ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Bankura : ‘আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পাথর খাদানের কাজ শুরু হয়ে যাবে, ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে’ বাঁকুড়ার শালতোড়া থেকে ঘোষণা অভিষেকের

Abhishek Bankura : ‘আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পাথর খাদানের কাজ শুরু হয়ে যাবে, ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে’ বাঁকুড়ার শালতোড়া থেকে ঘোষণা অভিষেকের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৩১ মার্চের আগে সব কাজ চালু করে ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। কথা দিয়ে কথা রাখার নাম তৃণমূল।’ শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় দাঁড়িয়ে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে বাস্তবায়নের....

Abhishek Bankura : ‘আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পাথর খাদানের কাজ শুরু হয়ে যাবে, ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে’ বাঁকুড়ার শালতোড়া থেকে ঘোষণা অভিষেকের

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Bankura : ‘আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পাথর খাদানের কাজ শুরু হয়ে যাবে, ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে’ বাঁকুড়ার শালতোড়া থেকে ঘোষণা অভিষেকের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৩১ মার্চের আগে সব কাজ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৩১ মার্চের আগে সব কাজ চালু করে ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। কথা দিয়ে কথা রাখার নাম তৃণমূল।’ শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় দাঁড়িয়ে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে বাস্তবায়নের কথা ঘোষণা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় জনসভা করেন অভিষেক। আর সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘শালতোড়ায় কেন এসেছি? নবজোয়ারের কর্মসূচির আগে আপনাদের কথা দিয়ে গিয়েছিলাম। কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরে কিছু জায়গায় ক্রাশারের কাজ আইনি প্রক্রিয়া মেনে চালু হয়েছিল। আবার অনেক বাধ্যবাধকতা, কোর্টের নির্দেশের জন্য সেই কাজ পুরোদমে চালু হয়নি। এখনও পর্যন্ত প্রায় চার-সাড়ে চার হাজার কর্মী এই কাজে যুক্ত রয়েছেন। পুরোদমে চালু হয়ে গেলে ২৫ হাজার লোক কাজ পাবে। সরকারি যে ১৩৩ হেক্টর জমি রয়েছে, সেখানে প্রায় ১৮টি মাইন রয়েছে। এই ১৮টি মাইন শুরু হলে কমপক্ষে ২৫ হাজার লোক কর্মসংস্থানের বাড়তি সুযোগ পাবে। আমি গত দু’মাস ধরে এর উপর কাজ করেছি। আজ সকালেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ৩১ মার্চের আগে সব কাজ চালু করে ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। কথা দিয়ে কথা রাখার নাম তৃণমূল।’ এর পাশাপাশি খাদানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক ডিজি মাইনিং-কে ঘুষ দিতে হয় বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন অভিষেক।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্ৰহনের কথা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অভিষেক বলেন, ‘পাঁচটা খাদান চালু রয়েছে। প্রায় ১২০টি ক্রাশারের কাজ চলছে। ২৫০টির উপরে ক্রাশার রয়েছে। কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। একটি খাদান করতে গেলে অন্তত এক হেক্টর জমির প্রয়োজন হয়। একাধিক সরকারি অনুমতির দরকার হয়। ডাইরেক্টর জেনারেল অফ মাইনিং-এর এনওসি পেতে গেলে মাসের পর মাস লেগে যায়। আইনি প্রক্রিয়া মেনে যদি খাদান চালুও করতে হয়, ৩০-৩২ লক্ষ জমা দিতে হয়। তার পরে অনৈতিক ভাবে ডিজি মাইন-কে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হবে। শালতোড়ার বিধায়ক বিজেপির। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিল বিজেপির। আমি জিজ্ঞেস করে বিধায়ক-সাংসদদের লজ্জা লাগে না! কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থাকে ঘুষ দিতে মানুষকে নিজেদের অধিকারের স্বার্থে লড়তে হয়। তখন এদের বড় বড় ভাষণ কোথায় থাকে!’
শুক্রবার রাজ্যে এসআইআরের শুনানির লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে এক প্রৌঢ়ের মৃত্যুর ঘটনার পর শনিবার শালতোড়ার সভা থেকে ফের এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভামঞ্চ থেকে অভিষেকের কটাক্ষ, বিজেপি শুধু মানুষের পেটেই আঘাত করেনি, প্রাণ নিয়েও খেলছে। তাঁর কথায়, ‘এসআইআরের নাম করে বাঙালির ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। মাত্র দু’মাসে ৭০ তরতাজা প্রাণ হারিয়েছি আমরা। বিজেপি বাঙালিকে শুধু ভাতে মারেনি, প্রাণেও মেরেছে।’
এসআইআর প্রক্রিয়ায় নোটিস পাঠানো হয়েছে অমর্ত্য সেন, মহম্মদ সামি থেকে শুরু করে তৃণমূল সাংসদ দেবের কাছেও – এই প্রসঙ্গ তুলে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে ফের একবার নিশানা করেন অভিষেক।

শ্লেষের সুরে তাঁর মন্তব্য, ‘আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা স্বামী বিবেকানন্দ বেঁচে থাকলে তাঁদের কাছেও নোটিস পাঠানো হত।’ শালতোড়ার সভায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে অভিষেকের বার্তা, যাঁরা এইভাবে বাঙালির ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে, তাঁদের রাজনৈতিকভাবে উচিত শিক্ষা দিতেই হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি টেনে আনেন ২০১৬ সালের নোটবন্দির কথা। অভিষেক মনে করান, সেই সময়ও লাইনে দাঁড় করানো হয়েছিল সাধারণ মানুষকে, বহু মৃত্যুও হয়েছিল। তাঁর দাবি, দশ বছর পর ফের একই ছবি ফিরছে।

কেন্দ্রীয় এজেন্সি ব্যবহার করে বিজেপি বিরোধীদের ওপর চাপ তৈরি করে – এই অভিযোগও তৃণমূলের নতুন নয়। শনিবারের সভা থেকে সে নিয়েও আবারও হুঁশিয়ারি দেন অভিষেক। তাঁর হুঙ্কার, বিজেপি যতই ক্ষমতা লাগাক বাংলা মাথা নত করবে না। যদি গোটা দেশও গেরুয়া হয়ে যায়, বাংলা একা প্রতিবাদ করবে। বিজেপির সব ক্ষমতা একদিকে – আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিকে, দেখা যাক কে জেতে, চ্যালেঞ্জ অভিষেকের।

আজকের খবর