শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।
“একটা বিষয় পরিস্কার যে রাজ্য সরকার ধর্ষণ ও খুনকে সমর্থন করছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।” এভাবেই আরজিকর হাসপাতালে নির্যাতিতার জন্মদিনে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনে মদত দেওয়ার বিষ্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
রবিবার ছিল তিলোত্তমার জন্মদিন। সেই দিন তাঁর বাবা-মা নাগরিক সমাজকে বিচারের দাবিতে পথে নামার আবেদন করেন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে পথে নামেন প্রচুর মানুষ। চিকিৎসকদের একাংশ থেকে শুরু করে বিনোদন জগতেরও অনেককে দেখা যায় পথে নামতে। মেয়ের জন্য পথে নামেন তিলোত্তমার মা-বাবাও। কলেজ স্কোয়ার থেকে মৌন মিছিল হয় আরজি কর পর্যন্ত।
এ দিন, শুধু নাগরিক সমাজ নয়, পথে নামে রাজনৈতিক দলগুলিও। বাম-কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই নিজের নিজের মতো কর্মসূচি পালন করেন। এ দিন, তিলোত্তমার বাড়ির সামনে তাঁকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মোমবাতি জ্বালিয়ে , ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন শুভেন্দু। তিলোত্তমার মা-বাবার সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্যে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এর থেকে একটা বিষয় পরিস্কার যে রাজ্য সরকার ধর্ষণ ও খুনকে সমর্থন করছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা রাজনীতির উর্ধ্বে গিয়ে এই ঘটনার বিরোধীতা করছি। তবে নির্যাতিতার পরিবারই বলছে, এই বিষয়ে আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে কোনও সাহায্য পায়নি। আমার মতে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেরই জেলে যাওয়া উচিত। কারণ এই ঘটনার দায় তাঁদের নেওয়া উচিত”।

যদিও, আজ আবার তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “যাঁরা বলছেন আসল অপরাধী এখনও আরজি করে লুকিয়ে রয়েছে। পরিষ্কার করে বলছি তদন্ত শেষ হয়েছে। কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সিবিআই মান্যতা দিয়েছে। শিয়ালদহ কোর্ট সাজা দিয়েছে। তবে যাঁরা আজ রাস্তায় নেমে বলছে আসল দোষী…আসল দোষী বলছেন, আদতে তাঁরা সঞ্জয় রায়কে বাঁচাতে নেমেছেন।”