শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।
কলকাতা হাই কোর্টে ‘ধাক্কা’ যাদবপুরের অভিযুক্ত এসএফআইয়ের পড়ুয়ার।
পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন যাদবপুরের পড়ুয়া উদ্দীপন কুণ্ডু। পুলিশ তদন্তের নামে ডেকে হেনস্তা করছে। এবং মোবাইল ফোন জমা দেওয়ার কথা বলছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। বুধবার শুনানিতে স্বস্তি পেলেন না তিনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া সম্ভব না।
তাঁর অভিযোগ ছিল, পুলিশ তদন্তের নামে ডেকে হেনস্তা করছে। মোবাইল ফোন জমা দেওয়ার কথা বলছে।
সঙ্গে আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ, এফআইআরে পড়ুয়ার নাম রয়েছে। তিনি ছাত্র হলেও কোনও রিলিফ দিলে খারাপ বার্তা যাবে। তবে একজন ছাত্রকে যাতে ওই মোবাইল জমা দিয়ে, নতুন মোবাইল পড়াশোনার জন্য কিনতে না হয়, সেই দিকটি পুলিশকে নিশ্চিত করতে বলেছে আদালত
বুধবার মামলাটির শুনানি হয় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানে উদ্দীপনের আইনজীবীর দাবি করেন, মোবাইল ব্যক্তিগত ডিভাইস। সেখানে অনেক পার্সোনাল তথ্য আছে। সেগুলো পাবলিক করতে আপত্তি আছে। সুপ্রিম কোর্টও যে মোবাইল ফোনকে ব্যক্তিগত ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেই কথা আদালতে তুলে ধরেন তিনি।আইনজীবীর আরও বক্তব্য, পুলিশের সব জবাব দেওয়ার পরেও কেন অসন্তোষের কথা বলছে তারা? হেনস্তা করতে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করছে। একজন ছাত্রের সঙ্গে কীভাবে, এমন আচরণ করা যায় সেই প্রশ্নও তোলেন অভিযুক্তের আইনজীবী।

সওয়াল শুনে বিচারপতি ঘোষ বলেন, আপনার মক্কেলের নাম এফআইআরে রয়েছে। তিনি অভিযুক্ত। এই অবস্থায় কোর্ট কোনও ভাবেই-এর মধ্যে ঢুকবে না। এফআইআরে নাম থাকা অভিযুক্ত ছাত্র হলেও, কোনও রিলিফ দিলে তা খারাপ বার্তা বহন করবে।
তবে পড়ুয়ারা যাতে ফোন ফেরত পান, নতুন মোবাইল কিনতে না হয় সেই দিকটি পুলিশকে দেখতে বলেছেন বিচারপতি। পাশাপাশি, দু’পক্ষকেই হলফনামা পেশ করতে বলেছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি এপ্রিল মাসে।