ব্রেকিং
Latest Posts
Nusrat Jahan: কমলা বিকিনিতে প্রায় উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা, নুসরতের বিকিনি পরা ছবি Viral হতেই একের পর এক অশালীন কমেন্টদার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Sukanta on President Rule in Bengal : ‘রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেই বাংলায় এসআইআর হওয়া উচিত ছিল’ বিষ্ফোরক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, ‘বিজেপি ও কমিশনের হাতে রক্ত থেকেই যাবে’ দাবি তৃণমূলের

Sukanta on President Rule in Bengal : ‘রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেই বাংলায় এসআইআর হওয়া উচিত ছিল’ বিষ্ফোরক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, ‘বিজেপি ও কমিশনের হাতে রক্ত থেকেই যাবে’ দাবি তৃণমূলের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন দু’বছর সময় লাগে এসআইআর করতে। তো দু’বছর সময় দেওয়া উচিত।’ বাংলা সহ গোটা দেশে ১২ রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য সময়সীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জাতীয় নির্বাচন কমিশন জারি করার পরেই এমন তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয়....

Sukanta on President Rule in Bengal : ‘রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেই বাংলায় এসআইআর হওয়া উচিত ছিল’ বিষ্ফোরক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, ‘বিজেপি ও কমিশনের হাতে রক্ত থেকেই যাবে’ দাবি তৃণমূলের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Sukanta on President Rule in Bengal : ‘রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেই বাংলায় এসআইআর হওয়া উচিত ছিল’ বিষ্ফোরক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, ‘বিজেপি ও কমিশনের হাতে রক্ত থেকেই যাবে’ দাবি তৃণমূলের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন দু’বছর সময় লাগে এসআইআর করতে। তো দু’বছর সময় দেওয়া....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন দু’বছর সময় লাগে এসআইআর করতে। তো দু’বছর সময় দেওয়া উচিত।’ বাংলা সহ গোটা দেশে ১২ রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য সময়সীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জাতীয় নির্বাচন কমিশন জারি করার পরেই এমন তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।‌ রবিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, ৯ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৬ ডিসেম্বর বাংলায় খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ফলত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও পিছিয়ে গিয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে বাংলার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। রাজনৈতিক শিবির থেকে বিএলও, লাগাতার প্রশ্নের মুখে পড়েই শেষ পর্যন্ত কমিশন এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়াতে বাধ্য হল কি না, সেই প্রশ্ন করায় সুকান্ত মজুমদার বলেন,
‘আমরাও তো চাইছিলাম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা মেনে দু’বছর করে দেওয়া হোক এবং রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে…যতদিন মেয়াদ আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকতেন। তার পর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে এসআইআর, ভোট যা করানোর করানো হতো। আমরাও তো সেই দাবি করছিলাম। আমাদের কোনও অসুবিধে ছিল না। ওঁরা দু’বছর চেয়েছিলেন, এক সপ্তাহ বেড়েছে। এটাকে কতটা মানবেন, ওঁরা ভাববেন। আমাদের অসুবিধে নেই।” আগামী দিনে এই সময়সীমা কি আরও বাড়তে পারে? সুকান্ত বলেন, “সেটা কমিশন ঠিক করবে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে, পিসি ঠিক করবে না। পিসির বিদায় হবে।’
তবে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য কার্যত পাগলের প্রলাপ বলে উড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘বিজেপি-র নির্দেশে জাতীয় নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রস্তুতিহীনতার মধ্যে এসআইআর শুরু করেছিলেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছিলেন। সেই নির্ঘন্টর তো আর কিছুই রইল না! প্রত্যেক দিন নতুন নিয়ম, নির্ঘণ্ট বদল হচ্ছে। তার মানে কোনও প্রস্তুতিই ছিল না! হঠকারী সিদ্ধান্ত। বিজেপি বলেছে বলে গায়ের জোরে করতে হবে। এখন বুঝেছেন, নির্ঘণ্ট মেনে চলা সম্ভব নয়। তাই সাত দিন করে সময় বাড়িয়েছেন। কিন্তু সাত দিন কি যথেষ্ট? আরও একটি বড় প্রশ্ন, আতঙ্কে, চাপে ৩৫ জন প্রাণ হারালেন। তার দায় কে নেবে? বিজেপি ও কমিশনের হাতে রক্ত থেকেই যাবে। কেন প্রস্তুতি ছাড়া এটা করা হল? সুকান্ত বলছেন, দু’বছরের কথা। তখন অটলবিহারি বাজপেয়ী ছিলেন। তিনিও বিজেপি-র প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আজ এমন কী হল যে বিজেপি জোর করল, এক মাসের মধ্যে এসআইআর করতে হবে। যে কয়েকটি প্রাণ গিয়েছে, তার দায়িত্ব নিতে হবে কমিশন এবং বিজেপি-কে।’


এর পাশাপাশি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে তৃণমূলের বক্তব্যের সঙ্গে একসুরে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কি নিজের অযোগ্যতা, অপদার্থতা স্বীকার করবে? ২৮ তারিখ কমিশনের সিইও দফতরে সর্বদল বৈঠকে আমিও ছিলাম। বৈঠকের পর বেরিয়ে প্রথমেই বলেছিলাম, চূড়ান্ত অপ্রস্তুতি। সেটা স্পষ্ট হয়ে গেল। সব দায়িত্ব বিএলও-দের ঘাড়ে চাপিয়ে নাস্তানাবুদ করা হয়েছে তাঁদের। কেন বোঝেনি? কেন মানেনি? যেন সব বিএলও-দের কাজ! ঘন ঘন সার্কুলার, বিজ্ঞপ্তি বদলাচ্ছে। অযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছে কমিশন। তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে। রাজনৈতিক মনোভাবে চলতে গিয়ে এটা করেছে। নির্ভুল কাজ না করে, নাগরিকত্ব খুঁজতে গিয়েছে, যা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। ভুল রাজনৈতিক মনোভাব এবং বিজেপি-র কথায় চলতে গিয়ে আজ থুতু চাটতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। প্রস্তুতি থাকা উচিত ছিল। অযোগ্যতার কারণে একজন যোগ্যর নামও যদি বাদ যায়, কেউ ছেড়ে দেবে না। ভোটের অধিকার, মানুষের অস্তিত্বের অধিকার। তাকে নাগরিকত্বের সঙ্গে মিলিয়ে অসভ্যতা করতে গিয়েছে নির্বাচন কমিশন, বিজেপি-র কথায়। এতে তৃণমূল, বিজেপি-র লাভ হতে পারে…আমরা গোড়া থেকে বলেছিলাম, নির্ভুল তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’

আজকের খবর