয়ে তাঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, এটা বাঙালির পক্ষে অপমান। তাই আমাদের সরকার, তাঁকে ডেকে নিয়ে এসে সম্মান দিয়েছেন। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নিজে ছিলেন। এটা ঠিক যে, যারা এর বিরোধীতা…মানে ওনাকে তাঁড়ানোর পক্ষে ছিল বা তাড়ানোর বিরোধীতা করেনি, এরকম সাহিত্যিকদেরকে কেন সম্মান দেওয়া হবে ? মঞ্চে তো সম্মান দেওয়া উচিত নয়। তাই স্বাভাবিকভাবে প্রতিবাদ এসেছে। কারণ এই যে সেক্যুলারিজমের নামে, যারা বড় বড় কথা বলত, বাঙালির নামে, তাঁরা…তসলিমা নাসরিন কি বাঙালি নন ? তাহলে কেন দাঁড়ায়নি ? আর এই কবি-সাহিত্যিকরা তখন মৌন ছিলেন। মানুষ সব দেখছে। তার প্রতিবাদ হয়েছে।’

 

 

আজকের খবর