u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
  • Home /
  • History Revisited /
  • ১৩৫ ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধের ভোলবদল, ASI-এর সঙ্গে পর্যটন দফতরের মৌ চুক্তি; লাইট-সাউন্ড শো থেকে নতুন ট্যুরিজম সার্কিট

১৩৫ ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধের ভোলবদল, ASI-এর সঙ্গে পর্যটন দফতরের মৌ চুক্তি; লাইট-সাউন্ড শো থেকে নতুন ট্যুরিজম সার্কিট

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। রাজ্যের ১৩৫টি ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ ও স্থাপত্যকে নতুন করে সাজিয়ে তুলতে বড় উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দফতর। ঐতিহাসিক স্থানগুলির উন্নয়ন, পর্যটন পরিষেবা বাড়ানো এবং বাংলার ঐতিহ্যকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ....

১৩৫ ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধের ভোলবদল, ASI-এর সঙ্গে পর্যটন দফতরের মৌ চুক্তি; লাইট-সাউন্ড শো থেকে নতুন ট্যুরিজম সার্কিট

  • Home /
  • History Revisited /
  • ১৩৫ ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধের ভোলবদল, ASI-এর সঙ্গে পর্যটন দফতরের মৌ চুক্তি; লাইট-সাউন্ড শো থেকে নতুন ট্যুরিজম সার্কিট

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। রাজ্যের ১৩৫টি ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ ও স্থাপত্যকে নতুন করে সাজিয়ে তুলতে বড়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুষমা পাল মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

রাজ্যের ১৩৫টি ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ ও স্থাপত্যকে নতুন করে সাজিয়ে তুলতে বড় উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দফতর। ঐতিহাসিক স্থানগুলির উন্নয়ন, পর্যটন পরিষেবা বাড়ানো এবং বাংলার ঐতিহ্যকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) সঙ্গে মৌ চুক্তি স্বাক্ষর করল রাজ্য পর্যটন দফতর। বুধবার পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ এবং এএসআই-এর শীর্ষ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি হয়।

 

চুক্তির আওতায় ১৩৫টি ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও স্মৃতিসৌধকে কেন্দ্র করে পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তৈরি করা হবে পর্যটন দফতর এবং এএসআই-এর আধিকারিকদের নিয়ে একটি যৌথ টিম (Joint Tourism-ASI Team)। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলির কাজ এবং অগ্রগতি এই টিমের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে।

 

পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক স্মারকগুলিকে শুধু সংরক্ষণ নয়, সেগুলিকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পগুলি থেকে যে মুনাফা আসবে, তা কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।

 

ভগ্নদশায় থাকা ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির সংস্কারের ক্ষেত্রেও এএসআই-এর নির্দেশিকা মেনে চলার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ঐতিহাসিক স্থাপত্যের চরিত্র বজায় রেখেই সংস্কারের কাজ করা হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলিতে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো (Light and Sound Show) এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

 

ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলিকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে একটি নির্দিষ্ট পর্যটন সার্কিট (Heritage Tourism Circuit) গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন শংকর ঘোষ। এর ফলে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলিকে একসঙ্গে পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

 

শুধু ঐতিহাসিক স্থাপত্য নয়, বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রবাসী ভারতীয়দের কাছেও তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে পর্যটন দফতর। আগামী বছর ৭ থেকে ৯ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে আয়োজিত হতে চলেছে ‘ভারতীয় প্রবাসী দিবস’। এই অনুষ্ঠানকে কাজে লাগিয়ে প্রবাসে থাকা পর্যটকদের কাছে বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলিকে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী।

 

কলকাতার পর্যটন ব্যবস্থাতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানকে নিয়ে একটি বিশেষ অ্যাপ (Kolkata Tourism App) চালুর পরিকল্পনা করছে পর্যটন দফতর। অ্যাপে থাকা কিউআর কোড ব্যবহার করে পর্যটকরা কলকাতার ঐতিহ্যশালী স্থানগুলিতে সহজে পৌঁছতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

 

এর পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক পর্যটন (River Tourism) সম্প্রসারণেও জোর দিচ্ছে রাজ্য। পর্যটন মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নদী পর্যটনের জন্য চারটি নতুন জাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রকল্পে মোট ৫৬ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে।

পর্যটনের পরিধি আরও বাড়াতে ভারতীয় রেলের সঙ্গেও রাজ্য পর্যটন দফতরের আলোচনা চলছে। আগামী দিনে ‘Palace on Wheels’-এর ধাঁচে পর্যটকদের জন্য নতুন ধরনের পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ, নদী পর্যটন, প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবা এবং রেলভিত্তিক পর্যটন—এই একাধিক উদ্যোগকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে বাংলার পর্যটন মানচিত্রকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে রাজ্য।

আজকের খবর